ব্রেকিং
  • Home /
  • মহানগর /
  • মমতার খাসতালুক এড়িয়েই প্রচার, শেষ মোদীর, কটাক্ষ শাসকদলের

মমতার খাসতালুক এড়িয়েই প্রচার, শেষ মোদীর, কটাক্ষ শাসকদলের

নয়া জামানা ডেস্ক : প্রচারের শেষ লগ্নে নবান্ন দখলের লড়াইয়ে বিজেপির তুরুপের তাস হয়ে থাকল ব্যারাকপুর। জল্পনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের খাসতালুক দক্ষিণ কলকাতায় পা রাখলেন না প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ভবানীপুর বা রাসবিহারীতে তাঁকে দিয়ে রোডশো করানোর পরিকল্পনা বিজেপি....

মমতার খাসতালুক এড়িয়েই প্রচার, শেষ মোদীর, কটাক্ষ শাসকদলের

নয়া জামানা ডেস্ক : প্রচারের শেষ লগ্নে নবান্ন দখলের লড়াইয়ে বিজেপির তুরুপের তাস হয়ে থাকল ব্যারাকপুর।....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা ডেস্ক : প্রচারের শেষ লগ্নে নবান্ন দখলের লড়াইয়ে বিজেপির তুরুপের তাস হয়ে থাকল ব্যারাকপুর। জল্পনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের খাসতালুক দক্ষিণ কলকাতায় পা রাখলেন না প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ভবানীপুর বা রাসবিহারীতে তাঁকে দিয়ে রোডশো করানোর পরিকল্পনা বিজেপি সাজালেও, শেষ দিনে উত্তর ২৪ পরগনার জনসভা দিয়েই নিজের প্রচারপর্ব সাঙ্গ করলেন তিনি। ফলে ভোট ঘোষণার পর প্রধানমন্ত্রীর ১৯টি কর্মসূচির তালিকায় ব্রাত্যই থেকে গেল ‘মমতাদুর্গ’। বিজেপি সূত্রের খবর ছিল, প্রচারের ইতি টানা হবে দক্ষিণ কলকাতার মেগা রোডশো দিয়ে। খোদ বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ভবানীপুরের প্রার্থী হওয়ায় এই কর্মসূচি নিয়ে উন্মাদনা ছিল তুঙ্গে। কিন্তু এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহে এসপিজি-র আপত্তিতে সেই পরিকল্পনা থমকে যায়। সুরক্ষার খাতিরেই দক্ষিণ কলকাতায় রোডশোয়ের অনুমতি মেলেনি বলে দাবি গেরুয়া শিবিরের। যদিও বিজেপির একাংশ মনে করিয়ে দিচ্ছে, ভোট ঘোষণার আগে ব্রিগেড ময়দানে মোদীর বিশাল সভাটি আদতে দক্ষিণ কলকাতারই অংশ ছিল। শুভেন্দুর মনোনয়ন পেশের দিন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের মিছিলে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। হাজরা মোড়ে তৃণমূল-বিজেপি সংঘাত এবং পুলিশি ধরপাকড় গেরুয়া নেতৃত্বকে বাড়তি সতর্ক করেছে। ২০১৯ সালে বিদ্যাসাগর কলেজের মূর্তি ভাঙার মতো অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে নতুন করে শাসকদলকে মাইলেজ না দেয়, তাই ঝুঁকি নেয়নি দিল্লি। তৃণমূলের কটাক্ষের মুখে পড়ার চেয়ে কৌশলগত ভাবে দক্ষিণে পা না বাড়ানোই শ্রেয় মনে করেছে বিজেপি। তৃণমূল অবশ্য এই অনুপস্থিতিকে বিঁধতে ছাড়েনি। জোড়াফুল শিবিরের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার হিটলারের পরাজয়ের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির শোচনীয় পরাজয়ের আগের দিন পর্যন্ত হিটলার নিজের ঘনিষ্ঠদের বলেছিলেন, জয় আমাদেরই হবে। সেটা যেমন হয়নি, মোদী-শাহেরা প্রচারের শেষ দিন পর্যন্ত যা বলছেন, সে বঙ্গবিজয়ও হবে না। সে কথা তাঁরা নিজেরাও বুঝতে পেরেছেন। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দক্ষিণ কলকাতায় না-এসে নিজেকে বিড়ম্বনার হাত থেকে বাঁচানোর চেষ্টা করেছেন।’ বিজেপি নেতৃত্বের পাল্টা যুক্তি, কোনও একটি নির্দিষ্ট কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী— দুজনেই যাবেন, এমন নীতি নেওয়া হয়নি। ভবানীপুরে শাহের মেগা শো হয়ে যাওয়ায় মোদীকে সেখানে পাঠানো হয়নি। এ ছাড়া রাসবিহারীর প্রার্থী স্বপন দাশগুপ্তের হয়েও প্রচারের সুর বেঁধে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় নেতারা। সব মিলিয়ে উত্তপ্ত রাজনৈতিক আবহে দক্ষিণ কলকাতাকে এড়িয়ে ব্যারাকপুরেই প্রচারের শেষ ‘স্ট্রোক’ দিলেন মোদী। এখন দেখার, এই রণকৌশল ইভিএমে কতটা ঝড় তোলে।


সরকারি মঞ্চে ‘রাজনৈতিক প্রচারের’ অভিযোগ, মমতার নিশানায় মোদী

 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর