• Home /
  • দেশ /
  • মালয়ের মাটিতে নেতাজি-স্মরণ, আইএনএ বীরকে কুর্নিশ মোদীর

মালয়ের মাটিতে নেতাজি-স্মরণ, আইএনএ বীরকে কুর্নিশ মোদীর

নয়া জামানা ডেস্ক : বিদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে ফের একবার ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের শিকড় ছুঁলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মালয়েশিয়া সফরের শেষ দিনে তিনি দেখা করলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর একদা সহযোদ্ধা, আজাদ হিন্দ ফৌজের প্রবীণ সৈনিক জয়রাজ রাজা রাওয়ের সঙ্গে। এই সাক্ষাৎকে....

মালয়ের মাটিতে নেতাজি-স্মরণ, আইএনএ বীরকে কুর্নিশ মোদীর

নয়া জামানা ডেস্ক : বিদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে ফের একবার ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের শিকড় ছুঁলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা ডেস্ক : বিদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে ফের একবার ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের শিকড় ছুঁলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মালয়েশিয়া সফরের শেষ দিনে তিনি দেখা করলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর একদা সহযোদ্ধা, আজাদ হিন্দ ফৌজের প্রবীণ সৈনিক জয়রাজ রাজা রাওয়ের সঙ্গে। এই সাক্ষাৎকে অত্যন্ত ‘অনুপ্রেরণাদায়ক’ বলে বর্ণনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। মোদী স্পষ্ট জানান, ভারতের ভাগ্য নির্ধারণে নেতাজি এবং আইএনএ যোদ্ধাদের অবদান ভোলার নয়। তাঁদের বীরত্বের কাছে দেশ চিরকাল ঋণী থাকবে। রবিবার কুয়ালালামপুরের মাটিতে যখন মোদী এবং জয়রাজ রাজা রাও মুখোমুখি হলেন, তখন তৈরি হয় এক আবেগঘন মুহূর্ত। বয়সের ভারে নুয়ে পড়লেও জয়রাজের চোখেমুখে ছিল সেই পুরনো তেজ। প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত মন দিয়ে শোনেন স্বাধীনতা সংগ্রামের সেই রোমাঞ্চকর দিনগুলোর কথা। পরে সমাজমাধ্যমে সেই অভিজ্ঞতার কথা ভাগ করে নেন মোদী। তিনি লেখেন, ‘আইএনএ-র প্রবীণ সৈনিক শ্রী জয়রাজ রাজা রাও-এর সঙ্গে দেখা করতে পারা সৌভাগ্যের। তাঁর জীবন অসীম সাহস এবং ত্যাগের প্রতীক। তাঁর জীবনের অভিজ্ঞতা শুনে আমি অনুপ্রাণিত হলাম।’ ভারতের স্বাধীনতা যুদ্ধে আজাদ হিন্দ ফৌজের যোদ্ধারা যে পথ দেখিয়েছিলেন, বর্তমান ভারত সেই পথেই এগিয়ে যাচ্ছে বলে প্রধানমন্ত্রী ইঙ্গিত দেন। মোদীর এই সফর শুধু কূটনৈতিক নয়, ছিল ঐতিহাসিকভাবেও তাৎপর্যপূর্ণ। ১৯৪৩ সালে এই কুয়ালালামপুরের সেলাঙ্গর পাডাং থেকেই নেতাজির এক হুঙ্কার ভারতের তরুণ প্রজন্মকে ঘর ছাড়তে বাধ্য করেছিল। সেই ইতিহাসকে সম্মান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু এবং আজাদ হিন্দ বাহিনীর সকল যোদ্ধাদের কাছে আমরা চির ঋণী। তাঁদের বীরত্ব এবং আত্মত্যাগ ভারত ভাগ্য গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।’ দু’দিনের এই সফরে মোদীর নজরে ছিল বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা এবং সেমিকন্ডাক্টরের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলো। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে তাঁর আলোচনা ভবিষ্যতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও মজবুত করবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। তবে মালয়েশিয়ার মাটিতে দাঁড়িয়েও সন্ত্রাসবাদ নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিতে ভোলেননি মোদী। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, “সন্ত্রাসবাদ নিয়ে আমাদের বার্তা খুব স্পষ্ট। কোনও দ্বিচারিতা নয়। কোনও আপস নয়।” মালয়েশিয়ায় বসবাসকারী ২৯ লক্ষ ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের কথাও মোদীর বক্তৃতায় উঠে আসে। তিনি বলেন, সভ্যতা এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যই দুই দেশের বন্ধুত্বের আসল চাবিকাঠি।

আরও পড়ুন-

সংখ্যালঘুরা ক্রিমিনাল নন, দেশের সম্পদ, অগ্নিমিত্রাকে জবাব ফিরহাদ-সিদ্দিকুল্লার

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর