কার্তিক ভান্ডারী, নয়া জামানা,বীরভূম:
শান্তিনিকেতনের প্রান্তিকে তৃণমূল কার্যালয়ের কাছে একটি হোটেলে চলছিল বোমা বাঁধার কাজ। রবিবার, খবর পেয়ে বোলপুরের এসডিপিও -র নেতৃত্বে হানা দেয় পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে কয়েকজনকে আটক করা হয় বলে জানা গেছে৷ পাশাপাশি প্রায় ৫০টি তাজা বোমা সহ বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করে পুলিশ৷ হোটেলটি স্থানীয় তৃণমূল নেতা বাবু দাসের দখলে৷ ৩রা মার্চ শান্তিনিকেতনে দোল, তার আগে কি নাশকতার ছক? তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। বোলপুরের এসডিপিও রিকি আগরওয়াল বলেন, সূত্র মারফৎ খবর পেয়ে আমরা টিম গঠন করে তল্লাশি চালাই৷ দেখি বোমা জাতীয় কিছু মজুত ছিল৷ সেটাকে ঘিরে রেখে বম্ব স্কোয়ার্ড, দমকলকে খবর দিই। কিছু জনকে আটক করা হয়েছে৷ কেস স্টার্ট করে তদন্ত করা হচ্ছে।কয়েক দিন আগেই শান্তিনিকেতন থানার প্রান্তিক এলাকায় একটি হোটেলে মধুচক্রের ঘটনায় পুলিশ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছিল ও ৮ জন মহিলাকে উদ্ধার করেছিল৷ এই ঘটনায় নাম জড়িয়েছিল স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের।প্রসঙ্গত, এই হোটেলটি দীর্ঘ দিন ধরে স্থানীয় বেশ কিছুদিন ধরেই এখান থেকেই ওই এলাকায় দলীয় কার্যকলাপ চলত। দলীয় পতাকা থেকে ব্যানার, ফেস্টুন রাখা, প্রস্তুতি প্রভৃতির কাজকর্ম হত৷ সেই হোটেল থেকেই উদ্ধার হল বোমা, বলেই অভিযোগ৷ স্থানীয়দের মধ্যে বোমা উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।এদিন, বোমাগুলি নিষ্ক্রিয় করতে সিআইডি বম্ব স্কোয়ার্ডকে খবর দেওয়া হয়। বম্ব স্কোয়ার্ডের প্রতিনিধিরা এসে বোমাগুলি উদ্ধার করে৷ মোতায়েন ছিল দমকলের ইঞ্জিনও৷৩রা মার্চ শান্তিনিকেতন দোল৷ ইতিমধ্যেই প্রতিদিন হাজার হাজার পর্যটকের ঢল হেরিটেজ শান্তিনিকেতনে৷ তাই এই বোমা বাঁধা ও মজুত কি কোন নাশকতার ছক? তদন্ত করছে পুলিশ।
আরও পড়ুন-
ভাঙড়ে বোমা আতঙ্ক, শওকত মোল্লার গাড়ি লক্ষ্য করে বিস্ফোরণের অভিযোগে তুমুল বিতর্ক