• Home /
  • মহানগর /
  • স্ট্রংরুমে ‘সন্দেহজনক’ গতিবিধি পাহারায় মমতা, অবস্থানে কুণাল-শশী

স্ট্রংরুমে ‘সন্দেহজনক’ গতিবিধি পাহারায় মমতা, অবস্থানে কুণাল-শশী

নয়া জামানা ডেস্ক : ভোটের লড়াই মিটলেও লড়াই থামল না ইভিএমের নিরাপত্তা ঘিরে। স্ট্রংরুমে ‘কারচুপি’ আর ‘সন্দেহজনক’ গতিবিধির অভিযোগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠল ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্র চত্বর। বৃষ্টি মাথায় নিয়েই গেটের মুখে অবস্থানে বসে পড়লেন বেলেঘাটার তৃণমূল প্রার্থী কুণাল....

স্ট্রংরুমে ‘সন্দেহজনক’ গতিবিধি পাহারায় মমতা, অবস্থানে কুণাল-শশী

নয়া জামানা ডেস্ক : ভোটের লড়াই মিটলেও লড়াই থামল না ইভিএমের নিরাপত্তা ঘিরে। স্ট্রংরুমে ‘কারচুপি’ আর....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা ডেস্ক : ভোটের লড়াই মিটলেও লড়াই থামল না ইভিএমের নিরাপত্তা ঘিরে। স্ট্রংরুমে ‘কারচুপি’ আর ‘সন্দেহজনক’ গতিবিধির অভিযোগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠল ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্র চত্বর। বৃষ্টি মাথায় নিয়েই গেটের মুখে অবস্থানে বসে পড়লেন বেলেঘাটার তৃণমূল প্রার্থী কুণাল ঘোষ এবং শ্যামপুকুরের প্রার্থী শশী পাঁজা। উত্তপ্ত পরিস্থিতির খবর পেয়ে সেখানে হাজির হন দুই বিজেপি প্রার্থী তাপস রায় ও সন্তোষ পাঠকও। এক পক্ষ ‘ভিতরে কাজ হওয়ার’ অভিযোগে সরব হলে অন্য পক্ষ পাল্টা বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। বৃহস্পতিবার বিকেলেই একটি ভিডিও বার্তায় ইভিএম পাহারা দেওয়ার ডাক দিয়েছিলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সেই আশঙ্কা যে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রাজপথে আছড়ে পড়বে, তা বোধহয় প্রশাসনও আঁচ করতে পারেনি। তৃণমূল নেতৃত্বের অভিযোগ, সাড়ে তিনটের সময় তাঁদের দলীয় কর্মীদের কৌশলে স্ট্রংরুমের সামনে থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। কুণাল ঘোষের অভিযোগ, ‘সাড়ে তিনটে পর্যন্ত আমাদের কর্মীরা ছিলেন। তাঁদের সরিয়ে দেওয়ার পর আচমকা ই-মেল পাঠিয়ে জানানো হয় বিকেল চারটের সময় ফের খোলা হবে স্ট্রংরুম। আমরা আসতেই আমাদের ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। অথচ নিমন্ত্রণ করা হচ্ছে বিজেপিকে।’ শশী পাঁজার সওয়াল, ‘স্ট্রংরুম অত্যন্ত স্পর্শকাতর। তা খুললে অবশ্যই প্রতিটি রাজনৈতিক দলকে জানাতে হবে। কেন জানানো হল না?’ তৃণমূল প্রার্থীদের দাবি, লাইভ স্ট্রিমিংয়ে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে ভিতরে কাজ চলছে। প্রশ্ন উঠছে, ‘হাতে হাতে ব্যালট ঘুরছে ভিতরে। অথচ সিইও বলছেন ভিতরে কিছু হচ্ছে না। যদি পোস্টাল ব্যালটের কাজই হয়, তবে সেগুলি কোথা থেকে এল?’ এই অভিযোগকে ঘিরেই উত্তেজনা চরম আকার নেয়। ঘটনার খবর পেয়েই ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের স্ট্রংরুমে পৌঁছন জেলা নির্বাচনী আধিকারিক (ডিইও) স্মিতা পাণ্ডে। তাঁর উপস্থিতিতে শশী ও কুণাল ভিতরে প্রবেশ করতেই রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে এলাকা। তৃণমূল প্রার্থীরা কেন ভিতরে গেলেন, এই প্রশ্ন তুলে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। দুই শিবিরের বচসায় পরিস্থিতি হাতের বাইরে যাওয়ার উপক্রম হয়। এদিকে ভবানীপুরের স্ট্রংরুম শেখাওয়াত মেমোরিয়ালে তখন দাঁড়িয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকেই তিনি নজর রাখছিলেন ক্ষুদিরামের পরিস্থিতির দিকে। দফায় দফায় উত্তেজনা আর স্লোগান-পাল্টা স্লোগানে রাত পর্যন্ত সরগরম থাকে এলাকা। শেষমেশ রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ কমিশন প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনার পর বরফ গলে। কমিশন আশ্বস্ত করে যে, তৃণমূল প্রতিনিধিদের অনুপস্থিতিতে কাউকে আর স্ট্রংরুমে ঢুকতে দেওয়া হবে না। কুণাল ঘোষ জানান, ‘কমিশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা হয়েছে। তৃণমূলের প্রতিনিধিদের অনুপস্থিতিতে কাউকে স্ট্রংরুমে ঢুকতে দেওয়া হবে না বলেই আশ্বাস কমিশনের।’ এরপরই অবস্থান প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেন তৃণমূল প্রার্থীরা। কমিশনের এই আশ্বাসের পর সাময়িকভাবে ক্ষোভ প্রশমিত হলেও স্ট্রংরুমের নিরাপত্তা নিয়ে চাপানউতোর রয়েই গেল।


সরকারি মঞ্চে ‘রাজনৈতিক প্রচারের’ অভিযোগ, মমতার নিশানায় মোদী

 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর