ব্রেকিং
  • Home /
  • মহানগর /
  • ‘বিকশিত ভবানীপুর’-এর, নীল নকশা শুভেন্দুর হাতে

‘বিকশিত ভবানীপুর’-এর, নীল নকশা শুভেন্দুর হাতে

নয়া জামানা ডেস্ক : রাজ্য বিজেপির মূল ‘সংকল্পপত্র’ প্রকাশের আগেই বড় চমক দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচনী কেন্দ্র ভবানীপুরের জন্য বুধবার পৃথক ইস্তাহার প্রকাশ করলেন বিরোধী দলনেতা। নিজের লড়াইয়ের ময়দানে বাড়তি গুরুত্ব দিতেই এই বিশেষ কৌশল বলে মনে....

‘বিকশিত ভবানীপুর’-এর, নীল নকশা শুভেন্দুর হাতে

নয়া জামানা ডেস্ক : রাজ্য বিজেপির মূল ‘সংকল্পপত্র’ প্রকাশের আগেই বড় চমক দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা ডেস্ক : রাজ্য বিজেপির মূল ‘সংকল্পপত্র’ প্রকাশের আগেই বড় চমক দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচনী কেন্দ্র ভবানীপুরের জন্য বুধবার পৃথক ইস্তাহার প্রকাশ করলেন বিরোধী দলনেতা। নিজের লড়াইয়ের ময়দানে বাড়তি গুরুত্ব দিতেই এই বিশেষ কৌশল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ‘বিকশিত ভবানীপুর’ শীর্ষক এই চার দফা ইস্তাহারে স্থানীয় জনবিন্যাসকে মাথায় রেখে একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন শুভেন্দু। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে মনোনয়ন জমা দেওয়ার ঠিক আগের দিন এই ইস্তাহার প্রকাশ তৃণমূলের খাসতালুকে বিজেপির বড় চাল। এই পৃথক ইস্তাহার মমতা-শুভেন্দু লড়াইয়ের রাজনৈতিক পারদ এক ধাক্কায় অনেকটা বাড়িয়ে দিল। শুভেন্দুর এই পৃথক ইস্তাহারে মূলত চারটি স্তম্ভের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। সেগুলি হলো উন্নত পরিকাঠামো ও স্বাস্থ্য, সুদৃঢ় আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সংরক্ষণ এবং যুবকল্যাণ ও সামাজিক ন্যায়বিচার। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচনী কেন্দ্রেও নাগরিকরা নূন্যতম পুর পরিষেবা থেকে বঞ্চিত বলে সরাসরি অভিযোগ তুলেছেন শুভেন্দু। তিনি কথা দিয়েছেন, জয়ী হলে ভবানীপুরের প্রতিটি ঘরে নলবাহিত পরিশ্রুত পানীয় জল পৌঁছে দেবেন। পাশাপাশি প্রতিটি ওয়ার্ডে বেহাল রাস্তার সংস্কার ও উন্নত সড়ক নির্মাণের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি। বর্ষাকালে কলকাতায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনা রুখতে পরিকাঠামো বদল এবং অত্যাধুনিক জলনিকাশি ব্যবস্থার আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি। সরকারি হাসপাতালে দালালমুক্ত পরিবেশ গড়ার ডাক দিয়েছেন তিনি। ব্যবসায়ী প্রধান এলাকা ভবানীপুরের জন্য শুভেন্দুর বড় প্রতিশ্রুতি হলো ‘তোলাবাজিমুক্ত এবং ভয়মুক্ত ব্যবসার পরিবেশ’। গয়নার দোকানে সশস্ত্র হামলা বা সিন্ডিকেটরাজের দাপট রুখতে কড়া পুলিশি ব্যবস্থার কথা বলেছেন তিনি। পুলিশের কাজকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করার আশ্বাস দিয়ে মহিলাদের জন্য শতভাগ সুরক্ষিত পরিবেশের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন শুভেন্দু। সেই সঙ্গে অবৈধ নির্মাণ, জোরপূর্বক সম্পত্তি হস্তান্তর এবং জবরদখল বন্ধের কড়া বার্তাও দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। রাতের পার্কিংয়ের নামে চলা তোলাবাজিও বন্ধ করার কথা বলা হয়েছে। সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ক্ষেত্রেও শুভেন্দু বড় চমক রেখেছেন। আদিগঙ্গার ঘাট সংস্কার করে স্নানযোগ্য করা এবং কালীঘাটের মৃৎশিল্পী ও পটশিল্পীদের জন্য বিশেষ সরকারি সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। সুভাষচন্দ্র বসু বা শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্মৃতি বিজড়িত বাড়ি এবং এলাকার মঠ-মন্দির ও গুরুদ্বারকে রাজনীতিমুক্ত রাখার কথা বলা হয়েছে। কর্মসংস্থান ও নেশামুক্ত সমাজ গড়ার ডাক দিয়ে সরকারি স্কুলে ‘স্কিল ডেভেলপমেন্ট’ কর্মসূচির প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন শুভেন্দু। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রাজ্যের ২৯৪টি আসনের মধ্যে কেবল ভবানীপুরের জন্য পৃথক ইস্তাহার প্রকাশ করে বিজেপি বুঝিয়ে দিল, মুখ্যমন্ত্রীর কেন্দ্রে তারা এক ইঞ্চি জমিও ছাড়তে নারাজ। এই পৃথক ইস্তাহার আসলে তৃণমূল নেত্রীর বিরুদ্ধে বিজেপির এক সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক ঘেরাটোপ।


 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর