ব্রেকিং
  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • সেলিম-হুমায়ুন বৈঠক ‘ভুল বার্তা’, তরুণ নেতাদের সতর্ক করল দল

সেলিম-হুমায়ুন বৈঠক ‘ভুল বার্তা’, তরুণ নেতাদের সতর্ক করল দল

নয়া জামানা ডেস্ক : ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে বৈঠক করে দলে ও জোটে কার্যত কোণঠাসা রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। বুধবার আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর বৈঠকে শীর্ষ নেতৃত্ব তাঁকে স্পষ্ট জানিয়ে দিল, এই সাক্ষাৎ জনমানসে মোটেই ভাল বার্তা দেয়নি। বিশেষত....

সেলিম-হুমায়ুন বৈঠক ‘ভুল বার্তা’, তরুণ নেতাদের সতর্ক করল দল

নয়া জামানা ডেস্ক : ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে বৈঠক করে দলে ও জোটে কার্যত কোণঠাসা....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

নয়া জামানা ডেস্ক : ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে বৈঠক করে দলে ও জোটে কার্যত কোণঠাসা রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। বুধবার আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর বৈঠকে শীর্ষ নেতৃত্ব তাঁকে স্পষ্ট জানিয়ে দিল, এই সাক্ষাৎ জনমানসে মোটেই ভাল বার্তা দেয়নি। বিশেষত উদ্বাস্তু এলাকাগুলিতে দলের ভাবমূর্তিতে বড়সড় ধাক্কা লেগেছে বলে মনে করছেন নেতারা। পরিস্থিতি সামাল দিতে এবার তরুণ নেতাদের প্রকাশ্য ‘বাকযুদ্ধ’ থামানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিপিএম। আলিমুদ্দিনের বার্তা খুব পরিষ্কার— দল ও নীতির ঊর্ধ্বে ব্যক্তি নয়। গত বুধবার নিউটাউনের এক হোটেলে হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে সেলিমের বৈঠকের খবর চাউর হতেই সিপিএমের অন্দরে তোলপাড় শুরু হয়। রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর বৈঠকে সিংহভাগ সদস্যই সেলিমের পদক্ষেপ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। নেতাদের সাফ কথা, ‘হুমায়ুন হইতে দূরে থাকুন’। এক সময়ে কংগ্রেস, তার পর তৃণমূল, বিজেপি এবং ফের তৃণমূলে ফেরা হুমায়ুনের রাজনৈতিক বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা। বর্তমানে ভরতপুরের বিধায়ককে তৃণমূল নিলম্বিত করলেও তিনি খাতায়-কলমে শাসক দলেরই সদস্য। বেলডাঙায় তাঁর মসজিদ নির্মাণ থেকে শুরু করে লোকসভা ভোটের আগে বিতর্কিত মন্তব্য— সব মিলিয়ে এমন এক ব্যক্তিত্বের সঙ্গে বামপন্থী শীর্ষ নেতার সাক্ষাৎ বামফ্রন্টের অন্দরেও অস্বস্তি বাড়িয়েছে। সূত্রের খবর, বৈঠকে সেলিম নিজের সপক্ষে যুক্তি দিয়ে জানান যে তিনি কেবল হুমায়ুনের ‘মন’ বুঝতে গিয়েছিলেন। কোনও সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত নিতে যাননি। তবে সম্পাদকমণ্ডলীর এক নেতার কথায়, ‘সরাসরি না-বললেও সেলিমদার মনোভাবে বোঝা গিয়েছে, একটা বৈঠকের অভিঘাত এই রকম হবে, তা তাঁর বোঝাপড়ার মধ্যে ছিল না।’ শুধু বাম শরিকরাই নয়, সিপিআইএমএল (লিবারেশন)-এর সাধারণ সম্পাদক দীপঙ্কর ভট্টাচার্যও বুধবার প্রশ্ন তুলেছেন, ‘হুমায়ুনের সঙ্গে দেখা কেন করলেন, জানি না। সেলিমই বলতে পারবেন।’

বিতর্কের আগুন আরও উস্কে দিয়েছেন দলের তরুণ নেতারা। রাজ্য কমিটির এক তরুণ সদস্য সংবাদমাধ্যমে সেলিমের হয়ে সওয়াল করে বলেছিলেন, সেলিম যা করেছেন, বেশ করেছেন। দরকার হলে আবার বৈঠক করবেন। সব নৈতিকতার ‘ঠেকা’ একা সিপিএম নিয়ে বসে নেই। এর পাল্টা জবাবে অন্য এক নেতা ফেসবুকে লেখেন, ‘নীতি নৈতিকতা ছাড়া, আর যা-ই হোক, কমিউনিস্ট পার্টি হয় না।’ এই প্রকাশ্য কাদা ছোড়াছুড়ি নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আলিমুদ্দিন। রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলী মনে করছে, নেতাদের পক্ষ নিতে গিয়ে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। তাই ওই তরুণ নেতাদের ডেকে যথাযথ ‘বার্তা’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বামফ্রন্টের বৈঠকের আগে এই অভ্যন্তরীণ ড্যামেজ কন্ট্রোল সিপিএমের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর