নয়া জামানা , পশ্চিম মেদিনীপুর: ভোটগণনার শুরুতেই পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় উঠে আসছে একেবারে মিশ্র ছবি। কোথাও শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছে, আবার বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ আসনে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। ফলে জেলাজুড়ে এখন উত্তেজনা তুঙ্গে।
প্রাপ্ত প্রাথমিক ট্রেন্ড অনুযায়ী, সবং বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মানসরঞ্জন ভুঁইয়া উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন। তিনি প্রায় ১১৯৯ ভোটে লিড নিয়ে নিজের অবস্থান মজবুত করেছেন। এই বড় ব্যবধান তৃণমূল শিবিরে স্বস্তি এনে দিয়েছে এবং কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উৎসাহ বাড়িয়েছে।
শুধু সবং নয়, কেশপুর, দাসপুর এবং চন্দ্রকোনা—এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রেও তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন। এই এলাকাগুলিতে শুরু থেকেই তৃণমূলের সংগঠন শক্তিশালী থাকায় তাদের এগিয়ে থাকা খুব একটা অপ্রত্যাশিত নয় বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা।
তবে জেলার সামগ্রিক চিত্রে বিজেপির উপস্থিতি বেশ জোরালোভাবে ধরা পড়ছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের বাকি অধিকাংশ আসনে বিজেপি প্রার্থীরা লিড ধরে রেখেছেন। ফলে একতরফা নয়, বরং টক্করপূর্ণ লড়াইয়ের ইঙ্গিত মিলছে শুরুতেই।
গণনা কেন্দ্রগুলিতে সকাল থেকেই বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রতিটি রাউন্ডের ফলাফল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে। কোথাও আনন্দ, কোথাও উদ্বেগ—এই দুই চিত্রই স্পষ্ট।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রথম দফার এই ট্রেন্ড চূড়ান্ত ফলাফলের ইঙ্গিত দিলেও এখনই নিশ্চিত করে কিছু বলা সম্ভব নয়। পরবর্তী রাউন্ডগুলিতে গ্রামীণ ও শহুরে বুথের ফলাফলের ওপর নির্ভর করেই ছবিটা আরও পরিষ্কার হবে।
সব মিলিয়ে পশ্চিম মেদিনীপুরে এবারের লড়াই যে যথেষ্ট প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ, তা স্পষ্ট। একদিকে সবং-সহ কয়েকটি কেন্দ্রে তৃণমূল এগিয়ে, অন্যদিকে অধিকাংশ আসনে বিজেপির লিড—এই দ্বিমুখী চিত্রই এখন জেলার রাজনৈতিক উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
১৮১ আসনে এগিয়ে বিএনপি , বাংলাদেশের ভাবী প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা মোদীর