ব্রেকিং
  • Home /
  • প্রথম পাতা /
  • বিপাকে মুখ্যমন্ত্রী ! ছবি দেখিয়ে নবান্ন কাঁপালেন বিরোধী দলনেতা, আনন্দপুর কাণ্ডে পর্দাফাঁস?

বিপাকে মুখ্যমন্ত্রী ! ছবি দেখিয়ে নবান্ন কাঁপালেন বিরোধী দলনেতা, আনন্দপুর কাণ্ডে পর্দাফাঁস?

নয়া জামানা ডেস্ক : নাজিরাবাদের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘিরে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। এবার সেই আগুনের আঁচ সরাসরি গিয়ে পড়ল খোদ মুখ্যমন্ত্রীর গদিতে। শুক্রবার হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে পথে নামলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেই প্ল্যাকার্ডে দেখা যাচ্ছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিদেশের....

বিপাকে মুখ্যমন্ত্রী ! ছবি দেখিয়ে নবান্ন কাঁপালেন বিরোধী দলনেতা, আনন্দপুর কাণ্ডে পর্দাফাঁস?

নয়া জামানা ডেস্ক : নাজিরাবাদের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘিরে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। এবার সেই আগুনের আঁচ সরাসরি....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা ডেস্ক : নাজিরাবাদের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘিরে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। এবার সেই আগুনের আঁচ সরাসরি গিয়ে পড়ল খোদ মুখ্যমন্ত্রীর গদিতে। শুক্রবার হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে পথে নামলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেই প্ল্যাকার্ডে দেখা যাচ্ছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিদেশের রাস্তায় হাঁটার একটি ছবি। সেখানে শুভেন্দুর দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর পাশেই রয়েছেন সেই বিতর্কিত মোমো কারখানার মালিক। প্রশ্ন তুলেছেন, খোদ মুখ্যমন্ত্রীর ‘সঙ্গী’ বলেই কি পুলিশ তাঁকে ছুঁতে ভয় পাচ্ছে?

গড়িয়ার ঢালাই ব্রিজ থেকে নরেন্দ্রপুর থানা পর্যন্ত আয়োজিত এই মিছিলে আগাগোড়া আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিলেন শুভেন্দু। হাইকোর্টের কড়া নির্দেশে পুলিশি ঘেরাটোপের মধ্যেই মিছিল এগোয়। শুভেন্দুর হাতে থাকা পোস্টারে বড় বড় হরফে লেখা ছিল— ‘ছবি কথা বলে’। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে নন্দীগ্রামের বিধায়ক সরাসরি অভিযোগ করেন, ‘ছবিতে যাঁকে দেখা যাচ্ছে, তিনিই ওই মোমো কারখানার মালিক। মুখ্যমন্ত্রী যাঁর সঙ্গে রাস্তায় হাঁটছেন, তিনি ওই মোমো সংস্থার মালিক। কর্মীদের ধরছেন কেন, গঙ্গাধর দাসকেও যেমন ধরেছেন, আমরা সমর্থন করি। তেমনি মোমো সংস্থার মালিককেও গ্রেফতার করতে হবে।’

অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ইতিমধ্যে কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের তালিকায় রয়েছেন গুদাম মালিক গঙ্গাধর দাস এবং কারখানার ম্যানেজার মনোরঞ্জন শিট ও ডেপুটি ম্যানেজার রাজা চক্রবর্তী। কিন্তু শুভেন্দুর তির সরাসরি আসল মালিকের দিকে। তাঁর প্রশ্ন, ‘মোমো কি গাছ থেকে হয়? এটা বানাতে গেলে তো উনুন জ্বালাতে হবে। আর উনুন জ্বালাতে আগুন লাগে।’ যথাযথ অগ্নি-নির্বাপণ ব্যবস্থা ছাড়াই কীভাবে এমন ঘিঞ্জি এলাকায় ফ্যাক্টরির অনুমোদন দেওয়া হল, তা নিয়ে সরব হয়েছে বিজেপি শিবির। ঘটনার দায় নিয়ে শুভেন্দু বলেন, ‘দমকলমন্ত্রীর যদি লজ্জা থাকে, তিনি গলায় গামছা দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির কাছে ক্ষমা চান।’

আনন্দপুরের এই বিপর্যয়কে ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের অন্যতম প্রধান ইস্যু করতে চাইছে পদ্ম শিবির। নাজিরাবাদের ওই ভস্মীভূত গুদাম থেকে উদ্ধার হওয়া দেহাংশ নিয়ে ধোঁয়াশা এখনও কাটেনি। অন্তত ১৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেলেও ২১টি দেহাংশ উদ্ধারের দাবি উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন বিজেপি প্রতিনিধি দল নরেন্দ্রপুর থানায় পাঁচ দফা দাবি সংবলিত একটি স্মারকলিপি জমা দেয়। তাঁদের প্রধান দাবিগুলির মধ্যে রয়েছে, অগ্নিকাণ্ডে নিখোঁজদের অবিলম্বে খুঁজে বের করা, মৃতদের পরিবারকে ৫০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ এবং পরিবারের একজনকে সরকারি চাকরি দেওয়া।

এদিন সকাল ১১টা থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচিতে পুলিশের তরফে কড়া বিধিনিষেধ ছিল। মিছিলে সর্বাধিক দু’হাজার মানুষের অংশগ্রহণের অনুমতি দিয়েছিল আদালত। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মোতায়েন ছিল বিশাল পুলিশবাহিনী। মিছিল শেষে শুভেন্দু হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, রাজ্য সরকার নিরাপত্তা দিতে পুরোপুরি ব্যর্থ। পাশাপাশি স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধানের গ্রেফতারি এবং থানার আইসি-কে সাসপেন্ড করার দাবিও তুলেছেন তিনি। গোটা ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীর নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিরোধী দলনেতা জানতে চান, ‘রাজ্যপাল সব জায়গায় যান, কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী কোথায়?’


 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর