ব্রেকিং
  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • বাঁকুড়ার মুকুটমণিপুরে বিশ্ব জলাভূমি দিবস উদযাপন, পাখি গণনায় চমক!

বাঁকুড়ার মুকুটমণিপুরে বিশ্ব জলাভূমি দিবস উদযাপন, পাখি গণনায় চমক!

রাখি গরাই, নয়া জামানা,বাঁকুড়া: বিশ্ব জলাভূমি দিবস উপলক্ষে বাঁকুড়া দক্ষিণ বন বিভাগের উদ্যোগে মুকুটমণিপুর পর্যটনকেন্দ্রে আজ একটি বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে স্থানীয় বাসিন্দা, নৌকা চালক এবং বিভিন্ন পেশার মানুষ অংশ নেন। বন দফতরের কর্মকর্তারা বলেন, এই দিবসটি....

বাঁকুড়ার মুকুটমণিপুরে বিশ্ব জলাভূমি দিবস উদযাপন, পাখি গণনায় চমক!

রাখি গরাই, নয়া জামানা,বাঁকুড়া: বিশ্ব জলাভূমি দিবস উপলক্ষে বাঁকুড়া দক্ষিণ বন বিভাগের উদ্যোগে মুকুটমণিপুর পর্যটনকেন্দ্রে আজ....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

রাখি গরাই, নয়া জামানা,বাঁকুড়া: বিশ্ব জলাভূমি দিবস উপলক্ষে বাঁকুড়া দক্ষিণ বন বিভাগের উদ্যোগে মুকুটমণিপুর পর্যটনকেন্দ্রে আজ একটি বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে স্থানীয় বাসিন্দা, নৌকা চালক এবং বিভিন্ন পেশার মানুষ অংশ নেন। বন দফতরের কর্মকর্তারা বলেন, এই দিবসটি মূলত সকলকে জলাধার ও জলাভূমি সংরক্ষণ সম্পর্কে সচেতন করার জন্য পালিত হয়। এদিন জলাধারে জলের অপচয় কমানোর উপায়, পরিবেশের সুরক্ষা এবং স্থানীয় জীববৈচিত্র্যের গুরুত্ব সম্পর্কে সকলকে জানানো হয়।
একই সঙ্গে পাখি ও বন্যপ্রাণ গবেষণা সংস্থার সহযোগিতায় মুকুটমণিপুর জলাধারে পাখি গণনার কাজও সম্পন্ন করা হয়। শীতকালীন মরসুমে এই জলাধারে দেশ-বিদেশের নানা প্রজাতির পরিযায়ী পাখি আসে। তবে এবছর কিছু প্রজাতির পাখির সংখ্যা কম লক্ষ্য করা গেছে।
বাঁকুড়া দক্ষিণ বন বিভাগের এডিএফও অসিত দাস জানান, “প্রতিবছরের মতো এবছরও বিশ্ব জলাভূমি দিবসে মুকুটমণিপুর জলাধারে বিভিন্ন প্রজাতির পাখি দেখা গেছে। তবে কিছু প্রজাতির সংখ্যা কম হওয়ায় আমাদের সতর্ক হওয়া উচিত। জলাধারে মোটর চালিত নৌকার শব্দ, ফিশিং নেট এবং খাদ্যের অভাব এর মূল কারণ হতে পারে। এগুলো ঠিক করা গেলে আগামী দিনে আরও বেশি পরিযায়ী পাখির আগমন হবে।”
অন্যদিকে, পাখি ও বন্যপ্রাণ নিয়ে গবেষণা সংস্থার সদস্য ডঃ অর্কজ্যোতি মুখার্জি জানান, এবছরের সমীক্ষায় বারগেড গুজ, গেডওয়াল, বিভিন্ন প্রজাতির সোয়ালো এবং তানসহ কয়েকটি নতুন প্রজাতির পাখি দেখা গেছে। তবে এবছর ছোট সরাল পাখির সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। তিনি আরও জানান, সামগ্রিকভাবে এবছর পাখির সংখ্যা গত বছরের তুলনায় কম এবং কিছু পরিচিত প্রজাতি এবছর দেখা যায়নি।
এই কর্মসূচি শুধু পরিবেশ সচেতনতার দিক দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নয়, বরং স্থানীয় পর্যটন ও গবেষণার জন্যও মুকুটমণিপুর জলাধারের গুরুত্ব তুলে ধরে। বন বিভাগের officials আশা করছেন, ভবিষ্যতে সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে আরও বেশি পাখি এবং জীববৈচিত্র্য ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর