ব্রেকিং
  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • উজ্জ্বলা প্রকল্পে মিলেছে সংযোগ, কিন্তু টাকা নেই সিলিন্ডারের; মাটির উনুনই সঙ্গী বৃদ্ধার

উজ্জ্বলা প্রকল্পে মিলেছে সংযোগ, কিন্তু টাকা নেই সিলিন্ডারের; মাটির উনুনই সঙ্গী বৃদ্ধার

রবিন মুরমু, নয়া জামানা, দক্ষিণ দিনাজপুর: বাজারে গ্যাসের অমিল। গ্যাস থাকলেও নেই বলে চালিয়ে দিচ্ছেন অসাধু গ্যাস ব্যবসায়ীরা। অথচ, সেই গ্যাসের ট্যাংকি ব্ল্যাকে ২৩০০ থেকে ২৪০০ টাকা মূল্যে বিক্রয় হচ্ছে। তবে সকলের কাছে নয়; ব্যক্তিবিশেষে সুযোগ বুঝে বিক্রেতাদের কাছে টাকা....

উজ্জ্বলা প্রকল্পে মিলেছে সংযোগ, কিন্তু টাকা নেই সিলিন্ডারের; মাটির উনুনই সঙ্গী বৃদ্ধার

রবিন মুরমু, নয়া জামানা, দক্ষিণ দিনাজপুর: বাজারে গ্যাসের অমিল। গ্যাস থাকলেও নেই বলে চালিয়ে দিচ্ছেন অসাধু....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


রবিন মুরমু, নয়া জামানা, দক্ষিণ দিনাজপুর: বাজারে গ্যাসের অমিল। গ্যাস থাকলেও নেই বলে চালিয়ে দিচ্ছেন অসাধু গ্যাস ব্যবসায়ীরা। অথচ, সেই গ্যাসের ট্যাংকি ব্ল্যাকে ২৩০০ থেকে ২৪০০ টাকা মূল্যে বিক্রয় হচ্ছে। তবে সকলের কাছে নয়; ব্যক্তিবিশেষে সুযোগ বুঝে বিক্রেতাদের কাছে টাকা পৌঁছে দিলেই কয়েক মিনিটের মধ্যেই পিছনের দরজা থেকে মিলে যাবে রান্নার গ্যাসের ট্যাংকি। হু-হু করে গ্যাসের দামে ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় এবং নিম্ন ও মধ্যবর্তী পরিবারগুলির ক্রয় ক্ষমতার বাইরে গ্যাসের দাম বেড়ে যাওয়ায় ঝুঁকি বাড়ছে বাড়িতে তৈরি করা গ্রামীণ উনুনের উপরে। আগামী দিনে গ্যাসের দাম কমানোর কোনো সম্ভাবনাই দেখছেন না নিম্ন ও মধ্যবর্তী পরিবারগুলির সদস্যরা। তাই বাধ্য হয়েই সেই পুরনো গ্রামীণ উনুনের উপরেই ভরসা করে উনুন তৈরীর কাজে হাত লাগিয়েছেন গ্রাম ও শহরের গৃহিণীরা। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হিলি ব্লকের ত্রিমোহিনী এলাকায় একটি হোটেলে গিয়ে দেখা যায় যে গ্যাসের বদলে চলছে খড়ি দিয়ে রান্নার কাজ।দামে ঊর্ধ্বমুখী গ্যাস সিলিন্ডার নিম্ন ও মধ্যবর্তী দের ক্রয় ক্ষয় ক্ষমতার বাইরে।গ্যাসের দামে এখন যেন আগুন। তবে এই পরিস্থিতিতেও এক আদিবাসী পরিবারের বাড়িতে দেখা গেল অন্য চিত্র। বাড়ির এক কোনে ফেলে রাখা হয়েছে, খালি গ্যাসের ট্যাংকি। লুদগি মার্ডি নামের এক বৃদ্ধা বলেন যে, কয়েক বছর আগে উজালা গ্যাস দেওয়া হলেও পরবর্তীতে সেই গ্যাস দেওয়া বন্ধ হয়ে গেছে। বাজারে এবং ডিলারের কাছে সঠিক সময়ে মিলছে না গ্যাসের ট্যাংকি। বর্তমানে যেভাবে কালোবাজারি এবং গ্যাসের দাম বেড়েছে তাতে গ্যাস কেনার ক্ষমতা নেই। তিনি বলেন যে, আমরা শ্রমজীবী মানুষ শখ করে একটি গ্যাস কিনেছিলাম। কিন্তু পরবর্তীতে এই গ্যাসের ট্যাংকি ব্যবহার করার শেষে ডিলারের কাছ থেকে ক্রয় ক্ষমতার বাইরে গ্যাসের দামের মূল্য বৃদ্ধি হওয়ার কারণেই নতুন করে আর গ্যাস আনা বা ভরানো হয়নি।ফলে এইসব কারণেই বাধ্য হয়ে মাটির উনুন তৈরীর কাজে হাত লাগিয়েছেন আদিবাসী পরিবারের এই মহিলা।এই প্রসঙ্গে ত্রিমোহিনী এলাকার এক ব্যবসায়ী নীতিশ বসাক বলেন যে যেভাবে গ্যাসের দাম বেড়েছে তাতে পুরনো সেই মাটির উনুন (চৌকা) অনেক ভালো। তাই তিনি স্থানীয় ত্রিমোহিনী হাসপাতাল মোড়ে রিং ও শিক দিয়ে দীনেশ পালের দোকানে উনুন তৈরি করতে অর্ডার দিয়েছেন। হঠাৎ করে গ্যাসের অমিল এবং কিছু অসাধু ব্যবসায়ীদের গ্যাস নিয়ে কালোবাজারি এবং সুযোগ বুঝে আকাশ ছোঁয়া এই গ্যাসের দামের মূল্য বৃদ্ধি করার ফলে গ্যাস দিয়ে চায়ের দোকান থেকে মিষ্টির দোকান এবং হোটেল চালানো অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে ব্যবসায়ীদের। স্বাভাবিক কারণেই কিছু ব্যবসায়ী বাধ্য হয়েই চায়ের দোকান কেউ কেউ বন্ধ করে দিয়েছেন। অনেকে আবার গাছের ডালপালা ও কাঠ কেটে রান্না করছেন। গ্যাসের আর অমিল কতদিন থাকবে এবং গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি কি আগামী দিনে কমবে? এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানার জন্য বালুরঘাটের গ্যাস সরবরাহকারী ডিলারের সাথে কথা বলার জন্য অনেকবার চেষ্টা করা হলেও কোনোভাবেই কথা বলা সম্ভব হয়নি। নিম্ন এবং মধ্যবর্তী পরিবারগুলির গ্যাসের ট্যাংকি কেনার ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। গ্যাস নিয়ে বাজারে শুরু হয়েছে কালোবাজারি। যে যার কাছে খুশি মত গ্যাসের দাম নিয়ে নিচ্ছেন কিছু অ সাধু ব্যবসায়ীরা।এই বিষয়ে দায়িত্ব থাকা এবং বিভাগীয় দপ্তরের আধিকারিকরা দ্রুত বিষয়টি নিয়ে নজর দিক এমনটাই দাবি জানিয়েছেন হিলি ব্লকের বাসিন্দারা।


 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর