ব্রেকিং

কেওয়াইসি আপডেটের নামে প্রতারণা! বোলপুরে চাঞ্চল্য

কার্তিক ভান্ডারী, নয়া জামানা, বীরভূম: প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনার নাম ভাঙিয়ে অবৈধভাবে টাকা তোলার অভিযোগে উত্তপ্ত হয়ে উঠল বোলপুরের সুপুর মিনিবাজার এলাকা। সোমবার ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা বিক্ষোভে সামিল হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বোলপুর থানার পুলিশ। এই ঘটনায় চারজনকে আটক করা হয়েছে....

কেওয়াইসি আপডেটের নামে প্রতারণা! বোলপুরে চাঞ্চল্য

কার্তিক ভান্ডারী, নয়া জামানা, বীরভূম: প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনার নাম ভাঙিয়ে অবৈধভাবে টাকা তোলার অভিযোগে উত্তপ্ত হয়ে....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


কার্তিক ভান্ডারী, নয়া জামানা, বীরভূম:  প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনার নাম ভাঙিয়ে অবৈধভাবে টাকা তোলার অভিযোগে উত্তপ্ত হয়ে উঠল বোলপুরের সুপুর মিনিবাজার এলাকা। সোমবার ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা বিক্ষোভে সামিল হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বোলপুর থানার পুলিশ। এই ঘটনায় চারজনকে আটক করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

গ্রামবাসীদের অভিযোগ, বোলপুরের কাশিমবাজার এলাকার একটি গ্যাস সরবরাহকারী সংস্থা কেওয়াইসি আপডেটের নাম করে বিভিন্নভাবে টাকা তুলছিল। গত দুদিন ধরে ওই সংস্থার মাধ্যমে সুপুর এলাকায় মাইকিং করে প্রচার চালানো হয়—কেওয়াইসি আপডেট না করলে গ্যাস পরিষেবা ও ভর্তুকি বন্ধ হয়ে যাবে। সোমবারকে ‘লাস্ট ডেট’ বলেও প্রচার করা হয়।
অভিযোগ, প্রচারের দায়িত্বে থাকা স্থানীয় দুই যুবক গ্রামে গিয়ে একটি গোলাকৃতি অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র দেখিয়ে বলেন, সেটি ৯৯৯ টাকায় কিনলেই কেওয়াইসি আপডেট হবে। গ্রামবাসীদের দাবি, কেওয়াইসির আড়ালে ওই ডিভাইস বিক্রি করে মুনাফা লোটার চেষ্টা চলছিল। অনেকেই এত টাকা দিয়ে ওই যন্ত্র কেনার সামর্থ্য বা প্রয়োজন নেই জানালেও, অভিযুক্তরা গ্যাস পরিষেবা ও ভর্তুকি বন্ধ হয়ে যাওয়ার ভয় দেখায় বলে জানা গিয়েছে।এদিন গ্রাহকদের মধ্যে রাকেশ চৌধুরী , জেসমিন বিবিরা বলেন, আগেও কখনও ৬০, কখনও ৯০, কখনও ২০০ টাকা নেওয়া হয়েছে, ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করা হচ্ছে। আমরা খেটে খাওয়া মানুষ। সরকারের প্রকল্পে আলাদা করে টাকা দিতে হবে কেন? এর সঠিক বিচার চাই। তারা আরও দাবি করেন, তাঁদের দেখানো অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রের বাজারদামও এত নয়। এমনকি জোর করে তা চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছিল।অভিযুক্ত সংস্থার কর্মীরা জানান, অফিসের নির্দেশেই তারা প্রচার চালিয়েছেন। তাঁদের দাবি, নিরাপত্তার স্বার্থেই অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রের কথা বলা হয়েছিল, তবে সেটি বাধ্যতামূলক বলা হয়েছে—এই অভিযোগ তারা অস্বীকার করেন। যদিও এই সংস্থা মূল মালিককে এদিন দেখা পাওয়া যায়নি। এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে বোলপুর থানার পুলিশ। গ্রামবাসীদের দাবি, দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিয়ে ভবিষ্যতে এই ধরনের প্রতারণা রুখতে প্রশাসনকে আরও সক্রিয় হতে হবে।


 

আরো পড়ুন-

দোলে নেই বসন্ত উৎসব, তবুও পর্যটকদের জন্য গেস্ট হাউস ও প্রবেশমূল্য বাড়ালো বিশ্বভারতী

 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর