উমর ফারুক,নয়া জামানা, মালদহ : ভোটের বাদ্যি বাজার আগেই মালদহের রণকৌশল সাজিয়ে ফেলল ‘আম জনতা উন্নয়ন পার্টি’। শনিবার বহরম লজে এক সাংবাদিক বৈঠকে জেলার চারটি আসনের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করলেন দলের চেয়ারম্যান তথা ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। তবে কেবল প্রার্থী তালিকা নয়, ভোটের আগে বাম-আইএসএফ শিবিরের দিকে ফের জোটের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন তৃণমূলের এই বহিষ্কৃত নেতা। জোটের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের সময়সীমা ১৫ মার্চ পর্যন্ত বাড়িয়ে দিয়েছেন তিনি। স্পষ্ট জানিয়েছেন, সম্মানজনক আসনরফা না হলে রাজ্যের ১৮২টি আসনেই একক শক্তিতে লড়বে তাঁর দল। তালিকায় প্রথম নাম দলের সাধারণ সম্পাদক মহম্মদ নাসিমুল হকের। তিনি লড়বেন ৫৩ নম্বর সুজাপুর কেন্দ্র থেকে। এ ছাড়াও ৪৭ নম্বর মালতীপুর কেন্দ্রে রয়েল ইসলাম, ৪৮ নম্বর রতুয়া কেন্দ্রে আবু মিন্নাত শেখ এবং ৪৯ নম্বর মানিকচক কেন্দ্রে প্রার্থী হচ্ছেন মহম্মদ তোহিদুর রহমান। এ দিন হুমায়ুন বলেন, ‘আইএসএফ ও সিপিএমের সঙ্গে জোট নিয়ে ১০ মার্চ সেই দিন ঘোষণা করা হয়েছিল। আজ আমরা তাদের জন্য ১৫ মার্চ পর্যন্ত জোট নিয়ে শেষ সিদ্ধান্তের জানালাম। তারা এগিয়ে না এলে আমরা আমাদের মতো সর্বশক্তি দিয়ে ১৮২ টি আসনে লড়াই করব।’ ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশের আগে কয়েক লক্ষ ভোটারের নাম ‘বিচারাধীন’ থাকা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন হুমায়ুন। তাঁর দাবি, ‘যতক্ষণ পর্যন্ত বিচারাধীন ভোটারদের নাম চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় না ওঠে ততক্ষণ নির্বাচন ঘোষণা করা যাবে না। বিচারাধীন এইসব বৈধ ভোটারের নাম ভোটার তালিকার বাইরে রেখে নির্বাচন করা যাবে না। আমাদের দলের পক্ষে এই দাবি নির্বাচন কমিশনে জানাবো।’ একই সুরে সুজাপুরের প্রার্থী নাসিমুল হক অভিযোগ করেন, ‘মালদা জেলায় সংখ্যালঘু ভোটারদের নাম ষড়যন্ত্র করে বিচারাধীন করেছে কমিশন। কমিশন ও বিজেপির এই অশুভ আঁতাত সাধারণ মানুষের কাছে পরিষ্কার। এর জবাব মানুষ নির্বাচনে দেবে।’
মমতাকেই দেওয়া হোক ইন্ডিয়া জোটের নেতৃত্ব, রাহুলকে পরামর্শ বহিষ্কৃত কংগ্রেস নেতা মণিশঙ্করের