ব্রেকিং
  • Home /
  • NEWS /
  • সুপ্রিম কোর্টে ঝুলে রইল আইপ্যাক মামলা, আইনজীবীর অসুস্থতায় ফের পিছোল দিন

সুপ্রিম কোর্টে ঝুলে রইল আইপ্যাক মামলা, আইনজীবীর অসুস্থতায় ফের পিছোল দিন

নয়া জামানা, দিল্লি ও কলকাতা : ফের আইপ্যাক মামলার শুনানি পিছিয়ে গেল দেশের শীর্ষ আদালতে। মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার ভাগ্য নির্ধারিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে আইনজীবী কপিল সিব্বল অসুস্থ হয়ে পড়ায় শুনানি সম্ভব হয়নি। বিচারপতি সঞ্জীব মেহতা....

সুপ্রিম কোর্টে ঝুলে রইল আইপ্যাক মামলা, আইনজীবীর অসুস্থতায় ফের পিছোল দিন

নয়া জামানা, দিল্লি ও কলকাতা : ফের আইপ্যাক মামলার শুনানি পিছিয়ে গেল দেশের শীর্ষ আদালতে। মঙ্গলবার....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা, দিল্লি ও কলকাতা : ফের আইপ্যাক মামলার শুনানি পিছিয়ে গেল দেশের শীর্ষ আদালতে। মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার ভাগ্য নির্ধারিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে আইনজীবী কপিল সিব্বল অসুস্থ হয়ে পড়ায় শুনানি সম্ভব হয়নি। বিচারপতি সঞ্জীব মেহতা এবং বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্রের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি ফের এই মামলার শুনানি হবে। এই নিয়ে পরপর দু’বার আইপ্যাক মামলাটি পিছিয়ে গেল, যা নিয়ে রাজনৈতিক ও আইনি মহলে জল্পনা তুঙ্গে।

মামলার গতিপ্রকৃতি লক্ষ্য করলে দেখা যাচ্ছে, গত সপ্তাহের মঙ্গলবার অর্থাৎ ৩ ফেব্রুয়ারি শুনানি হওয়ার কথা ছিল। তবে সেদিন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডির আবেদনে সাড়া দিয়ে আদালত শুনানি এক সপ্তাহ পিছিয়ে দেয়। ঠিক সাত দিন পর, অর্থাৎ ১০ ফেব্রুয়ারি শুনানির দিন ধার্য হলেও আইনজীবীর শারীরিক অসুস্থতা ফের বাধা হয়ে দাঁড়াল। ফলে ইডি বনাম রাজ্য সরকারের এই হাই-ভোল্টেজ লড়াইয়ের ফয়সালা ঝুলে রইল আরও এক সপ্তাহের জন্য।

এই আইনি লড়াইয়ের সূত্রপাত গত ৮ জানুয়ারি। কয়লা পাচার মামলার তদন্তে নেমে আইপ্যাক কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি ও অফিসে হানা দিয়েছিল ইডি। সেই তল্লাশি চলাকালীন অভাবনীয়ভাবে সেখানে উপস্থিত হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রীয় সংস্থার অভিযোগ, তদন্তে বাধা দেওয়া হয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ নথি কেড়ে নেওয়া হয়েছে। এরপরই ইডি রাজ্যের বিরুদ্ধে সংবিধানের ৩২ নম্বর ধারা অর্থাৎ সাংবিধানিক প্রতিবিধানের অধিকার প্রয়োগ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়। ইডির অভিযোগ ছিল, রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় সংস্থার কাজে ‘বেআইনি হস্তক্ষেপ’ করছে।

পাল্টা লড়াই শুরু করে রাজ্য সরকারও। গত ২ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা জমা দেয় রাজ্য। সেখানে স্পষ্ট দাবি করা হয়, ইডির এই মামলার কোনো মৌলিক ভিত্তি নেই। রাজ্যের আইনজীবীদের যুক্তি, যে প্রক্রিয়ায় তল্লাশি চালানো হয়েছে তা সম্পূর্ণ অবৈধ। কোনো আগাম নোটিস ছাড়া কেন আইপ্যাকের দফতরে হানা দেওয়া হলো, তা নিয়ে রাজ্য সরকার প্রশ্ন তুলেছে। রাজ্যের হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, ইডির এই অভিযান সংবিধানের ২১ নম্বর ধারায় প্রদত্ত ‘জীবন ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার অধিকার’ ক্ষুণ্ণ করেছে।

গত সপ্তাহের শুনানিতে ইডির পক্ষে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা রাজ্যের হলফনামা খতিয়ে দেখার জন্য সময় চেয়েছিলেন। সেই আবেদন মঞ্জুর হওয়ার পর আজ শুনানির কথা থাকলেও সিব্বলের অসুস্থতা সব হিসেব বদলে দিল। ইডি ও রাজ্যের এই সংঘাত এখন দিল্লির অলিন্দে প্রবল আলোচনার বিষয়। আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি আদালত কোন দিকে মোড় নেয়, এখন নজর সেদিকেই।

আরও পড়ুন-

বিভ্রাট রুখতে ৮৫০৫ অফিসার নবান্নের, সুপ্রিম শুনানিতে আজ ফের কোর্টে মমতা !

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর