ব্রেকিং
  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • ভাঙড় দখলের লড়াই তুঙ্গে, নওশাদের হুঁশিয়ারির জবাবে সওকাতের কড়া বার্তা!

ভাঙড় দখলের লড়াই তুঙ্গে, নওশাদের হুঁশিয়ারির জবাবে সওকাতের কড়া বার্তা!

ইয়ামুদ্দিন সাহাজী, নয়া জামানা,ভাঙড়: বিধানসভা ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে ভাঙড়ের রাজনৈতিক উত্তাপ। জমি রক্ষা, এলাকা দখল এবং রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে শাসক ও বিরোধী—দু’পক্ষই সভা-সমাবেশ থেকে একের পর এক কড়া বার্তা দিচ্ছে। হুঁশিয়ারি, পাল্টা হুঁশিয়ারিতে সরগরম গোটা....

ভাঙড় দখলের লড়াই তুঙ্গে, নওশাদের হুঁশিয়ারির জবাবে সওকাতের কড়া বার্তা!

ইয়ামুদ্দিন সাহাজী, নয়া জামানা,ভাঙড়: বিধানসভা ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে ভাঙড়ের রাজনৈতিক উত্তাপ। জমি রক্ষা,....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


ইয়ামুদ্দিন সাহাজী, নয়া জামানা,ভাঙড়: বিধানসভা ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে ভাঙড়ের রাজনৈতিক উত্তাপ। জমি রক্ষা, এলাকা দখল এবং রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে শাসক ও বিরোধী—দু’পক্ষই সভা-সমাবেশ থেকে একের পর এক কড়া বার্তা দিচ্ছে। হুঁশিয়ারি, পাল্টা হুঁশিয়ারিতে সরগরম গোটা এলাকা।
কয়েকদিন আগে ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী সভা থেকে বলেছিলেন, “হাফ ইঞ্চি জায়গাও ছাড়বো না।” সেই মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিলেন তৃণমূল নেতা ও ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক সওকাত মোল্লা। শুক্রবার হাতিশালায় দলীয় কর্মীসভা থেকে তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “এক সুতো জায়গাও ছাড়বো না। চোখে চোখ রেখে কথা হবে।” তাঁর এই বক্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে।
সওকাত মোল্লা আরও জানান, ভাঙড় বিধানসভা কেন্দ্র এবার দখল করাই তৃণমূলের মূল লক্ষ্য। তাঁর কথায়, এই কেন্দ্র জিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘উপহার’ দেওয়া হবে। তাঁদের নেতৃত্বেই ভাঙড়ে উন্নয়নের কাজ আরও জোরদার হবে বলেও দাবি করেন তিনি।
এই সভা থেকেই শাসকদলের দাবি, বেওতা ২ অঞ্চলের আইএসএফ-এর বুথস্তরের একাধিক নেতা-কর্মী তৃণমূলে যোগ দেন। ইসলাম মোল্লা ওরফে বাবুসোনা, মোকসেদ মোল্লা ও হযরত মোল্লার নেতৃত্বে প্রায় ৪০-৫০ জন কর্মী দলবদল করেছেন বলে জানানো হয়। সওকাত মোল্লা তাঁদের হাতে তৃণমূলের দলীয় পতাকা তুলে দেন।
সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে সওকাত মোল্লা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিভিন্ন জনমুখী সিদ্ধান্তের কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়ে বাংলার স্বার্থে মুখ্যমন্ত্রীর আইনি লড়াই মানুষ দেখেছেন। পাশাপাশি সাম্প্রতিক বাজেটে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, যুব সাথী-সহ একাধিক প্রকল্পে ভাতা বৃদ্ধির কথাও উল্লেখ করেন। তাঁর দাবি, এই উন্নয়নমূলক কাজের ফলেই বিরোধী শিবিরে ভাঙন ধরছে।
তৃণমূলে যোগ দেওয়া ইসলাম মোল্লা বলেন, আগের দলে থেকে এলাকার উন্নয়ন করা সম্ভব হচ্ছিল না বলেই তিনি দল বদল করেছেন। তবে এই অভিযোগ মানতে নারাজ আইএসএফ নেতৃত্ব। দলের জেলা পরিষদ সদস্য রাইনুর হক বলেন, ইসলাম মোল্লার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ও চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল। তাঁর দাবি, “ভয় দেখিয়ে ভাঙড় জেতা যাবে না।”
সব মিলিয়ে ভোটের আগে ভাঙড়ে রাজনৈতিক লড়াই ও বাকযুদ্ধ যে আরও তীব্র হবে, তা এখন স্পষ্ট।


আরও পড়ুন-

ছয় বছর পর খুলছে ষাঁড়েশ্বর মন্দির, পুনঃপ্রতিষ্ঠায় বিষ্ণুপুর জুড়ে ভক্তির জোয়ার

আরও পড়ুন-

আমেরিকার পর এবার পশ্চিম এশিয়া! আরও ছ’টি দেশের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তির পথে নয়া দিল্লি

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর