ব্রেকিং
  • Home /
  • রাজ্য /
  • দামোদরের বুকে যুদ্ধের ছায়া, নিষ্ক্রিয় তিন মর্টার শেল

দামোদরের বুকে যুদ্ধের ছায়া, নিষ্ক্রিয় তিন মর্টার শেল

রাখি গরাই, নয়া জামানা, বিষ্ণুপুর: বাঁকুড়া জেলার সোনামুখী থানার অন্তর্গত ডিহিপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের রাঙামাটি ফেরিঘাট সংলগ্ন দামোদর নদীর চরে ফের উঠে এল যুদ্ধের স্মৃতি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার বলে অনুমান করা তিনটি মর্টার শেল বুধবার সফলভাবে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। পানাগড় সেনাবাহিনী,....

দামোদরের বুকে যুদ্ধের ছায়া, নিষ্ক্রিয় তিন মর্টার শেল

রাখি গরাই, নয়া জামানা, বিষ্ণুপুর: বাঁকুড়া জেলার সোনামুখী থানার অন্তর্গত ডিহিপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের রাঙামাটি ফেরিঘাট সংলগ্ন....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

রাখি গরাই, নয়া জামানা, বিষ্ণুপুর: বাঁকুড়া জেলার সোনামুখী থানার অন্তর্গত ডিহিপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের রাঙামাটি ফেরিঘাট সংলগ্ন দামোদর নদীর চরে ফের উঠে এল যুদ্ধের স্মৃতি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার বলে অনুমান করা তিনটি মর্টার শেল বুধবার সফলভাবে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। পানাগড় সেনাবাহিনী, বোম্ব স্কোয়াড এবং পুলিশ প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে কঠোর নিরাপত্তা বিধি মেনে এই অভিযান সম্পন্ন হয়।
ঘটনার সূত্রপাত গত ২ ফেব্রুয়ারি। রাঙামাটি থেকে ছিলিমপুর যাওয়ার পথে দামোদর নদীর মাঝামাঝি বালির চরে অস্বাভাবিক ধাতব বস্তু দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রথমে কৌতূহল তৈরি হলেও বিষয়টির গুরুত্ব বুঝে দ্রুত তা জানানো হয় সোনামুখী থানায়। খবর পেয়ে পুলিশ প্রশাসন তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, নদী থেকে বালি তোলার কাজ চলাকালীন জেসিবি মেশিন দিয়ে খোঁড়াখুঁড়ির সময় বালির নিচ থেকে তিনটি মর্টার শেল বেরিয়ে আসে। পুলিশের অনুমান, এগুলি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার অবিস্ফোরিত অস্ত্র। সম্ভাব্য বিপদের কথা মাথায় রেখে গোটা এলাকা ঘিরে ফেলা হয়। শেলগুলিকে বালির বস্তা দিয়ে ঢেকে নিরাপদভাবে রাখা হয় এবং বোম্ব স্কোয়াড ও পানাগড় সেনাবাহিনীকে খবর দেওয়া হয়।
বুধবার বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থার মধ্যে রাঙামাটি ফেরিঘাট সংলগ্ন এলাকায় মর্টার শেলগুলি নিষ্ক্রিয় করা হয়। অভিযানের সময় উপস্থিত ছিলেন সোনামুখী থানার আইসি, বিষ্ণুপুর মহকুমার এসডিপিও এবং পানাগড় সেনাবাহিনীর কর্নেল পদমর্যাদার আধিকারিকরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নিয়ে গিয়ে পুরো কাজ সম্পন্ন করা হয়।
উল্লেখযোগ্যভাবে, এই প্রথম নয়। এর আগেও ২০১৫ সালের অক্টোবর মাসে পাত্রসায়ের থানা এলাকার দামোদর নদীর চরে একাধিক মর্টার শেল উদ্ধার হয়েছিল, সেগুলিও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার বলে চিহ্নিত হয়। বারবার একই নদীচরে যুদ্ধকালীন অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় নতুন করে প্রশ্ন উঠছে—দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় কি দামোদর নদী সংলগ্ন এলাকায় কোনও সামরিক ঘাঁটি, অস্ত্র ভাণ্ডার বা সামরিক মহড়ার কেন্দ্র ছিল? এই ঘটনার পর সেই ইতিহাস ঘিরে কৌতূহল আরও বেড়েছে।

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর