নয়া জামানা ডেস্ক : দীর্ঘ দেড় বছরের রক্তক্ষয়ী হিংসা কাটিয়ে অবশেষে ছন্দে ফিরছে মণিপুর? আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসনের মেয়াদ শেষ হতে চলেছে। এই পরিস্থিতিতে নতুন করে রাষ্ট্রপতি শাসনের মেয়াদ না বাড়িয়ে, গণতান্ত্রিক উপায়ে সরকার গড়তে তৎপরতা শুরু করেছে বিজেপি নেতৃত্ব। সোমবার দিল্লিতে এনডিএ বিধায়কদের জরুরি তলব করে ম্যারাথন বৈঠক সেরেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় জেনারেল সেক্রেটারি তথা মণিপুরের নবনিযুক্ত পর্যবেক্ষক তরুণ চুগ।
সূত্রের খবর, রাজ্যে জাতিগত সংঘাত চিরতরে মেটাতে এক অভিনব ‘পাওয়ার শেয়ারিং’ ফর্মুলা সাজিয়েছে কেন্দ্র। পরিকল্পনা অনুযায়ী, মেতেই সম্প্রদায় থেকে বেছে নেওয়া হবে মুখ্যমন্ত্রী এবং কুকি সম্প্রদায় থেকে নিযুক্ত করা হবে উপমুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রী পদের দৌড়ে উঠে আসছে বিধানসভার স্পিকার সত্যব্রত সিং, প্রাক্তন মন্ত্রী টি এইচ বিশ্বজিৎ সিং এবং কে গোবিন্দ দাসের নাম। অন্যদিকে, কুকি সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল যে, সরকারে পর্যাপ্ত প্রতিনিধিত্ব না থাকলে তারা তা মেনে নেবে না। সেই দাবিকে মান্যতা দিয়েই উপমুখ্যমন্ত্রী পদের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
২০২৩ সাল থেকে চলা সংঘর্ষে ৩০০-র বেশি মানুষের মৃত্যু এবং লক্ষাধিক মানুষের ঘরছাড়া হওয়ার দায় নিয়ে গত বছর ৯ ফেব্রুয়ারি ইস্তফা দিয়েছিলেন এন বীরেন সিং। এরপরই জারি হয় রাষ্ট্রপতি শাসন। বর্তমানে পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় বিধায়করা চাইছেন ২০২৭ সাল পর্যন্ত বাকি মেয়াদে নতুন সরকার কাজ করুক। তবে কিছু বিধায়ক মণিপুরকে বিধানসভা-সহ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার প্রস্তাবও দিয়েছেন।