ব্রেকিং
  • Home /
  • প্রথম পাতা /
  • আধিকারিকদের রাতের ঘুম কাড়ল কমিশন! ৭ দিনের ডেডলাইন, নড়চড় হলেই কড়া ব্যবস্থা

আধিকারিকদের রাতের ঘুম কাড়ল কমিশন! ৭ দিনের ডেডলাইন, নড়চড় হলেই কড়া ব্যবস্থা

নয়া জামানা ডেস্ক : ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজে গতি বাড়াতে নজিরবিহীন তৎপরতা শুরু করল নির্বাচন কমিশন। আগামী সাত দিনের মধ্যে এসআইআর বা স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন রিপোর্টের শুনানি এবং তার নথি আপলোডের কাজ শেষ করার চরম সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার রাজ্যের....

আধিকারিকদের রাতের ঘুম কাড়ল কমিশন! ৭ দিনের ডেডলাইন, নড়চড় হলেই কড়া ব্যবস্থা

নয়া জামানা ডেস্ক : ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজে গতি বাড়াতে নজিরবিহীন তৎপরতা শুরু করল নির্বাচন কমিশন।....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

নয়া জামানা ডেস্ক : ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজে গতি বাড়াতে নজিরবিহীন তৎপরতা শুরু করল নির্বাচন কমিশন। আগামী সাত দিনের মধ্যে এসআইআর বা স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন রিপোর্টের শুনানি এবং তার নথি আপলোডের কাজ শেষ করার চরম সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের সঙ্গে বৈঠকে এই কড়া নির্দেশ দিয়েছে কমিশনের ফুল বেঞ্চ। সাফ জানানো হয়েছে, আগামী ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে শুনানির প্রক্রিয়া গুটিয়ে ফেলতে হবে।

শুনানি কেন্দ্রের নজরদারিতেও বড় বদল আনা হয়েছে। এবার থেকে শুনানিকেন্দ্র থেকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে মাইক্রো অবজার্ভারদের। তাঁদের মূলত ভোটার তালিকা দেখভালের কাজে লাগানো হবে। পরিবর্তে অনলাইন পোর্টালে আপলোড হওয়া যাবতীয় নথিপত্র ‘সুপার চেকিং’ করবেন রাজ্যে নিযুক্ত বিশেষ পর্যবেক্ষকেরা। মুর্শিদাবাদ ও মালদহের মতো জেলাগুলিতে শুনানির গতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে কমিশন। সব পক্ষকে জানানো হয়েছে, শনিবার বিকেল ৫টার মধ্যে বকেয়া নোটিস জেনারেট করতে হবে এবং ১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ভোটারদের হাতে তা পৌঁছে দিতে হবে।

জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের (ডিইও) স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, প্রতিটি মামলার নিষ্পত্তি যেন নিয়ম মেনেই হয়। আগামী ২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে পুরনো শুনানির সমস্ত নথি পোর্টালে তোলার কাজ শেষ করতে হবে। কমিশনের লক্ষ্য, আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি নির্ভুল ও চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা। যদিও শুনানির সময়সীমা বাড়ানোর জল্পনা ছিল, তবে আপাতত সেই পথে না হেঁটে কাজ দ্রুত শেষ করতেই চাপ বাড়াল কমিশন।

পশ্চিমবঙ্গে গত ১৬ ডিসেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়েছিল। বর্তমানে সেই তালিকা যাচাইয়ের কাজ চলছে। জানা গিয়েছে, শুনানির জন্য তলব করা হয়েছে ১ কোটি ২৬ লক্ষ ১৭ হাজার ৫৫৮ জন ভোটারকে। এর মধ্যে ৩১ লক্ষ ৬৮ হাজার ৪২৬ জন এমন ভোটার রয়েছেন, যাঁরা ২০০২ সালের তালিকার সঙ্গে কোনও যোগসূত্র প্রমাণ করতে পারেননি। এছাড়া তথ্যগত ত্রুটির কারণে ৯৪ লক্ষ ৪৯ হাজার ১৩২ জনকে শুনানিতে ডাকা হচ্ছে। কাজের স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই এবার বিশেষ পর্যবেক্ষকদের দিয়ে সরাসরি তথ্য যাচাইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর