ব্রেকিং
[pj-news-ticker]
  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • বাঁশের সেতু পার হলেই ৫–২০ টাকা! মানিকচকে ‘ফি’ আদায় ঘিরে তোলাবাজির অভিযোগ

বাঁশের সেতু পার হলেই ৫–২০ টাকা! মানিকচকে ‘ফি’ আদায় ঘিরে তোলাবাজির অভিযোগ

নয়া জামানা,মালদহ : বাঁশের সেতু পেরোতে গেলেই গুনতে হচ্ছে টাকা! টাকা না দিলে মিলছে না পারাপারের অনুমতি-এমনই অভিযোগ উঠেছে মালদহের মানিকচকের নাজিরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের হাহাজান ঘাটে।অভিযোগ,সেতু দিয়ে যাতায়াতকারী সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ৫ টাকা, সাইকেল বা অন্যান্য যানবাহনে ১০ টাকা....

বাঁশের সেতু পার হলেই ৫–২০ টাকা! মানিকচকে ‘ফি’ আদায় ঘিরে তোলাবাজির অভিযোগ

নয়া জামানা,মালদহ : বাঁশের সেতু পেরোতে গেলেই গুনতে হচ্ছে টাকা! টাকা না দিলে মিলছে না পারাপারের....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা,মালদহ : বাঁশের সেতু পেরোতে গেলেই গুনতে হচ্ছে টাকা! টাকা না দিলে মিলছে না পারাপারের অনুমতি-এমনই অভিযোগ উঠেছে মালদহের মানিকচকের নাজিরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের হাহাজান ঘাটে।অভিযোগ,সেতু দিয়ে যাতায়াতকারী সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ৫ টাকা, সাইকেল বা অন্যান্য যানবাহনে ১০ টাকা এবং মোটরবাইকের জন্য ২০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে। ফলে পারাপারের একমাত্র পথ হওয়ায় বাধ্য হয়েই টাকা দিতে হচ্ছে কালিন্দী নদীর ওপারে থাকা ছয়টি গ্রামের বাসিন্দাদের।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হাহাজান ঘাটের উপর দিয়ে বয়ে গিয়েছে কালিন্দী নদী। নদীর ওপারে রয়েছে নাজিরপুর পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ছয়টি গ্রাম। শুখা মরশুমে জল কম থাকলে নদীর বুক দিয়েই কোনওরকমে যাতায়াত করেন বাসিন্দারা। কিন্তু বর্ষায় সেই পথ কার্যত বন্ধ। তখন বাঁশের সেতুই হয়ে ওঠে তাঁদের একমাত্র ভরসা।

অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে সেতুটি। বিভিন্ন জায়গায় বাঁশ ভেঙে যাওয়ায় পারাপারের সময় ঘটছে দুর্ঘটনাও। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বারবার পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষকে সংস্কারের আবেদন জানানো হলেও কোনও স্থায়ী উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।এরপর স্থানীয় বাসিন্দা সুদয় মাহালদার নিজের উদ্যোগে শ্রমিক দিয়ে সেতু সংস্কারের কাজ শুরু করেন। আর সেই কাজ চলাকালীনই শুরু হয়েছে টাকা আদায়ের অভিযোগ। স্থানীয়দের দাবি, শনিবার থেকে সেতু পারাপারের সময় সুদয় মাহালদারের লোকজন টাকা তুলছেন।যদিও টাকা আদায়কারীদের দাবি, এটি কোনও তোলাবাজি নয়। জরাজীর্ণ বাঁশের সেতু সংস্কারের খরচ জোগাড় করতেই এই টাকা নেওয়া হচ্ছে।তাঁদের আরও দাবি, পঞ্চায়েতের এক আধিকারিকের মৌখিক নির্দেশেই এই টাকা আদায় করা হচ্ছে।তবে সেই দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন নাজিরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান। তাঁর দাবি, টাকা আদায়ের কোনও নির্দেশ পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়নি। ফলে প্রশ্ন উঠছে কার নির্দেশে, কীসের ভিত্তিতে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে এই টাকা আদায় করা হচ্ছে? পারাপারের একমাত্র পথ ঘিরে এই অভিযোগে এখন সরগরম হাহাজান ঘাট।


জাল অভিযোগে টোল প্লাজা বন্ধ করল বিজেপি

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর