ব্রেকিং
  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • সংসদীয় রাজনীতিতে ‘প্রত্যাবর্তন’ পার্থর, দায়িত্ব পেলেন বিধানসভায় জোড়া কমিটিতে

সংসদীয় রাজনীতিতে ‘প্রত্যাবর্তন’ পার্থর, দায়িত্ব পেলেন বিধানসভায় জোড়া কমিটিতে

নয়া জামানা, কলকাতা : জেল থেকে ফেরার আশি দিনের মাথায় ফের সংসদীয় কর্মকাণ্ডের মূল স্রোতে ফিরলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। মঙ্গলবার বিধানসভার তরফে প্রকাশিত সরকারি বুলেটিন সেই সিলমোহর দিল। স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি) দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার দীর্ঘ তিন বছর তিন মাস....

সংসদীয় রাজনীতিতে ‘প্রত্যাবর্তন’ পার্থর, দায়িত্ব পেলেন বিধানসভায় জোড়া কমিটিতে

নয়া জামানা, কলকাতা : জেল থেকে ফেরার আশি দিনের মাথায় ফের সংসদীয় কর্মকাণ্ডের মূল স্রোতে ফিরলেন....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

নয়া জামানা, কলকাতা : জেল থেকে ফেরার আশি দিনের মাথায় ফের সংসদীয় কর্মকাণ্ডের মূল স্রোতে ফিরলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। মঙ্গলবার বিধানসভার তরফে প্রকাশিত সরকারি বুলেটিন সেই সিলমোহর দিল। স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি) দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার দীর্ঘ তিন বছর তিন মাস পর বেহালা পশ্চিমের বিধায়ককে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কমিটির সদস্য করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি মন্ত্রিসভার সদস্য নন। তাই সংসদীয় নিয়ম মেনেই তাঁর এই নতুন পদপ্রাপ্তি।

মঙ্গলবার বিধানসভার বাজেট অধিবেশনের প্রথম দিনেই এই রদবদল সামনে আসে। পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে বিধানসভার গ্রন্থাগার কমিটি, আবাসন ও অগ্নিনির্বাপণ জরুরি পরিষেবা কমিটি এবং বিপর্যয় মোকাবিলা সংক্রান্ত কমিটির সদস্য মনোনীত করা হয়েছে। ২০২২ সালের ২৩ জুলাই ইডির হাতে গ্রেফতার হওয়ার পর তাঁর রাজনৈতিক জীবনে কার্যত দাঁড়ি পড়ে গিয়েছিল। মন্ত্রিসভা থেকে বহিষ্কারের পাশাপাশি তৃণমূল থেকেও তাঁকে নিলম্বিত করা হয়েছিল। সব ক’টি মামলায় জামিন পাওয়ার পর গত ১১ নভেম্বর জেল থেকে মুক্তি পান তিনি। মুক্তির পর থেকেই তিনি বিধানসভায় সক্রিয় হতে চেয়েছিলেন। স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দিয়ে তিনি জানিয়েছিলেন, “আমি বিধানসভার অধিবেশনে যোগ দিয়ে বক্তৃতা করতে চাই।” সেই ইচ্ছাপূরণের পথ প্রশস্ত করতেই এই পদক্ষেপ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

বিধানসভার নিয়ম অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রী, কোনও মন্ত্রী বা বিরোধী দলনেতা কোনও স্থায়ী সমিতির সদস্য হতে পারেন না। ২০০১ সালে প্রথম বার বিধায়ক হওয়ার পর পার্থবাবু একাধিক কমিটির সদস্য ছিলেন। তবে ২০০৬ সালে বিরোধী দলনেতা হওয়ার পর থেকে এবং ২০১১ সালে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর দীর্ঘ দিন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী থাকার কারণে তিনি কোনও কমিটির সদস্য হননি। বর্তমানে তিনি প্রাক্তন। তাঁর ওপর কোনও মন্ত্রিত্বের বোঝা নেই। তাই আইনি বা সংসদীয় দিক থেকে তাঁর কমিটির সদস্য হতে কোনও বাধা নেই।

দীর্ঘ জেলবাস কাটিয়ে বর্তমানে নিজের নাকতলার বাসভবনেই রয়েছেন বেহালা পশ্চিমের বিধায়ক। ইডি এবং সিবিআইয়ের জোড়া ধাক্কায় তাঁর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও, বিধানসভার নতুন এই দায়িত্ব তাঁকে ফের পরিষদীয় রাজনীতিতে অক্সিজেন জোগাল। যদিও গত কয়েক দিন ধরে বিধানসভায় তাঁর উপস্থিত হওয়ার কথা থাকলেও এখনও তাঁকে চত্বরে দেখা যায়নি। তবে কমিটির সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর আগামী দিনে তাঁকে ফের বিধানসভার অলিন্দে দেখা যাবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর