ব্রেকিং
  • Home /
  • দেশ /
  • সুপ্রিম কোর্টে ফের পিছল আইপ্যাক মামলার শুনানি, পরবর্তী শুনানি কবে ?

সুপ্রিম কোর্টে ফের পিছল আইপ্যাক মামলার শুনানি, পরবর্তী শুনানি কবে ?

নয়া জামানা ডেস্ক : ফের পিছিয়ে গেল আইপ্যাক মামলার শুনানি। বুধবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জীব মেহতা এবং বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্রের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও, কেন্দ্রের পক্ষ থেকে সময় চেয়ে নেওয়ায় তা স্থগিত হয়ে যায়। আদালত জানিয়েছে,....

সুপ্রিম কোর্টে ফের পিছল আইপ্যাক মামলার শুনানি, পরবর্তী শুনানি কবে ?

নয়া জামানা ডেস্ক : ফের পিছিয়ে গেল আইপ্যাক মামলার শুনানি। বুধবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জীব মেহতা....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা ডেস্ক : ফের পিছিয়ে গেল আইপ্যাক মামলার শুনানি। বুধবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জীব মেহতা এবং বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্রের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও, কেন্দ্রের পক্ষ থেকে সময় চেয়ে নেওয়ায় তা স্থগিত হয়ে যায়। আদালত জানিয়েছে, দোলের ছুটির পর আগামী ১৮ মার্চ এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। এই নিয়ে তৃতীয়বার শীর্ষ আদালতে ঝুলে রইল এই মামলার ভবিষ্যৎ।এদিন শুনানির শুরু থেকেই রাজ্যের পক্ষ থেকে কড়া ভাষায় কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনা করা হয়। রাজ্যের আইনজীবীরা অভিযোগ করেন, কেন্দ্র রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে (ইডি) অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে। এর পাল্টা হিসেবে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল (এএসজি) এসজি রাজু দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গে কেন্দ্রীয় এজেন্সির আধিকারিকদের কাজ করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে এবং তাঁদের রীতিমতো ভয় দেখানো হচ্ছে। দুপক্ষের উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের মাঝেই ইডি এবং সলিসিটর জেনারেলের পক্ষ থেকে একটি রিজয়েন্ডার বা প্রত্যুত্তর হলফনামা দাখিল করার জন্য অতিরিক্ত সময় চাওয়া হয়। আদালত সেই আর্জি মঞ্জুর করে ১৮ মার্চ শুনানির দিন ধার্য করেছে।এদিন ইডির তরফে আদালতে একটি হলফনামা জমা দিয়ে চাঞ্চল্যকর দাবি করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সংস্থার অভিযোগ, আইপ্যাকের দপ্তর এবং সংস্থার কর্তার বাড়িতে তল্লাশি চলাকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে সেখানে উপস্থিত হয়ে জোর করে তদন্তকারীদের হাত থেকে নথি ছিনিয়ে নিয়েছেন। ইডির দাবি, এই ঘটনায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার মৌলিক অধিকার খর্ব হয়েছে।অন্যদিকে, রাজ্য সরকার আগেই হলফনামা দিয়ে জানিয়েছে যে, মুখ্যমন্ত্রী কোনো তদন্তে বাধা দেননি। রাজ্যের দাবি, ইডির এই মামলা করার কোনও আইনি অধিকারই নেই এবং তাদের তল্লাশি পদ্ধতি ছিল সম্পূর্ণ ত্রুটিপূর্ণ। আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, পরবর্তী শুনানিতে আদালত প্রথমেই খতিয়ে দেখবে যে এই মামলাটি আদৌ গ্রহণযোগ্য কি না।
বিবাদের সূত্রপাত গত ৮ জানুয়ারি। তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাক-এর অফিস এবং সংস্থার কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাসভবনে হানা দেয় ইডি। খবর পেয়ে সেখানে উপস্থিত হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকে বেশ কিছু ফাইল সঙ্গে করে বেরিয়ে আসার সময় তিনি সংবাদমাধ্যমের সামনে জানান, ওই নথিগুলো তাঁর দলের নিজস্ব নির্বাচনী রণকৌশল সংক্রান্ত এবং ইডি সেগুলো ছিনতাই করার ষড়যন্ত্র করছিল। তৃণমূল সুপ্রিমোর এই সরাসরি হস্তক্ষেপের পরই বিষয়টি আইনি লড়াইয়ে রূপ নেয় এবং মামলাটি কলকাতা হাইকোর্ট হয়ে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত পৌঁছায়।


আরও পড়ুন-

সুপ্রিম কোর্টে ঝুলে রইল আইপ্যাক মামলা, আইনজীবীর অসুস্থতায় ফের পিছোল দিন

 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর