ব্রেকিং
  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • নির্বাচনের আগেই বীরভূমে কেন্দ্রীয় বাহিনী, উত্তপ্ত রাজনৈতিক আবহে শুরু রুটমার্চ

নির্বাচনের আগেই বীরভূমে কেন্দ্রীয় বাহিনী, উত্তপ্ত রাজনৈতিক আবহে শুরু রুটমার্চ

তারিক আনোয়ার, নয়া জামানা, বীরভূম: আগামী বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট এখনও ঘোষণা না হলেও, রাজ্যে আগাম নিরাপত্তা প্রস্তুতির অংশ হিসেবে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন শুরু করেছে প্রশাসন। রাজ্যের একাধিক জেলার পাশাপাশি বীরভূম জেলাতেও নামানো হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, বীরভূম....

নির্বাচনের আগেই বীরভূমে কেন্দ্রীয় বাহিনী, উত্তপ্ত রাজনৈতিক আবহে শুরু রুটমার্চ

তারিক আনোয়ার, নয়া জামানা, বীরভূম: আগামী বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট এখনও ঘোষণা না হলেও, রাজ্যে আগাম নিরাপত্তা....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


তারিক আনোয়ার, নয়া জামানা, বীরভূম: আগামী বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট এখনও ঘোষণা না হলেও, রাজ্যে আগাম নিরাপত্তা প্রস্তুতির অংশ হিসেবে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন শুরু করেছে প্রশাসন। রাজ্যের একাধিক জেলার পাশাপাশি বীরভূম জেলাতেও নামানো হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, বীরভূম জেলায় মোট সাত কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গতকাল রবিবার চন্দ্রপুর থানা এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুট মার্চ অনুষ্ঠিত হয়। তারই ধারাবাহিকতায় আজ সোমবার সিউড়ি থানার উদ্যোগে করিধ্যা এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুট মার্চ শুরু হয়। সকাল থেকেই করিধ্যা ও সংলগ্ন বিভিন্ন এলাকায় বাহিনীর টহল নজরে পড়ে। রাস্তাঘাটে বাহিনীর উপস্থিতিতে সাধারণ মানুষের মধ্যেও বাড়তি সতর্কতার ছবি ধরা পড়ে।
পুলিশ প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতেই এই আগাম কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন। সংবেদনশীল এলাকাগুলিতে নজরদারি বাড়ানো, অপ্রীতিকর ঘটনা রুখে দেওয়া এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা তৈরিই রুট মার্চের মূল উদ্দেশ্য। আগামী দিনেও জেলার বিভিন্ন এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর টহল ও রুট মার্চ চলবে বলে জানানো হয়েছে।
বর্তমান সময়ে বীরভূম জেলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি যথেষ্ট উত্তপ্ত। গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এবং বিজেপি–তৃণমূল সংঘর্ষ কার্যত প্রায় প্রতিদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে। একাধিক এলাকায় রাজনৈতিক কর্মসূচি ঘিরে উত্তেজনা, পোস্টার ছেঁড়া, পাল্টা মিছিল ও সংঘর্ষের অভিযোগ সামনে আসছে।
শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরেও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ক্রমশ প্রকাশ্যে। রাজনৈতিক মহলের মতে, জেলার রাজনীতিতে অনুব্রত মণ্ডল–অনুগামীদের সঙ্গে কাজল শেখ–ঘনিষ্ঠ গোষ্ঠীর দ্বন্দ্ব সংগঠনের ভিতরে অস্বস্তি বাড়াচ্ছে। নেতৃত্বের প্রভাব বিস্তার, কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণ এবং দলীয় আধিপত্যকে কেন্দ্র করে চাপানউতোর জেলার বিভিন্ন ব্লকে ছড়িয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ।
অন্যদিকে বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যেও সংঘর্ষের আশঙ্কা বাড়ছে। নির্বাচনের মুখে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও তীব্র হতে পারে বলেই প্রশাসনের অনুমান। সেই কারণেই ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগেই বীরভূমে কেন্দ্রীয় বাহিনী নামিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার কৌশল নিয়েছে প্রশাসন।সব মিলিয়ে, বিধানসভা নির্বাচনের আগে বীরভূমে কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুট মার্চ ও বাড়তি নজরদারি স্পষ্ট করে দিচ্ছে— উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতির মাঝে কোনও ঝুঁকি নিতে নারাজ জেলা।


 

আরো পড়ুন-

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর