অঞ্জন শুকুল,নয়া জামানা, নদীয়া: পাড়ার ছেলে ‘মুকুলদা’ আর নেই।বিধায়ক মুকুল রায়ের মৃত্যু সংবাদে তাঁর পৈত্রিক ভিটের প্রতিবেশীদের মধ্যে শোকের ছায়া।শোকের ছায়া নদীয়ার কৃষ্ণগঞ্জের ভাজনঘাট ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী ইতিহাস প্রসিদ্ধ গ্রামে। এই গ্রামে মুকুল বাবুর পৈত্রিক ভিটা রয়েছ। মুকুল রায়ের বাবা যুগল রায় ভাজন ঘাটের স্থায়ী বাসিন্দা ছিলেন। ভাজন ঘাট থেকেই পড়াশোনা করার পর রেলে চাকরি পান। মুকুল রায় বাবার সঙ্গে পৈত্রিক বাড়িতে আসতেন,বিশেষ করে আম- জামের যখন ফলন হতো তখন তিনি আসতেন ভাজন ঘাটের এই বাড়িত। মুকুলের সেই বাড়ি আজও রয়েছে, প্রতিবেশীরা সেটার দেখাশোনা করেন। সকাল সন্ধ্যায় সেই বাড়িতে এখনো পরে ধূপ-ধূনো।ভাজন ঘাটে মুকুল রায়ের মৃত্যু সংবাদ পৌঁছাতেই প্রতিবেশীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে।মুকুল রায়ের পরিবারের সাথে যাদের সম্পর্ক সেই শঙ্কর ভট্টাচার্য আজ শোকাহত। তিনি মুকুল রায়ের জীবনের কিছু স্মৃতিচারণ করলেন। এমনকি মুকুল বাবুর বাড়ির যারা দেখাশোনা করেন সদানন্দ হালদার তিনিও শোকাহত। তিনি মুকুল বাবুর বাড়ির সমস্ত জিনিস গুলো সংবাদমাধ্যমকে ঘুরিয়ে দেখান। সবশেষে তিনি শোক প্রকাশ করে মুকুল বাবুর আত্মার শান্তি কামনা করেন।
আরও পড়ুন-
রাজনৈতিক নক্ষত্রপতন, মুকুলের প্রয়াণে বিচলিত ও বেদনাহত মমতা,শোকজ্ঞাপন মোদির