ভোটের মুখে ধরপাকড়, ৬০ ঘণ্টায় শ্রীঘরে ২৪৭৩

নয়া জামানা, কলকাতা : দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে বাংলা জুড়ে নজিরবিহীন পুলিশি সক্রিয়তা। গত ৬০ ঘণ্টায় রাজ্যের ভোটমুখী এলাকাগুলি থেকে মোট ২,৪৭৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে এই পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। হিসাব বলছে, ভোটের আগে প্রতি ঘণ্টায়....

ভোটের মুখে ধরপাকড়, ৬০ ঘণ্টায় শ্রীঘরে ২৪৭৩

নয়া জামানা, কলকাতা : দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে বাংলা জুড়ে নজিরবিহীন পুলিশি সক্রিয়তা। গত ৬০ ঘণ্টায়....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা, কলকাতা : দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে বাংলা জুড়ে নজিরবিহীন পুলিশি সক্রিয়তা। গত ৬০ ঘণ্টায় রাজ্যের ভোটমুখী এলাকাগুলি থেকে মোট ২,৪৭৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে এই পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। হিসাব বলছে, ভোটের আগে প্রতি ঘণ্টায় গড়ে ৪১ জন করে ‘ঝামেলাবাজ’ শ্রীঘরে ঢুকেছেন। বুধবার সাত জেলার ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ। প্রথম দফায় ভোট মোটের উপর শান্তিপূর্ণ থাকলেও দ্বিতীয় দফায় ছিটেফোঁটা অশান্তিও বরদাস্ত করতে নারাজ কমিশন। তাই জেলায় জেলায় চলছে পুলিশের তল্লাশি এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুট মার্চ।
কমিশনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, শুধুমাত্র সোমবার রাতেই ৮০৯ জনকে পাকড়াও করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে সেই সক্রিয়তা আরও বেড়েছে। এর আগে রবিবার দুপুর থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত গ্রেফতার হয়েছিলেন ১,০৯৫ জন। এবার ৬০ ঘণ্টার সামগ্রিক খতিয়ান সামনে আনল কমিশন। সোমবার সকাল পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ধরপাকড়ের নিরিখে তালিকার শীর্ষে রয়েছে পূর্ব বর্ধমান। সেখানে ৪৭৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর পরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা (৩১৯ জন) এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা (২৪৬ জন)। এছাড়া হুগলিতে ৪৯ জন এবং নদিয়ায় ৩২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে ঠিক কী কী সুনির্দিষ্ট অভিযোগে এই গ্রেফতারি, তা কমিশনের তরফে খোলসা করা হয়নি। ভোটের আবহে দিকে দিকে উত্তেজনার পারদও চড়ছে। সোমবার প্রচারের শেষ লগ্নে আরামবাগের তৃণমূল সাংসদ মিতালি বাগ আক্রান্ত হন। অভিযোগ, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভায় যাওয়ার পথে বিজেপি সমর্থকরা তাঁর গাড়িতে হামলা চালায়। মঙ্গলবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতাতেও উত্তেজনা ছড়ায়। সেখানে কমিশনের পুলিশ পর্যবেক্ষক অজয়পাল শর্মার কনভয় ঘিরে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান ও তাঁর অনুগামীরা। পরিস্থিতি সামলাতে পুলিশকে বেগ পেতে হয়। আন্দোলনকারীদের মুখে শোনা যায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান। গত ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ভোট মোটের উপর শান্তিতে মিটলেও দ্বিতীয় দফায় আরও বেশি কড়াকড়ি করছে কমিশন। নিয়োগ করা হয়েছে বাড়তি পুলিশ পর্যবেক্ষক। অবাধ ও সুষ্ঠু ভোট নিশ্চিত করতে তারা বদ্ধপরিকর। ‘ঝামেলাবাজ’দের চিহ্নিত করে দ্রুত পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে নিচুতলার পুলিশ কর্মীদের। সব মিলিয়ে ভোটের আগের রাতে কড়া পাহারায় মুড়ে ফেলা হয়েছে নির্বাচনী এলাকাগুলি। প্রতীকী ফটো।


ভোটপ্রস্তুতিতে সক্রিয় কমিশন, সোমে পুলিশ-প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক

 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর