নয়া জামানা ডেস্ক : মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘গড়’ ভবানীপুরে জয়ের সংকল্প নিয়ে প্রচার শুরু করলেন শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার ইদের সকালে কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিয়ে নির্বাচনী যুদ্ধের দামামা বাজালেন বিজেপি প্রার্থী। কর্মী-সমর্থকদের ভিড় সামলাতে সকাল থেকেই মন্দির চত্বরে কড়া নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছিল। লক্ষ্য পরিষ্কার, ভবানীপুরের অলিগলিতে জনসংযোগ করে পদ্ম শিবিরের জমি শক্ত করা।
সকাল সকাল মন্দিরে আশীর্বাদ নিয়ে বিরোধী দলনেতা জানিয়ে দিলেন, লড়াই হবে সেয়ানে-সেয়ানে। কালীঘাট থেকে বেরিয়ে তাঁর গন্তব্য ভবানীপুর বিধানসভার বিভিন্ন প্রান্ত। বিশেষ করে বিজেপির আদি কর্মীদের বাড়িতে গিয়ে তাঁদের মনোবল চাঙ্গা করার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। বেলায় নিজের জেলা নন্দীগ্রামে ফেরার কথা শুভেন্দুর, সেখানেও রয়েছে ঠাসা কর্মসূচি। ‘ছাব্বিশের যুদ্ধে’ দুই হেভিওয়েটের লড়াই ঘিরে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো কঠিন প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে শুভেন্দুর হুঙ্কার, তিনি মমতাকে হারাবেন। যদিও এই চ্যালেঞ্জকে আমল দিতে নারাজ শাসকদল। পালটা আত্মবিশ্বাসের সুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, ‘ভবানীপুরে আমিই জিতব। শুধু ভবানীপুর নিয়ে ভাবছি না, রাজ্যজুড়ে জয় নিয়ে ভাবছি। ভবানীপুর সেই জয়কে নেতৃত্ব দেবে।’ এর আগে প্রার্থী হিসেবে এলাকায় পা রাখতেই শুভেন্দুকে ঘিরে ‘গো-ব্যাক’ স্লোগান তুলেছিল তৃণমূল অনুগামীরা। সেই উত্তপ্ত পরিস্থিতির রেশ টেনে শুভেন্দু থানায় গিয়ে অভিযোগও জানিয়েছিলেন যে বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলা হয়েছে। ভবানীপুর বনাম নন্দীগ্রাম দুই কেন্দ্র থেকেই লড়ছেন শুভেন্দু। উত্তেজনার পারদ চড়ছে প্রতি মুহূর্তে। এই হাইভোল্টেজ লড়াইয়ে শেষ হাসি কে হাসবেন, তা বলবে সময়। তবে আপাতত কালীঘাটে পুজো দিয়ে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গেই প্রচারের ময়দান কাঁপাতে নামলেন শুভেন্দু অধিকারী।
নন্দীগ্রামে পুজো মঞ্চ থেকে রাজনৈতিক বার্তা, তৃণমূলকে আক্রমণ করলেন শুভেন্দু অধিকারী