ব্রেকিং
  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • ছয় বছর পর খুলছে ষাঁড়েশ্বর মন্দির, পুনঃপ্রতিষ্ঠায় বিষ্ণুপুর জুড়ে ভক্তির জোয়ার

ছয় বছর পর খুলছে ষাঁড়েশ্বর মন্দির, পুনঃপ্রতিষ্ঠায় বিষ্ণুপুর জুড়ে ভক্তির জোয়ার

রাখি গড়াই, নয়া জামানা, বিষ্ণুপুর: দীর্ঘ ছয় বছর অপেক্ষার অবসান। আবার সাধারণ মানুষের জন্য খুলে যাচ্ছে বিষ্ণুপুরের ঐতিহ্যবাহী ষাঁড়েশ্বর মন্দির। আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি বিষ্ণুপুর ব্লকের ডিহর গ্রামে অবস্থিত এই প্রাচীন মন্দিরে অনুষ্ঠিত হবে পুনঃপ্রতিষ্ঠা কর্মসূচি। এই উপলক্ষে গোটা এলাকা জুড়ে....

ছয় বছর পর খুলছে ষাঁড়েশ্বর মন্দির, পুনঃপ্রতিষ্ঠায় বিষ্ণুপুর জুড়ে ভক্তির জোয়ার

রাখি গড়াই, নয়া জামানা, বিষ্ণুপুর: দীর্ঘ ছয় বছর অপেক্ষার অবসান। আবার সাধারণ মানুষের জন্য খুলে যাচ্ছে....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

রাখি গড়াই, নয়া জামানা, বিষ্ণুপুর: দীর্ঘ ছয় বছর অপেক্ষার অবসান। আবার সাধারণ মানুষের জন্য খুলে যাচ্ছে বিষ্ণুপুরের ঐতিহ্যবাহী ষাঁড়েশ্বর মন্দির। আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি বিষ্ণুপুর ব্লকের ডিহর গ্রামে অবস্থিত এই প্রাচীন মন্দিরে অনুষ্ঠিত হবে পুনঃপ্রতিষ্ঠা কর্মসূচি। এই উপলক্ষে গোটা এলাকা জুড়ে তৈরি হয়েছে ধর্মীয় উন্মাদনা ও উৎসবের আবহ।
পুনঃপ্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠানকে ঘিরে বিশেষ ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। মেলা কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষ্ণুপুর ব্লকের বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রায় ৩ হাজারেরও বেশি মহিলা কলসি হাতে তারকেশ্বর নদী থেকে পবিত্র জল নিয়ে এসে মন্দির চত্বর শুদ্ধ করবেন। সেই সঙ্গে শুরু হবে যজ্ঞ, হোম ও অন্যান্য ধর্মীয় আচার। ভূমি শুদ্ধিকরণ থেকে শুরু করে মন্দিরের পূজা-পাঠ সম্পন্ন হবে তারকেশ্বর থেকে আগত প্রায় কুড়িজন ব্রাহ্মণের উপস্থিতিতে। এই অনুষ্ঠানে লক্ষাধিক ভক্তের সমাগম হতে পারে বলে আশাবাদী আয়োজকরা।
ঐতিহাসিক গুরুত্বে ভরপুর এই ষাঁড়েশ্বর মন্দির বর্তমানে আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (এএসআই)-এর অধীনে রয়েছে। ইতিহাস অনুযায়ী, ১৩৪৬ সালে বিষ্ণুপুরের ৩৭তম মল্ল রাজা পৃথ্বী মল্ল এই মন্দির নির্মাণ করেন। ল্যাটেরাইট পাথরে তৈরি মন্দিরের পাশ দিয়ে প্রবাহিত কানাই নদী। নদীর জল, ভূমিকম্প ও বজ্রাঘাতের প্রভাবে মন্দিরের একাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ফাটল দেখা দেয়।
এরপর মন্দিরের সমস্ত পাথর খুলে নতুন করে সংস্কারের কাজ শুরু হয়। সেই সময় পুরোহিত নিয়মিত পূজা করলেও সাধারণ মানুষের প্রবেশ নিষিদ্ধ ছিল। বর্তমানে মন্দিরের মূল সংস্কার কাজ প্রায় শেষ। তবে চত্বরের প্রাচীর নির্মাণের কাজ এখনও চলছে। ধাপে ধাপে বাকি কাজও সম্পূর্ণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, এতদিন বাবা কালভৈরব পাশের শৈল্লেশ্বর মন্দিরে অবস্থান করছিলেন। পুনঃপ্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আবার তাঁকে ষাঁড়েশ্বর মন্দিরে ফিরিয়ে আনা হবে। ১৯ ফেব্রুয়ারি মন্দির প্রাঙ্গণে মহামৃত্যুঞ্জয় যজ্ঞ অনুষ্ঠিত হবে এবং ভক্তদের জন্য খিচুড়ি প্রসাদের ব্যবস্থাও থাকবে।
মেলা কমিটির দাবি, বিগত কয়েক বছর ধরে বন্ধ থাকা চৈত্র মাসের গাজন উৎসবও চলতি বছর থেকে আবার শুরু হবে। শতাব্দীপ্রাচীন এই মন্দিরকে ঘিরে মানুষের বিশ্বাস, আবেগ ও ভক্তি আজও অটুট—যা দূর-দূরান্ত থেকে ভক্তদের টেনে আনে।

আরও পড়ুন-

শোকের পাহাড় বুকে চেপে কর্তব্যের কাঠগড়ায়, নিথর স্ত্রী-সন্তানকে মর্গে রেখেই শুনানিতে শিক্ষক;

আমেরিকার পর এবার পশ্চিম এশিয়া! আরও ছ’টি দেশের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তির পথে নয়া দিল্লি

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর