ব্রেকিং
  • Home /
  • মহানগর /
  • বাসন্তীতে বিজেপির মিছিলে হামলা, রিপোর্ট তলব নির্বাচন কমিশনের

বাসন্তীতে বিজেপির মিছিলে হামলা, রিপোর্ট তলব নির্বাচন কমিশনের

নয়া জামানা ডেস্ক : ভোটের মুখে ফের উত্তপ্ত দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তী। বিজেপি প্রার্থীর প্রচার ঘিরে বৃহস্পতিবার কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নিল এলাকা। পুলিশের সামনেই চলল লাঠিসোটা নিয়ে হামলা, ভাঙচুর। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে, উন্মত্ত ভিড়ের হাত থেকে বাঁচতে দৌড়াতে....

বাসন্তীতে বিজেপির মিছিলে হামলা, রিপোর্ট তলব নির্বাচন কমিশনের

নয়া জামানা ডেস্ক : ভোটের মুখে ফের উত্তপ্ত দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তী। বিজেপি প্রার্থীর প্রচার ঘিরে....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা ডেস্ক : ভোটের মুখে ফের উত্তপ্ত দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তী। বিজেপি প্রার্থীর প্রচার ঘিরে বৃহস্পতিবার কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নিল এলাকা। পুলিশের সামনেই চলল লাঠিসোটা নিয়ে হামলা, ভাঙচুর। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে, উন্মত্ত ভিড়ের হাত থেকে বাঁচতে দৌড়াতে গিয়ে রাস্তায় পড়ে যান এক পুলিশ আধিকারিক। সেখানেই তাঁকে ঘিরে ধরে চলে এলোপাথাড়ি মার। রক্তাক্ত অবস্থায় ওই সাব-ইন্সপেক্টরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনায় রাজ্যের ডিজির কাছে কড়া রিপোর্ট তলব করল নির্বাচন কমিশন। পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকা সত্ত্বেও কেন ঘটনাস্থলে মাত্র ‘দুই সেকশন’ পাঠানো হল, সেই প্রশ্নও তুলেছে কমিশন।

এ দিন বাসন্তীতে বিজেপি প্রার্থী বিকাশ সর্দারের সমর্থনে মিছিল করছিলেন দলীয় কর্মীরা। অভিযোগ, সেই সময় তৃণমূল কর্মীরা ওই কর্মসূচি ক্যামেরাবন্দি করছিলেন। এই নিয়েই দু’পক্ষের বচসা থেকে সংঘর্ষের সূত্রপাত। মুহূর্তের মধ্যে লাঠি, বাঁশ নিয়ে মিছিলের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে একদল দুষ্কৃতী। ভাঙচুর করা হয় রাস্তার ধারে থাকা একাধিক মোটরসাইকেল। পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে আক্রান্ত হন খোদ পুলিশ অফিসার সৌরভ। সাধারণ পোশাকে থাকা ওই অফিসারকে বাঁশ উঁচিয়ে তাড়া করে দুষ্কৃতীরা। হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলে তাঁর মাথায় ও গায়ে ব্যাপক মারধর করা হয়। ফেটে যায় কপাল।

ঘটনার খবর পেয়ে এলাকায় পৌঁছয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। ক্যানিং, বাসন্তী ও গোসাবা কোস্টাল থানার আধিকারিকদের পাশাপাশি মোতায়েন করা হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীও। বারুইপুর পুলিশ জেলার এসপি শুভেন্দ্র কুমার জানান, ‘বেশ কয়েক জন পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আট জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।’ তবে অশান্তির সময় প্রার্থী বিকাশ সর্দার সেখানে উপস্থিত ছিলেন না বলে পুলিশ জানিয়েছে। যদিও পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন প্রার্থী। তাঁর দাবি, ‘তৃণমূল হারের ভয়ে এখন সন্ত্রাসের আশ্রয় নিচ্ছে। পুলিশ সব দেখেও নীরব দর্শক হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল।’

গোটা ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে কমিশন। প্রশ্ন উঠেছে, অশান্তির খবর পেয়েও কেন বাহিনী পাঠাতে দেরি হল? পাশাপাশি, অনুমতি ছাড়া কী ভাবে মিছিল হল, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে। শাসক দল অবশ্য যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তৃণমূলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, ‘কিছু নিয়ম আছে, সেগুলো মানতে হবে। বিজেপি জমিদারের দল নয়। পুলিশ সম্পূর্ণভাবে নির্বাচন কমিশনের আওতায়। যদি পুলিশের কিছু হয়, কমিশনকেই দায়িত্ব নিতে হবে।’ পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, ‘যারা করেছে, আর ক’মাস বাদে তাদের ওপর যে কী জনরোষ আছড়ে পড়বে, সেটা দেখার অপেক্ষায়।’ আপাতত এলাকায় টহল দিচ্ছে বিশাল বাহিনী।


 

‘ফলপ্রসূ’ আলোচনায় ইরানে, হামলা বন্ধের নির্দেশ ট্রাম্পের

 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর