ব্রেকিং
  • Home /
  • মহানগর /
  • নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় মোদীর বিগ্রেড, মোতায়েন প্রায় তিন হাজার পুলিশ কর্মী

নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় মোদীর বিগ্রেড, মোতায়েন প্রায় তিন হাজার পুলিশ কর্মী

নয়া জামানা ডেস্ক : ‘পাল্টানো দরকার, চাই বিজেপি সরকার’— এই স্লোগানকে সামনে রেখে ২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনকে পাখি চোখ করেছে বঙ্গ বিজেপি। লক্ষ্যপূরণে রাজ্য জুড়ে হয়েছে ‘পরিবর্তন যাত্রা’। সেই যাত্রারই সমাপনী পর্বে শনিবার কলকাতার ব্রিগেডে মহামিছিল ও জনসভা। মূল বক্তা প্রধানমন্ত্রী....

নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় মোদীর বিগ্রেড, মোতায়েন প্রায় তিন হাজার পুলিশ কর্মী

নয়া জামানা ডেস্ক : ‘পাল্টানো দরকার, চাই বিজেপি সরকার’— এই স্লোগানকে সামনে রেখে ২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনকে....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা ডেস্ক : ‘পাল্টানো দরকার, চাই বিজেপি সরকার’— এই স্লোগানকে সামনে রেখে ২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনকে পাখি চোখ করেছে বঙ্গ বিজেপি। লক্ষ্যপূরণে রাজ্য জুড়ে হয়েছে ‘পরিবর্তন যাত্রা’। সেই যাত্রারই সমাপনী পর্বে শনিবার কলকাতার ব্রিগেডে মহামিছিল ও জনসভা। মূল বক্তা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই হাইভোল্টেজ সভাকে কেন্দ্র করে কার্যত দুর্গে পরিণত হচ্ছে তিলোত্তমা। নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয়ে মুড়ে ফেলা হয়েছে ব্রিগেড ও সংলগ্ন ময়দান এলাকা। লালবাজারের প্রায় তিন হাজার পুলিশ কর্মী মোতায়েন থাকছেন নিরাপত্তার দায়িত্বে। কোনো রকম ঝুঁকি নিতে নারাজ প্রশাসন। শনিবার অসম থেকে বিশেষ বিমানে কলকাতা বিমানবন্দরে নামবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে হেলিকপ্টারে তাঁর গন্তব্য রেসকোর্সের মাঠ। সড়কপথে সেখান থেকে সরাসরি পৌঁছোবেন সভাস্থলে। প্রধানমন্ত্রীর সফরের সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকছেন এডিজি (কোস্টাল) হরিকিশোর কুসুমাকার। লালবাজার সূত্রে খবর, পুরো এলাকাকে একাধিক সেক্টর ও জোনে ভাগ করে নিরাপত্তা সাজানো হয়েছে। প্রতিটি সেক্টরের তদারকিতে থাকছেন এক জন করে ডিসি পদমর্যাদার আধিকারিক। যুগ্ম কমিশনাররা সামলাবেন বড় জোনের দায়িত্ব। শহরের রাজপথে আজ জনজোয়ারের সম্ভাবনা। হাওড়া, শিয়ালদহ-সহ বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মিছিলের রুটে ৫০টি পুলিশ পিকেট বসানো হচ্ছে। পর্যাপ্ত সিসি ক্যামেরায় মুড়ে ফেলা হয়েছে মূল মঞ্চ ও সংলগ্ন চত্বর। আকাশপথের নিরাপত্তায় থাকছে বিশেষ কড়াকড়ি। বিমানবাহিনীর নিয়ম মেনে ব্রিগেড এলাকাকে ‘নো ফ্লাই জোন’ ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে নজরদারিতে কোনো ড্রোন উড়বে না। বদলে আশপাশের সব বহুতলের ছাদে মোতায়েন থাকবে পুলিশের বিশেষ নজরদারি দল। কোনো অনভিপ্রেত জমায়েত যাতে মূল সুরক্ষা বলয়ে ঢুকে না পড়ে, সেদিকে কড়া নজর রাখা হচ্ছে। এবারের কর্মসূচি কেবল রাজনৈতিক সমাবেশ নয়। এ রাজ্যে প্রধানমন্ত্রীর শেষ ছ’টি কর্মসূচির মতোই এটিও শুরু হবে প্রশাসনিক সভার মাধ্যমে। মূল মঞ্চের একটু পিছন দিকে মাঠের এক পাশে তৈরি হয়েছে আলাদা প্রশাসনিক এলাকা। সেখান থেকেই একগুচ্ছ সরকারি প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এসপিজি ইতিমধ্যেই কয়েক দফায় এলাকা পরিদর্শন করেছে। গত মঙ্গলবার এসপিজির নির্দেশেই তৈরি হওয়া মূল মঞ্চ খুলে ফেলে মাটির তলা পরীক্ষা করতে হয়। সবুজ সংকেত মেলার পর ফের তৈরি হয়েছে মঞ্চ। মঙ্গলবার রাত থেকেই ব্যারিকেডে বন্দি হয়েছে ময়দান এলাকা। সব মিলিয়ে পরিবর্তনের ডাক দিতে প্রস্তুত বিজেপি, আর সেই সভার নিরাপত্তায় একচুলও ঢিলেমি দিতে নারাজ লালবাজার।


 

ভোটের মুখে স্বাস্থ্যে জোড়া দাওয়াই, ২৫০ কোটির প্রকল্প উপহার মমতার

 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর