ব্রেকিং
  • Home /
  • বিদেশ /
  • বাংলাদেশের ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন, ভোটের লাইনে দাঁড়িয়েই চিরবিদায়! গণতন্ত্রের উৎসবে এ কেমন শোকের ছায়া?

বাংলাদেশের ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন, ভোটের লাইনে দাঁড়িয়েই চিরবিদায়! গণতন্ত্রের উৎসবে এ কেমন শোকের ছায়া?

নয়া জামানা ডেস্ক : বাংলাদেশে উৎসবমুখর ও কিছু বিচ্ছিন্ন উত্তেজনার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। তবে এবারের ভোটের দিনটি ম্লান হয়ে গেছে সাতটি শোকাতুর ঘটনায়। দেশের বিভিন্ন স্থানে ভোটদান চলাকালে এবং দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় একজন বিএনপি নেতা....

বাংলাদেশের ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন, ভোটের লাইনে দাঁড়িয়েই চিরবিদায়! গণতন্ত্রের উৎসবে এ কেমন শোকের ছায়া?

নয়া জামানা ডেস্ক : বাংলাদেশে উৎসবমুখর ও কিছু বিচ্ছিন্ন উত্তেজনার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয়....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা ডেস্ক : বাংলাদেশে উৎসবমুখর ও কিছু বিচ্ছিন্ন উত্তেজনার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। তবে এবারের ভোটের দিনটি ম্লান হয়ে গেছে সাতটি শোকাতুর ঘটনায়। দেশের বিভিন্ন স্থানে ভোটদান চলাকালে এবং দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় একজন বিএনপি নেতা ও একজন পোলিং কর্মকর্তাসহ অন্তত সাতজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

নিহতদের মধ্যে কেউ ভোটকেন্দ্রে লাইনে দাঁড়িয়ে, কেউ ভোট দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে, আবার কেউ কেন্দ্রে দায়িত্ব পালনকালে অসুস্থ হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। বিশেষ করে খুলনায় এক বিএনপি নেতার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের সৃষ্টি হয়েছে। অন্যান্য ঘটনাগুলো প্রধানত শারীরিক অসুস্থতাজনিত কারণে ঘটলেও নির্বাচনের দিনে এমন প্রাণহানি শোকের ছায়া ফেলেছে স্থানীয় এলাকাগুলোতে।
ভোটগ্রহণের দিন সবচেয়ে আলোচিত ঘটনাটি ঘটেছে খুলনায়। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে খুলনা আলিয়া মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্রে মারা যান মহানগর বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক মহিবুজ্জামান কচি (৬০)। বিএনপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, ভোট দিতে গেলে কেন্দ্রে প্রতিপক্ষের সঙ্গে বাক্বিতণ্ডা ও ধাক্কাধাক্কির শিকার হন তিনি। একপর্যায়ে মাথায় আঘাত পেয়ে তিনি মাটিতে পড়ে যান। হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। বিএনপি নেতারা এই ঘটনাকে হত্যাকাণ্ড হিসেবে অভিহিত করে জড়িতদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে জামায়াত। কেন্দ্র পরিচালকের দাবি অনুযায়ী, নারী কর্মীদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়াকে কেন্দ্র করে সামান্য উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল, তবে ওই ব্যক্তি মূলত অসুস্থ হয়েই মারা গেছেন।
নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন মো. মুজাহিদুল ইসলাম (৪৮) নামে এক শিক্ষক। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার সৈয়দ সিরাজুল ইসলাম মিলনায়তন কেন্দ্রে তিনি পোলিং কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সকাল আটটার দিকে কাজ শুরু করার কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষরক্ষা হয়নি।
দেশের অন্যান্য প্রান্তে মূলত ভোটদানের আবেগ ও শারীরিক ধকল সইতে না পেরে প্রবীণ ভোটারদের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে, চট্টগ্রাম-৯ আসনের কাজীর দেউড়ি পেয়ার মোহাম্মদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় অসুস্থ হয়ে মারা যান নিরাপত্তারক্ষী মো. মনু মিয়া (৫৭)সাতক্ষীরা তালা উপজেলার অনাথ ঘোষ (৬৫) কেন্দ্রে যাওয়ার পথেই অসুস্থ হয়ে প্রাণ হারান।

মানিকগঞ্জ শিবালয় উপজেলার মহাদেবপুর কেন্দ্রে ভোট দেওয়ার অপেক্ষায় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় ৭০ বছর বয়সী বাবু মিয়া অসুস্থ হয়ে মারা যান। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সে সময় কেন্দ্রের পরিবেশ উৎসবমুখর থাকলেও হঠাৎ এই ঘটনায় বিষাদ নেমে আসে।সাঘাটা উপজেলায় ভোট দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে ৫০০ গজ দূরে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন বাছের চৌধুরী (৬০)। হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তাঁর মৃত্যু হয়।
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে রাজ্জাক মিয়া (৫৫) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে কিছুটা ভিন্ন পরিস্থিতিতে। পরিবারের দাবি, ভোট দিয়ে বের হওয়ার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তাড়া বা লাঠিচার্জের মুখে দৌড়াতে গিয়ে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং মারা যান। তবে প্রশাসন এই অভিযোগ খতিয়ে দেখছে।

আরও পড়ুন-

বাংলাদেশের ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন,রক্তপাত ও কারচুপির অভিযোগ, গোপালগঞ্জে ভোটারশূন্য কেন্দ্র

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর