ব্রেকিং
  • Home /
  • মহানগর /
  • মমতার প্রচারে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে, কমিশনকে নালিশ পদ্ম শিবিরের

মমতার প্রচারে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে, কমিশনকে নালিশ পদ্ম শিবিরের

নয়া জামানা ডেস্ক : ভোটের ময়দানে নামার আগেই কি তৃণমূলনেত্রীকে দেখে সিঁদুরে মেঘ দেখছে বিজেপি? সোমবার দিল্লির নির্বাচন সদনে গেরুয়া শিবিরের আর্জি ঘিরে এই প্রশ্নই জোরালো হল রাজনৈতিক মহলে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচনী প্রচার বন্ধ করার দাবিতে সরাসরি জাতীয় নির্বাচন....

মমতার প্রচারে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে, কমিশনকে নালিশ পদ্ম শিবিরের

নয়া জামানা ডেস্ক : ভোটের ময়দানে নামার আগেই কি তৃণমূলনেত্রীকে দেখে সিঁদুরে মেঘ দেখছে বিজেপি? সোমবার....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা ডেস্ক : ভোটের ময়দানে নামার আগেই কি তৃণমূলনেত্রীকে দেখে সিঁদুরে মেঘ দেখছে বিজেপি? সোমবার দিল্লির নির্বাচন সদনে গেরুয়া শিবিরের আর্জি ঘিরে এই প্রশ্নই জোরালো হল রাজনৈতিক মহলে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচনী প্রচার বন্ধ করার দাবিতে সরাসরি জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দরবারে হাজির হলেন সুকান্ত মজুমদার, কিরেন রিজিজু এবং পীযূষ গোয়েলের মতো হেভিওয়েট নেতারা। তাঁদের স্পষ্ট অভিযোগ, তৃণমূলনেত্রী ভোটারদের প্রতিনিয়ত ভয় দেখাচ্ছেন। পাল্টায় তৃণমূলের সরাসরি বিঁধল, ‘ভয় পেয়েই এ সব করছে বিজেপি। ম্যাচ শুরুর আগেই ওরা হেরে বসে আছে।’ সোমবার সকালে দিল্লির নির্বাচন কমিশনের সদর দফতরে গিয়ে বিজেপির প্রতিনিধিদল ছ’দফা দাবি জমা দেয়। সেখান থেকে বেরিয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হারের ভয়ে যে ভাবে মরিয়া হয়ে গিয়েছেন, তাতে তিনি ভোটারদের ভয় দেখানোর জায়গায় চলে যাচ্ছেন।’ সুকান্তের দাবি, বাংলায় ভোটারদের ‘জীবনহানির হুমকি’ও দেওয়া হচ্ছে। তিনি একটি নির্দিষ্ট ঘটনার উদাহরণ টেনে বলেন, ‘একজন সিটিং চিফ মিনিস্টার বলছেন—যাঁরা বিজেপিকে ভোট দেবেন, ভোটের পরে তাঁদের বাড়ির বাইরে প্ল্যাকার্ড লাগাতে হবে যে তিনি বিজেপি করেন না।’ বিজেপি নেতাদের দাবি, এমন এক অশান্তির পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা চলছে যাতে সাধারণ মানুষ বাধ্য হয়ে বিজেপির থেকে দূরত্ব বজায় রাখেন। সুকান্তের অভিযোগ, ভোটারদের মনে এই ধারণা ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে যে কেন্দ্রীয় বাহিনী বা কমিশন তো কয়েক দিনের অতিথি, কিন্তু শেষে শাসকদলই রাজত্ব করবে। ভারতীয় ন্যায় সংহিতা অনুযায়ী তৃণমূলনেত্রীর বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থার আর্জি জানিয়েছেন সুকান্তেরা। তাঁরা চান, অবিলম্বে মমতার প্রচার বন্ধ করা হোক। কমিশনের ফুল বেঞ্চ অবশ্য বিজেপিকে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটের আশ্বাস দিয়েছে। গেরুয়া শিবিরের এই সক্রিয়তাকে আমল দিতে নারাজ ঘাসফুল শিবির। তৃণমূলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার পাল্টা তোপ দেগে বলেন, ‘এত ভয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে! এ দিকে প্রধানমন্ত্রী, অন্য দিকে অমিত শাহ, সব বীরপুঙ্গবকে নিয়ে এসেও বুঝতে পারছেন, কোনও কাজে আসছে না।’ তাঁর দাবি, সব অঙ্ক ব্যর্থ হওয়ায় এখন নিজেদের ‘তৈরি’ কমিশনের হাতে-পায়ে ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভোটপ্রচার আটকানোর ছক কষছে বিজেপি। জয়প্রকাশের কটাক্ষ, ‘বিজেপি হেরেই বসে আছে। ম্যাচ শুরুর আগেই হেরে বসে আছে।’

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর