ব্রেকিং
[pj-news-ticker]

BRIC থেকে BRICS ইতিহাসের পথ বেয়ে দিল্লির ১৮-তম সম্মেলনে ভারত

দ্বিতীয় পর্ব কৌশিক সেন রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় আসানসোল ২৬-২৭ মার্চ ২০১৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবানে ব্রিকস এর পঞ্চম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। মূল ভাবনা ছিল- ব্রিকস অ্যান্ড আফ্রিকা: পার্টনারশিপ ফর ডেভেলপমেন্ট, ইন্টিগ্রেশন অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজেশন। অর্থাৎ, উন্নয়ন আঞ্চলিক সংহতি....

BRIC থেকে BRICS ইতিহাসের পথ বেয়ে দিল্লির ১৮-তম সম্মেলনে ভারত

দ্বিতীয় পর্ব কৌশিক সেন রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় আসানসোল ২৬-২৭ মার্চ ২০১৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


দ্বিতীয় পর্ব

কৌশিক সেন
রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর
কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় আসানসোল

২৬-২৭ মার্চ ২০১৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবানে ব্রিকস এর পঞ্চম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। মূল ভাবনা ছিল- ব্রিকস অ্যান্ড আফ্রিকা: পার্টনারশিপ ফর ডেভেলপমেন্ট, ইন্টিগ্রেশন অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজেশন। অর্থাৎ, উন্নয়ন আঞ্চলিক সংহতি ও শিল্পায়নের জন্য ব্রিকস ও আফ্রিকার অংশীদারিত্ব। ২০১৩ সালের বৈঠকে প্রধান আলোচ্য বিষয়গুলো ছিল— ১. আফ্রিকার অর্থনৈতিক উন্নয়ন, দারিদ্র দূরীকরণ, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং ব্রিকস দেশগুলির সঙ্গে আফ্রিকার সহযোগিতা বাড়ানো নিয়ে আলোচনা। ২. নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের প্রতিষ্ঠকে কার্যকর করার জন্য স্বীকৃতি দেওয়া। ৩. আফ্রিকা শিল্পায়ন ও পরিকাঠামো উন্নয়ন তথা সেই দেশের রাস্তা, বিদ্যুৎ, বন্দর, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও শিল্পক্ষেত্রের উন্নয়নের জন্য বিষয়টি গুরুত্ব পায়। ৪. বাণিজ্য বিনিয়োগ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে সহযোগিতা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত। ৫. সন্ত্রাসবাদ ও আন্তর্জাতিক অপরাধ মোকাবিলায় যৌথ অবস্থান।
১৫ জুলাই ২০১৪ সালে ব্রাজিলের ফোর্তালেজা শহরে ব্রিকস এর ষষ্ঠ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় এই সম্মেলনের মূল থিম ছিল– ইনক্লুসিভ গ্রোথ: সাসটেইনেবল সলিউশনস। অর্থাৎ, অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি: টেকসই সমাধান। এই সম্মেলনের একটি বিশেষ দিক হল যে ২০১৩ সালের ডারবান সম্মেলনে নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক ও কনটিনজেন্ট রিজার্ভ অ্যারেঞ্জমেন্ট গঠনের বিষয়ে যে আলোচনা হয়েছিল সেই সিদ্ধান্তের বাস্তব রূপ অর্থাৎ প্রধান পদক্ষেপ নেওয়া হয় ২০১৪ সালের ফোর্তালেজা সম্মেলনে। ২০১৪ সালের ফোর্তালেজা সম্মেলনে ব্রিকস-এর সদস্য ভুক্ত রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন। তবে ভারতের দিক থেকে যদি আলোচনা করা হয় তবে এই সম্মেলনে ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রথম ব্রিকস সম্মেলন। এই সম্মেলনে ভারতের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ ছিল— ১. ভারত নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগকে সমর্থন করে এন.ডি.বি এর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দায়িত্ব ভারতের হাতে অর্পণ করা হয়। এর মাধ্যমে ব্যাংক পরিচালনায় ভারতের নেতৃত্বের সুযোগ তৈরি হয়। ২. ভারত ব্রিকস দেশগুলির মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ প্রযুক্তি ও শিল্পের প্রসার মত দেয়। ৩. ভারত ডব্লিউ.টি.ও-তে খাদ্য নিরাপত্তা ও কৃষকদের স্বার্থ রক্ষার বিষয়টি তুলে ধরেন। ৪. রাষ্ট্রসংঘ আই.এম.এফ ও বিশ্বব্যাংকের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ও প্রতিনিধিত্ব গ্রহণের ক্ষমতা বৃদ্ধি করা হয়। ২০১৪ সালের বৈঠকে প্রধান আলোচ্য বিষয়গুলো ছিল— ১. নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক প্রতিষ্ঠার অনুমোদিত মূলধন নির্ধারিত হয় ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২. কনটিনজেন্ট রিজার্ভ অ্যারেঞ্জমেন্ট সম্মেলনে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার গঠনের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ৩. আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থা সংস্কার। ৪. ব্রিকস দেশগুলির মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধি।
৮-৯ জুলাই ২০১৫ রাশিয়া, উফা শহরের সপ্তম ব্রিকস সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলনের মূল বিষয় ছিল— ব্রিকস পার্টনারশিপ: এ পাওয়ারফুল ফ্যাক্টর অফ গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট। অর্থাৎ, বিশ্বের উন্নয়নের ক্ষেত্রে ব্রিকস অংশীদারিত্ব একটি শক্তিশালী শক্তি। ২০১৫ সালের বৈঠকে প্রধান আলোচ্য বিষয়— ১. ২০১৫ সালের সম্মেলনের অন্যতম প্রধান সিদ্ধান্ত ছিল ব্রিকস ইকোনমিক পার্টনারশিপ স্ট্র্যাটেজি গ্রহণ। এর মাধ্যমে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়। ২. ২০১৪ সালের ফোর্তালেজা সম্মেলনে নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক প্রতিষ্ঠা সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল ২০১৫ সালের উফা সম্মেলনে সেই ব্যাংককে কার্যকর করার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। ৩. ২০১৫ সালের বৈঠকে কনটিনজেন্ট রিজার্ভ অ্যারেঞ্জমেন্ট (সি.আর.এ)-এর বাস্তবায়ন নিয়েও আলোচনা হয়। এই ব্যবস্থার উদ্দেশ্য ছিল কোন সদস্য দেশ বৈদেশিক মুদ্রার সংকট বা আর্থিক অস্থিরতার মুখে পড়লে তাকে জরুরি সহায়তা দেওয়া। ৪. আই.এম.এফ (ইন্টারন্যাশনাল মনিটারি ফান্ড) ও বিশ্বব্যাংকের সংস্কার। ৫. ডব্লিউ.টি.ও (ওয়ার্ল্ড ট্রেড অর্গানাইজেশন) ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য। ৬. নিজস্ব মুদ্রায় পারস্পরিক বাণিজ্য। ৭. দারিদ্র বৈষম্য ও বেকারত্ব দূরীকরণ। ৮. ২০১৫ সালের উফা সম্মেলনে সন্ত্রাসবাদ ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা নিয়েও আলোচনা হয়। ব্রিকস দেশগুলি, সন্ত্রাসবাদের সব রূপের বিরোধিতা করে এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে তা মোকাবিলার কথা বলে। ৯. ২০১৫ সালের রাষ্ট্রসংঘ প্রতিষ্ঠার ৭০ বছর পূর্ণ হয়। এই প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রসঙ্ঘের ভূমিকা আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা এবং বিশ্বব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা হয়। ১০. বিজ্ঞান প্রযুক্তি ও আই.সি.টি সহযোগিতা। ১১. এস.সি.ও (সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন) ও ইএইইউ (ইউরেশিয়ান ইকোনমিক ইউনিয়ন এর সঙ্গে সহযোগিতা ও যোগাযোগ বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা করে।
১৫-১৬ অক্টোবর ২০১৬ সালে ভারতের গোয়া অষ্টম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় এই সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেন ভারত। এই সম্মেলনের মূল বিষয় ছিল– বিল্ডিং রেসপনসিভ, ইনক্লুসিভ অ্যান্ড কালেক্টিভ সলিউশনস। অর্থাৎ, দায়িত্বশীল অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সম্মিলিত সমাধান গড়ে তোলা। ২০১৬ সালের বৈঠকে প্রধান আলোচ্য বিষয়গুলো ছিল— ১. ২০১৬ সালের ব্রিকস সম্মেলনে গোয়াতে হয়েছিল। এর অন্যতম প্রধান বিষয় ছিল সন্ত্রাসবাদ ভারত বিশেষ করে সন্ত্রাসবাদ সীমান্ত পারাপার, উগ্রপন্থার বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান গ্রহণ করেন। এই বিষয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন সন্ত্রাসবাদ শুধু শান্তি নিরাপত্তার জন্য নয় অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও মানব সমাজের জন্য বড় হুমকি (প.আই.বি, অক্টোবর ১৬, ২০১৬) । ২. বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সংঘাত নিয়ে আলোচনা হয়। যেমন —মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার পরিস্থিতি, আফগানিস্তানের নিরাপত্তা সমস্যা, আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ ইত্যাদি বিষয় গুলি নিয়ে। ৩. বিশ্ব অর্থনীতির বর্তমান পরিস্থিতি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর উপায় নিয়ে আলোচনা হয়। ৪. নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের কার্যক্রমকে আরো শক্তিশালী করা এবং নবীকরন যোগ্য শক্তি প্রকল্পে ঋণ প্রদান। ৫. ২০১৪ সালে গঠিত হয়েছিল কনটিনজেন্ট রিজার্ভ অ্যারেঞ্জমেন্ট (সিআরএ)- এর কার্যকারিতা নিয়েও আলোচনা হয় সদস্য দেশগুলোর বৈদেশিক মুদ্রা ও আর্থিক সংকটের সময় জরুরি সহায়তা প্রদান করা। ৬. আই.এম.এফ (ইন্টারন্যাশনাল মনিটারি ফান্ড) ও বিশ্বব্যাংকের মতো প্রতিষ্ঠানে উন্নয়নশীল দেশগুলির প্রতিনিধিত্ব ও ভোটাধিকার বাড়ানোর দাবি জানানো হয়। ৭. বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউ.টি.ও) ভূমিকা নিয়েও আলোচনা হয়। ৮. সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তন বাস্তবায়নের সহযোগিতা বৃদ্ধি। ৯. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সহযোগিতা বৃদ্ধি। ১০. ব্রিকস রেটিং এজেন্সি গঠনের প্রস্তাব আলোচনা হয়। ১১. ব্রিকস-বিমস্টেক আউটরিচ সামিট বৈঠকে বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের বিমস্টেক সদস্য দেশগুলিকে যুক্ত করা হয়। ১২. জনগণের মতে যোগাযোগ ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি।
৩-৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সালে নবম ব্রিকস সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় চীনের শিয়ামেন শহরে। তবে রাষ্ট্রনেতাদের মধ্যে শীর্ষ বৈঠক হয় ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সালে। এই সম্মেলনের মূল ভাবনা ছিল — ব্রিকস: স্ট্রংগার পার্টনারশিপ ফর এ ব্রাইটার ফিউচার। অর্থাৎ, ভবিষ্যতের জন্য শক্তিশালী অংশীদারিত্ব। সম্মেলনে ব্রাজিল, রাশিয়, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রনেতারা অংশগ্রহণ করেন। বৈঠকে শেষে শিয়ামেন ঘোষণা গৃহীত হয়। ২০১৭ সালের ব্রিকস প্রধান আলোচ্য বিষয়গুলো ছিল— ১. ব্রিকস এর অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব শক্তিশালী করা। এই সম্মেলনে ব্রিকস ইকোনমিক পার্টনারশিপ স্ট্র্যাটেজি (ব্রিকস অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বের কৌশল) বাস্তবায়নের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। ২. ২০১৭ সালের সম্মেলনে ব্রিকস ই-কমার্স ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনের উদ্যোগকে স্বাগত জানানো হয়। এছাড়া ব্রিকস ই-পোর্ট নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠার বিষয়েও অগ্রগতি হয়। ৩. আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার সংস্কার ৪. ২০১৭ সালের শিয়ামেন ঘোষণায় নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক ও কনটিনজেন্ট রিজার্ভ অ্যারেঞ্জমেন্ট-কে ব্রিকস সহযোগিতার গুরুত্ব পূর্ণ সাফল্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়। ৫. সন্ত্রাসবাদ ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা হয়। ৬. ২০১৭ সালে শিয়ামেন সম্মেলনের অন্যতম উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য ছিল ব্রিকস প্লাস ধারণার প্রসার। ৭. টেকসই উন্নয়ন ও পরিবেশ রক্ষার বিষয়ে ও আলোচনা হয় ৮. ব্রিকস-এর সহযোগিতা শুধু অর্থনীতি বা কূটনীতির মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে সাধারণ মানুষের মধ্যেও সম্পর্ক বৃদ্ধি করার কথা বলা হয়। ৯. স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সহযোগিতা বিষয়ে আলোচনা হয়।
২০১৩ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত চলে আসা পাঁচটি শীর্ষ সম্মেলনকে যদি আমরা গভীরভাবে বিশ্লেষণ করি। তাহলে দেখা যায় এই সময়ে ব্রিকস ধীরে ধীরে একটি অর্থনৈতিক সহযোগিতা গোষ্ঠী থেকে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, কূটনৈতিক ও উন্নয়নমূলক সহযোগিতার মঞ্চে পরিণত হয়। একদিকে যেমন সদস্য দেশ গুলির মধ্যে অর্থনৈতিক উন্নয়ন বাণিজ্য ইত্যাদি প্রসার গুরুত্ব পেয়েছে অন্যদিকে তেমনি সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলা উন্নয়নশীল দেশগুলোর স্বার্থ রক্ষা এবং বহুমেরু বিশ্ব ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার প্রশ্ন সামনে এসেছে।


পরিবর্তনশীল ব্রিকস(BRICS) ও ভারত

 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর