দিলীপ কুমার তালুকদার, নয়া জামানা, দক্ষিণ দিনাজপুর: পড়শীর অভিযোগের ভিত্তিতে স্বামীকে সন্ধ্যায় পুলিশ থানায় তুলে নিয়ে যাওয়ার কিছু পরেই একাধিক দুষ্কৃতিদের লালসার স্বীকার হলেন এক মধ্য বয়স্ক গৃহবধূ।লজ্জাজনক এই ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিন দিনাজপুর জেলার হরিরামপুর থানা এলাকার এক গ্রামে।জানা গেছে, গনধর্ষনের স্বীকার উক্ত গৃগবধূর বাড়ি তৈরিকে কেন্দ্র করে পড়শী এক ব্যক্তির সঙ্গে কলহ শুরু হয়।পড়শীর অভিযোগ,তার জায়গার কিছু অংশ দখল করে বাড়িটি তৈরি করা হচ্ছিল।গত বুধবার বিকালে প্রতিবেশী মহিলার স্বামীর বিরুদ্ধে হরিরামপুর থানায় অভিযোগ জানালে সন্ধ্যাবেলা পুলিশ আসে এবং অভিযোগকারী প্রতিবেশীর সমর্থনে মহিলার স্বামীকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।অভিযোগ,কিছু পরে অভিযোগকারী প্রতিবেশী এবং তার চারজন সঙ্গী মহিলার বাড়িতে প্রবেশ করে জোর করে তাকে ধরে কিছুদুরের এক নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে পরপর জোরপূর্বক ধর্ষন করে এবং মারধোর করে সেখানেই ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।উক্ত মহিলা কোনরকমে বাড়িতে ফিরে এসে পরিজনদের জানালে তারা ধর্ষিতে মহিলাকে থানায় নিয়ে যায়।অভিযোগ, ধর্ষিতা মহিলা নিজমুখে বয়ান দিয়ে অভিযোগ জানাতে চাইলেও হরিরামপুর থানার আইসি সেই অভিযোগ নেন নি।অগত্যা তারা হাসপাতালে গিয়ে মহিলার প্রাথমিক চিকিৎসা করিয়ে বাড়ি ফিরে আসেন।এই খবর বৃহস্পতিবার হরিরামপুরের বিশিষ্ট কংগ্রেস নেতা সোনা পাল জানতে পেরে ভারতের নির্বাচন কমিশনারের দৃষ্টি আকর্ষন করার সাথে জেলার এসপিরও দৃষ্টি আকর্ষন করেন।সেদিনই নির্ষাতিতা মহিলাকে নিয়ে কংগ্রেসের হরিরামপুর ব্লক সভাপতি সাজ্জাদূর রহমান এবং সোনা পাল এসপির দ্বারস্থ হন।পরিশেষে এসপির হস্তক্ষেপে বৃহস্পতিবার সন্ধায় গনধর্ষনের লিখিত অভিযোগ নিতে বাধ্য হয় হরিরামপুর থানা।থানা থেকে ধর্ষিতা মহিলার মেডিক্যাল টেষ্ট করানো হয়। সর্বশেষ খবর,৫ জন অভিযুক্তের মধ্যে মাত্র একজনকে গ্রেপ্তার করে নির্দিষ্ট মামলা দায়ের করেছে হরিরামপুর থানার পুলিশ।ধর্ষিতা মহিলার বক্তব্য থেকে জানা গেছে,ধর্ষকরা প্রত্যেকেই শাসকদলের সঙ্গে যুক্ত।যদিও শাসক দল তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।