নয়া জামানা ডেস্ক : দেশজুড়ে খুশির আমেজ। এক মাস কৃচ্ছ্রসাধনের পর খুশির ইদ-উল-ফিতরে মাতল আসমুদ্র হিমাচল। এই পবিত্র লগ্নে দেশবাসীকে সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শনিবার সকালে সামাজিক মাধ্যম ‘এক্স’ হ্যান্ডেলে বিশেষ বার্তা দেন তিনি। ভারতের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতিতে ঈদের গুরুত্ব মনে করিয়ে প্রধানমন্ত্রী সকলের সুস্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধি কামনা করেছেন। শুভেচ্ছা বার্তায় প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, ‘সবাইকে জানাই পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা। ভ্রাতৃত্ব বোধ আর করুণায় এই দিনটি পরিপূর্ণ হয়ে উঠুক। সকলের সুস্থতা এবং কল্যাণ কামনা করি।’ প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি দেশবাসীকে ঈদের উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুও। ভারতের চিরাচরিত বৈচিত্রের মাঝে ঐক্যের সুরকে আরও একবার নিজের বার্তায় ফুটিয়ে তুলেছেন তিনি। রমজানের কঠোর উপবাস ও সংযমের শেষে এই দিনটি আসে পরম আনন্দ নিয়ে। কলকাতার রেড রোড থেকে শুরু করে দেশের প্রতিটি প্রান্তের মসজিদে মসজিদে শনিবার ভোর থেকেই শুরু হয় ঈদের বিশেষ নমাজ। একে অপরকে আলিঙ্গন করে খুশিতে মেতে ওঠেন আট থেকে আশি। রান্নার গ্যাসের সমস্যার মতো কিছু প্রতিকূলতা থাকলেও তা উৎসবের রংকে ম্লান করতে পারেনি। নামাজের পর পাড়ায় পাড়ায় শুরু হয় খানাপিনা আর আড্ডার আসর। ইসলামি রীতি অনুযায়ী, ঈদের এই পুণ্যলগ্নে আকাশ নতুন চাঁদে উদ্ভাসিত হওয়ার পরেই শুরু হয় বিশেষ প্রার্থনা। ঈদের মূল দর্শনই হলো সাম্য এবং আর্তের সেবা। এদিন সামর্থ্যবান ব্যক্তিরা পিছিয়ে পড়া মানুষদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন, যাতে সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষ এই উৎসবে সামিল হতে পারেন। দেশজুড়ে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়েই পালিত হচ্ছে সম্প্রীতির এই উৎসব। বিবাদ ভুলে একে অপরকে আপন করে নেওয়ার ডাকই প্রতিফলিত হয়েছে দিল্লির মসনদ থেকে আসা প্রধানমন্ত্রীর বার্তায়।
ঈদের সকালের কালীঘাটে পুজো দিয়ে, মমতার গড়ে প্রচারে নামলেন শুভেন্দু