ব্রেকিং
  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • নাম বাদ গেলে বাড়িতে হামলার আতঙ্ক ,মুর্শিদাবাদে মৃত্যু মহিলা বিএলও-র, চাঞ্চল্যকর অভিযোগ ছেলের

নাম বাদ গেলে বাড়িতে হামলার আতঙ্ক ,মুর্শিদাবাদে মৃত্যু মহিলা বিএলও-র, চাঞ্চল্যকর অভিযোগ ছেলের

নয়া জামানা , মুর্শিদাবাদ : এসআইআর-এর শুনানির পর্ব শেষ হলে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ গেলে কোনও ব্যক্তি তাঁর বাড়িতে হামলা করতে পারেন এই আতঙ্কে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল এক মহিলা বিএলও-র। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার সকালে মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়া থানার....

নাম বাদ গেলে বাড়িতে হামলার আতঙ্ক ,মুর্শিদাবাদে মৃত্যু মহিলা বিএলও-র, চাঞ্চল্যকর অভিযোগ ছেলের

নয়া জামানা , মুর্শিদাবাদ : এসআইআর-এর শুনানির পর্ব শেষ হলে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ গেলে....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

নয়া জামানা , মুর্শিদাবাদ : এসআইআর-এর শুনানির পর্ব শেষ হলে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ গেলে কোনও ব্যক্তি তাঁর বাড়িতে হামলা করতে পারেন এই আতঙ্কে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল এক মহিলা বিএলও-র। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার সকালে মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়া থানার অন্তর্গত চোঁয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের শ্রীপুর গ্রামে।
মৃত ওই বিএলও-র নাম মায়া মুখার্জি (৫৮)। তিনি স্থানীয় নামুপাড়া শিশু শিক্ষা কেন্দ্রে শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এবারের এসআইআর পর্বে শ্রীপুর গ্রামের ২৫১ নম্বর বুথের বিএলও হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন মায়া মুখার্জি ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে মোবাইল এবং কম্পিউটার ব্যবহারে সড়গড় না হওয়ার কারণে মায়াদেবী বিএলও হিসেবে কাজ করতে ইচ্ছুক ছিলেন না। যদিও নির্বাচন কমিশন এক প্রকার জোর করে তাঁকে বিএলও হিসেবে নিযুক্ত করায় নিজের কাজ করতে বাধ্য হয়েছিলেন মায়াদেবী।
মায়া মুখার্জির পরিবার সূত্রের খবর, কাজের অত্যাধিক চাপের জন্য এনুমারেশন ফর্ম জমা দেওয়ার পর্বে গুরুতর অসুস্থ হয়ে প্রায় সাত দিন মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউ-তে ভর্তি ছিলেন তিনি। একটু সুস্থ হয়ে ওঠার পর ফের বিএলও হিসেবে নিজের কাজ করছিলেন মায়া মুখার্জি।

মৃতের পরিবারের দাবি, অত্যাধিক কাজের চাপে শুক্রবার ভোর সাড়ে তিনটে নাগাদ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ছোটবেলায় পড়াশোনায় অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন মায়া মুখার্জি। খুব অল্প বয়সে তাঁর সঙ্গে ওই গ্রামের সিদ্দিক মন্ডল আমি এক ব্যক্তির বিয়ে হয়। সন্তান জন্মের পর নিজের উদ্যোগে ফের একবার রবীন্দ্র মুক্ত বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে সেখান থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করে চাকরিতে যোগ দিয়েছিলেন মায়া মুখার্জি।
মৃত ওই মহিলার ছোট ছেলে রুবেল মন্ডল বলেন,”আমার মা মোবাইল ফোন এবং কম্পিউটার ব্যবহারে একদমই সড়গড় নন। তাই এসআইআর পর্বের যাবতীয় কাজকর্ম সামলানোর জন্য আমি মাকে সাহায্য করতাম।”

তিনি আরও বলেন,”এসআইআর-এর প্রথম পর্বে অসুস্থ হয়ে পড়ার জন্য মা দীর্ঘদিন মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজের হাসপাতালের আইসিইউ-তে ভর্তি ছিলেন। মা সবসময় আতঙ্কে থাকতেন এসআইআর পর্ব শেষ হলে যে সমস্ত ভোটারদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ যাবে তাঁরা হয়তো আমাদের বাড়িতে এসে হামলা করতে পারেন।। মায়ের আতঙ্ক ছিল নাম বাদ যাওয়া ভোটাররা মনে করবেন হয়তো মায়ের কারণেই তাঁদের ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ গিয়েছে। এই আতঙ্ক থেকে গতকাল মা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। আজ ভোট সাড়ে তিনটে নাগাদ তাঁর মৃত্যু হয়েছে।”

মায়াদেবীর মৃত্যুর জন্য নির্বাচন কমিশনকে দায়ী করে হরিহরপাড়ার তৃণমূল বিধায়ক নিয়ামত শেখ বলেন ,”নির্বাচন কমিশন ওই মহিলাকে জোর করে এসআইআর-এর কাজ করতে বাধ্য করেছিলো। ওই বিএলও আতঙ্কে ছিলেন কোনও ভোটারের নাম চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ গেলে তাঁর উপর বা বাড়িতে হামলা হতে পারে। এই আতঙ্কে মায়া মুখার্জি নামে ওই বিএলও অসুস্থ হয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন। আমরা তৃণমূলের তরফে ওই পরিবারের পাশে রয়েছি।”


আরও পড়ুন-

হারিয়ে যাওয়া শিশুকে উদ্ধার করে পরিবারের হাতে ফিরিয়ে দিল শান্তিপুর থানা

আরও পড়ুন-

পুলিশের নাগালে বাইক চুরির দল! গ্রেপ্তারসহ উদ্ধার পাঁচটি মোটরবাইক

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর