ব্রেকিং
  • Home /
  • Uncategorized /
  • জমি-জটে হুমায়ুন-পত্নী আনোয়ারা, পাল্টা চক্রান্তের অভিযোগ বিধায়কের

জমি-জটে হুমায়ুন-পত্নী আনোয়ারা, পাল্টা চক্রান্তের অভিযোগ বিধায়কের

নালা বুজিয়ে বহুতল নির্মাণের গুরুতর অভিযোগে বিদ্ধ হলেন ভরতপুরের বিধায়ক তথা জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীরের স্ত্রী আনোয়ারা খাতুন। সরকারি জমি জবরদখলের দায়ে তাঁকে শো-কজ নোটিস ধরিয়েছে রাজ্যের ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতর। দীর্ঘ দিন পর কেন হঠাত এই....

জমি-জটে হুমায়ুন-পত্নী আনোয়ারা, পাল্টা চক্রান্তের অভিযোগ বিধায়কের

নালা বুজিয়ে বহুতল নির্মাণের গুরুতর অভিযোগে বিদ্ধ হলেন ভরতপুরের বিধায়ক তথা জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নালা বুজিয়ে বহুতল নির্মাণের গুরুতর অভিযোগে বিদ্ধ হলেন ভরতপুরের বিধায়ক তথা জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীরের স্ত্রী আনোয়ারা খাতুন। সরকারি জমি জবরদখলের দায়ে তাঁকে শো-কজ নোটিস ধরিয়েছে রাজ্যের ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতর। দীর্ঘ দিন পর কেন হঠাত এই সক্রিয়তা, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড হওয়া বিধায়ক। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তুলে তাঁর গর্জন, ‘ফের চক্রান্ত’ করা হচ্ছে। জেলা প্রশাসন সাফ জানিয়েছে, সন্তোষজনক জবাব না পেলে কড়া পদক্ষেপ হিসেবে ওই নির্মাণ ভেঙে ফেলা হতে পারে। প্রশাসনের নজরে এসেছে মুর্শিদাবাদের শক্তিপুর ব্লকের সোমপুকুরিয়া মৌজার ৪৪০২, ৪৪০৩ ও ৪৪০৪ দাগের একটি জমি। রেকর্ড অনুযায়ী, এই জমিটি দীর্ঘকাল ধরে নদীপথের নালা হিসেবে নথিভুক্ত ছিল। ২০০৩ সালে ওই জমিটি স্থানীয় ঠাকুর পরিবারের চার সদস্যের কাছ থেকে কেনেন আনোয়ারা খাতুন। অভিযোগ উঠেছে, সরকারি নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে সেই নালা বুজিয়েই ২০০৪ সালে নির্মাণকাজ শুরু করে হুমায়ুন-পরিবার। ২০১০ সালে সেখানে একটি তিনতলা বাড়ি দাঁড়িয়ে যায়। এখন ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরের দাবি, নালার চরিত্র বদল না করেই সেখানে অবৈধভাবে আবাসন তোলা হয়েছে। কেন তাঁর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা নিয়ে কৈফিয়ত তলব করা হয়েছে হুমায়ুন-পত্নীর কাছে।

সম্প্রতি মাদকের মামলায় হুমায়ুনের বেয়াইয়ের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার পর এই নতুন পদক্ষেপে উত্তপ্ত জেলার রাজনীতি। পাল্টা আক্রমণে বিধায়ক হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘বাড়ি করার সময় থেকে বার বার মিউটেশনের জন্য চেষ্টা করেছি। তখন অফিসারেরা বলেছিল, কোনও প্রয়োজন নেই। আপনি করুন। এখন তৃণমূল ত্যাগ করায় আমার বিরুদ্ধে প্রতিহিংসামূলক আচরণ করছে। এর যোগ্য জবাব দেব। আইনি ভাবেই জবাব দেব।’ তাঁর অভিযোগ, রাজ্য সরকার ও শাসকদল সুপরিকল্পিতভাবে তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে হেনস্থা করার নীল নকশা তৈরি করেছে। স্বামীর সুরে সুর মিলিয়েই আনোয়ারা খাতুন জানান, নিয়ম মেনেই সমস্ত কাজ হয়েছে। তিনি বলেন, ‘নিয়ম মেনে কাজ হয়েছে। চিঠির জবাব দেব।’ তবে প্রশাসন এই ইস্যুতে একচুল জমি ছাড়তে নারাজ। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চিঠির উত্তর পর্যালোচনার পরই পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে জেলা কর্তৃপক্ষ। নালার ওপর গড়ে ওঠা সেই সুদৃশ্য অট্টালিকার ভবিষ্যৎ এখন ঝুলে রইল প্রশাসনিক দপ্তরে জমানো লাল ফিতের ফাঁসেই। ফাইল ফটো।


আরও পড়ুন-

ইদে তিন দিন ছুটির আর্জি অধীরের, মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি ঘিরে পাল্টা তৃণমূল

 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর