• Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • রাত হলেই দরজায় টোকা! ঘরে ঢুকে পুড়িয়ে দিচ্ছে ভোটার-আধার কার্ড, প্রবল আতঙ্কে ঘুম উড়েছে ঝাড়গ্রামবাসীর

রাত হলেই দরজায় টোকা! ঘরে ঢুকে পুড়িয়ে দিচ্ছে ভোটার-আধার কার্ড, প্রবল আতঙ্কে ঘুম উড়েছে ঝাড়গ্রামবাসীর

ঝাড়গ্রাম পুলিশ নয়া জামানা : রাত বাড়লেই দরজায় টোকা। দরজা খুললেই ঘরে ঢুকে ভোটার কার্ড, আধার কার্ড পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। সেই সঙ্গে অবাধে চলছে টাকা ও সোনাদানা লুট। গত কয়েকদিন ধরে এমনই এক ভয়ংকর আতঙ্ক ও গুজবে কাঁপছে ঝাড়গ্রাম জেলার....

রাত হলেই দরজায় টোকা! ঘরে ঢুকে পুড়িয়ে দিচ্ছে ভোটার-আধার কার্ড, প্রবল আতঙ্কে ঘুম উড়েছে ঝাড়গ্রামবাসীর

ঝাড়গ্রাম পুলিশ নয়া জামানা : রাত বাড়লেই দরজায় টোকা। দরজা খুললেই ঘরে ঢুকে ভোটার কার্ড, আধার....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

ঝাড়গ্রাম পুলিশ


নয়া জামানা : রাত বাড়লেই দরজায় টোকা। দরজা খুললেই ঘরে ঢুকে ভোটার কার্ড, আধার কার্ড পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। সেই সঙ্গে অবাধে চলছে টাকা ও সোনাদানা লুট। গত কয়েকদিন ধরে এমনই এক ভয়ংকর আতঙ্ক ও গুজবে কাঁপছে ঝাড়গ্রাম জেলার মানিকপাড়া, সাঁকরাইল ও গোপীবল্লভপুর, মেদিনীপুরের কেশিয়ারি -সহ একাধিক এলাকা। যদিও পুলিশ জানিয়েছে, এর কোনও বাস্তব ভিত্তি নেই। তবে লোকমুখে ছড়িয়ে পড়া এই আতঙ্ক এতটাই তীব্র যে, গ্রামবাসীরা লাঠি-বাঁশ হাতে রাত জেগে গ্রাম পাহারা দিতে শুরু করেছেন, যা মনে করিয়ে দিচ্ছে জেলার অতীতের অশান্ত দিনগুলোর স্মৃতি।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশ কিছু গ্রামে দুষ্কৃতীদের অস্ত্র দেখিয়ে ভয় দেখানো বা দরজা ভাঙচুর করার খবর ছড়িয়েছে। যদিও নির্দিষ্ট কোনও প্রামাণ্য তথ্য বা ছবি সামনে আসেনি। তবুও ‘অজানা আতঙ্কে’ রাতের ঘুম উড়েছে সাধারণ মানুষের। বিশেষ করে ভোটার ও আধার কার্ড পুড়িয়ে দেওয়ার মতো গুজব জনমানসে তীব্র উৎকণ্ঠা তৈরি করেছে। বহু গ্রামে যুবকেরা দল বেঁধে মোড়ে মোড়ে পাহারা দিচ্ছেন।

আতঙ্কিত এলাকা


এই পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের ওপর। অভিভাবকদের আশঙ্কা, চারপাশের এই অস্থিরতা ও পাহারার কোলাহলে পরীক্ষার্থীদের মানসিক একাগ্রতা নষ্ট হচ্ছে।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং গুজব মোকাবিলায় কোমর বেঁধে নেমেছে ঝাড়গ্রাম জেলা পুলিশ। ঝাড়গ্রামের এসডিপিও শামিম বিশ্বাস এবং আইসি কৌশিক কুমার সাউ-এর নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী সন্ধ্যার পর থেকে গ্রামে গ্রামে রুট মার্চ করছে। মাইকিং করে সাধারণ মানুষকে শান্ত থাকার এবং গুজবে কান না দেওয়ার আবেদন জানানো হচ্ছে। পুলিশ স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত জেলায় ডাকাতি বা নথি পুড়িয়ে দেওয়ার কোনও লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি। কিছু অসাধু চক্র উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই আতঙ্ক ছড়াচ্ছে বলে প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে।

পুলিশ ও প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে,অজানা কোনো খবরে আতঙ্কিত হবেন না।সন্দেহভাজন কাউকে দেখলে আইন নিজের হাতে না তুলে পুলিশকে জানান।রাত জেগে পাহারার নামে শান্তি বিঘ্নিত করবেন না।পরীক্ষার্থীদের স্বাভাবিক পড়াশোনার পরিবেশ বজায় রাখতে সাহায্য করুন।

গ্রামবাসীদের দাবি, পুলিশি টহল যেন নিয়মিত থাকে এবং এই গুজবের উৎস যারা, তাদের চিহ্নিত করে দ্রুত গ্রেফতার করা হোক।

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর