ব্রেকিং
  • Home /
  • মহানগর /
  • মনোনয়ন অনিশ্চিত শশী পাঁজাদের, বিবেচনাধীন জট কাটাতে কোর্টে দল

মনোনয়ন অনিশ্চিত শশী পাঁজাদের, বিবেচনাধীন জট কাটাতে কোর্টে দল

নয়া জামানা ডেস্ক : ১১ জন প্রার্থীর ভবিষ্যৎ নিয়ে ঘোর দুশ্চিন্তায় তৃণমূল কংগ্রেস। নির্বাচনের দামামা বেজে গেলেও ১১ জন প্রার্থীর নাম এখনও ‘বিবেচনাধীন’ তালিকার গেরোয় আটকে। এই জট কাটাতে এবার সরাসরি কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির হস্তক্ষেপ চাইল শাসকদল। রাজ্যের....

মনোনয়ন অনিশ্চিত শশী পাঁজাদের, বিবেচনাধীন জট কাটাতে কোর্টে দল

নয়া জামানা ডেস্ক : ১১ জন প্রার্থীর ভবিষ্যৎ নিয়ে ঘোর দুশ্চিন্তায় তৃণমূল কংগ্রেস। নির্বাচনের দামামা বেজে....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা ডেস্ক : ১১ জন প্রার্থীর ভবিষ্যৎ নিয়ে ঘোর দুশ্চিন্তায় তৃণমূল কংগ্রেস। নির্বাচনের দামামা বেজে গেলেও ১১ জন প্রার্থীর নাম এখনও ‘বিবেচনাধীন’ তালিকার গেরোয় আটকে। এই জট কাটাতে এবার সরাসরি কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির হস্তক্ষেপ চাইল শাসকদল। রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য ইমেলের মাধ্যমে তিন পাতার এক দীর্ঘ চিঠি পাঠিয়েছেন। সঙ্গে জমা দিয়েছেন ওই ১১ প্রার্থীর এপিক নম্বরসহ বিস্তারিত তালিকা। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে এই পুরো প্রক্রিয়াটি যেহেতু প্রধান বিচারপতির নজরদারিতে চলছে, তাই তাঁর কাছেই দ্রুত নিষ্পত্তির আর্জি জানিয়েছে ঘাসফুল শিবির। তৃণমূলের এই তালিকায় রয়েছেন হেভিওয়েট মন্ত্রী শশী পাঁজা থেকে শুরু করে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের একাধিক কেন্দ্রের প্রার্থীরা। উত্তর দিনাজপুরের গোয়ালপোখর, মালদহের মোথাবাড়ি, মুর্শিদাবাদের সমশেরগঞ্জ, লালগোলা, নওদা, কলকাতার শ্যামপুকুর, হুগলির চণ্ডীতলা, উত্তরপাড়া, উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গা এবং বীরভূমের হাসন কেন্দ্রের প্রার্থীদের নাম এই তালিকায় রয়েছে। তাঁদের নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়ায় থমকে রয়েছে মনোনয়নের আইনি প্রক্রিয়া। অথচ প্রথম দফার মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ৬ এপ্রিল এবং দ্বিতীয় দফার ৯ এপ্রিল। সময় যত কমছে, ততই বাড়ছে উৎকণ্ঠা। চিঠিতে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট দাবি জানিয়েছেন। তৃণমূলের আর্জি, কমিশন প্রতিদিন কতজন প্রার্থীর নামের নিষ্পত্তি করছে তার তালিকা প্রকাশ করুক। কারও নাম যদি বাদ পড়ে, তবে কেন বাদ দেওয়া হল তার কারণ স্পষ্ট করতে হবে। পাশাপাশি, ‘ইসিআইএনইটি’ পোর্টালের মাধ্যমে আবেদন প্রক্রিয়া আরও সহজ করার দাবি জানানো হয়েছে। এই পুরো প্রক্রিয়ায় বুথ স্তরের এজেন্ট বা বিএলএ-দের যুক্ত করার দাবিও তুলেছে শাসকদল। এর আগে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বিএলএ-রা শুনানিতে যোগ দেওয়ার অনুমতি পেলেও এখন বাতিলের তালিকায় থাকাদের পুনর্বিবেচনার ক্ষেত্রেও তাঁদের ভূমিকা চাইছে দল। শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত এই ১১ জনের ভাগ্য নির্ধারিত না হওয়ায় অস্বস্তি বাড়ছে শাসক শিবিরে। গোটা রাজ্যে সব মিলিয়ে প্রায় ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫ জনের নাম ‘বিবেচনাধীন’ তালিকায় রয়েছে। গত ২৩ মার্চ মাঝরাতে কমিশন একটি তালিকা প্রকাশ করলেও তাতে স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে বলে মনে করছে তৃণমূল। সেই রাতে ৩২ লক্ষ নামের নিষ্পত্তি হয়েছে বলে শোনা গেলেও সঠিক সংখ্যা নিয়ে ধন্দ কাটেনি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উত্তরবঙ্গ সফরের আগে এই নিয়ে তোপ দেগে বলেছিলেন, ‘কেন মাঝরাতে তালিকা প্রকাশ করা হল? কী এত লুকোনোর আছে? মেঘের আড়াল থেকে খেলছেন কেন? সামনে আসুন!’ মুখ্যমন্ত্রীর এই কড়া বার্তার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই প্রধান বিচারপতিকে চিঠি লিখে আইনি ও প্রশাসনিক চাপ বাড়াতে চাইল তৃণমূল। শাসকদলের প্রধান দাবি, বিবেচনাধীন তালিকার নিষ্পত্তি কতদূর এগোচ্ছে তা যেন নিয়মিত কমিশনকে দিয়ে প্রকাশ করান প্রধান বিচারপতি।


 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর