ব্রেকিং

হুমায়ুনের জোটে সায় ওয়েইসির, রাজ্যে ২০ সভার তোড়জোড় শুরু

  বাংলার বিধানসভা ভোটের ময়দানে এ বার নতুন অঙ্ক। আসাদউদ্দিন ওয়েইসির মিম আর হুমায়ুন কবীরের আম জনতা উন্নয়ন পার্টি হাত মেলালো। বুধবার কলকাতায় এই জোটের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হতেই রাজনৈতিক মহলে শোরগোল শুরু হয়েছে। লক্ষ্য একটাই, রাজ্যের মুসলিম ভোটকে একজোট করা।....

হুমায়ুনের জোটে সায় ওয়েইসির, রাজ্যে ২০ সভার তোড়জোড় শুরু

  বাংলার বিধানসভা ভোটের ময়দানে এ বার নতুন অঙ্ক। আসাদউদ্দিন ওয়েইসির মিম আর হুমায়ুন কবীরের আম....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


 

বাংলার বিধানসভা ভোটের ময়দানে এ বার নতুন অঙ্ক। আসাদউদ্দিন ওয়েইসির মিম আর হুমায়ুন কবীরের আম জনতা উন্নয়ন পার্টি হাত মেলালো। বুধবার কলকাতায় এই জোটের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হতেই রাজনৈতিক মহলে শোরগোল শুরু হয়েছে। লক্ষ্য একটাই, রাজ্যের মুসলিম ভোটকে একজোট করা। ভোটের আগে রাজ্যে ২০টি হাই-ভোল্টেজ যৌথ সভা করবেন ওয়েইসি ও হুমায়ুন। আগামী ১ এপ্রিল মুর্শিদাবাদের বহরমপুর থেকে এই মহারণ শুরু হচ্ছে, যার শেষ হবে কলকাতায়।

সংখ্যালঘু নেতৃত্বের উত্থানই এই জোটের মূল চাবিকাঠি বলে মনে করছেন ওয়েইসি। মিম প্রধানের সাফ কথা, ‘পশ্চিমবঙ্গ হোক বা দেশে— যদি মুসলিম সংখ্যালঘু নেতা না-থাকেন, তবে গোটা সম্প্রদায়ের উন্নয়ন হয় না।’ তিনি মনে করেন, রাজ্যে মুসলিম সমাজ খুব একটা সুবিধাজনক অবস্থায় নেই। তাদের শোষণ বন্ধ করতেই হুমায়ুনের সঙ্গে এই হাত মেলানো। মিম এখানে বেশি আসন চেয়ে দরাদরি করতে আসেনি, বরং সঙ্গীকে শক্তি জোগানোই তাদের আসল উদ্দেশ্য। সংখ্যালঘু উন্নয়নকে হাতিয়ার করেই এ বার ঘুঁটি সাজাচ্ছেন তাঁরা।

মঙ্গলবার রাতেই শহরে পা রেখেছেন ওয়েইসি। বিমানবন্দরে তাঁকে পাগড়ি পরিয়ে রাজকীয় অভ্যর্থনা জানান ভরতপুরের বিদায়ী বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। বুধবারের বৈঠকে ওয়েইসিকে বারবার ‘বড় ভাই’ বলে সম্বোধন করেন তিনি। জোটের রাস্তায় হাজারো বাধা এলেও শেষ হাসি যে তারাই হাসছেন, তা বুঝিয়ে দেন হুমায়ুন। তিনি বলেন, ‘এই জোট আটকানোর অনেকে চেষ্টা করেছিলেন। বহু প্রতিকূলতা, বাধা এসেছে। কিন্তু তা উপেক্ষা করে আমাদের সঙ্গে জুড়েছে মিম।’ ইতিমধ্যেই ১৪৯ জনের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে চমক দিয়েছে হুমায়ুনের দল। নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরের মতো হাই-প্রোফাইল কেন্দ্রেও প্রার্থী দিচ্ছেন তাঁরা।

আসন সমঝোতা নিয়ে আলোচনা এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। দু-একটি আসন নিয়ে কথা বাকি থাকলেও জোটে তার কোনও প্রভাব পড়বে না। হুমায়ুন কবীর নিজে লড়ছেন মুর্শিদাবাদের দুই কেন্দ্র রেজিনগর ও নওদা থেকে। শুধু এই ভোট নয়, আগামী দিনেও এই জোট বজায় রাখার অঙ্গীকার করেছেন দুই নেতা। খুব শীঘ্রই চূড়ান্ত প্রার্থিতালিকা প্রকাশ করা হবে। এই নতুন মেরুকরণ রাজ্যের শাসক ও বিরোধী দলগুলোর রক্তচাপ বাড়াবে কি না, এখন সেটাই বড় প্রশ্ন।


 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর