ব্রেকিং
  • Home /
  • মহানগর /
  • গণনায় কড়া পাহারা, তথ্য ফাঁসে বড় শাস্তি

গণনায় কড়া পাহারা, তথ্য ফাঁসে বড় শাস্তি

নয়া জামানা ডেস্ক : ভোটগণনা শুরুর আগেই জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের (ডিইও) চরম হুঁশিয়ারি দিল নির্বাচন কমিশন। গণনাকর্মীদের ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর কোনোভাবেই প্রকাশ্যে আনা যাবে না। এই নির্দেশ অমান্য করলেই কড়া পদক্ষেপের মুখে পড়তে হবে সংশ্লিষ্টদের। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও)....

গণনায় কড়া পাহারা, তথ্য ফাঁসে বড় শাস্তি

নয়া জামানা ডেস্ক : ভোটগণনা শুরুর আগেই জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের (ডিইও) চরম হুঁশিয়ারি দিল নির্বাচন কমিশন।....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা ডেস্ক : ভোটগণনা শুরুর আগেই জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের (ডিইও) চরম হুঁশিয়ারি দিল নির্বাচন কমিশন। গণনাকর্মীদের ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর কোনোভাবেই প্রকাশ্যে আনা যাবে না। এই নির্দেশ অমান্য করলেই কড়া পদক্ষেপের মুখে পড়তে হবে সংশ্লিষ্টদের। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজকুমার আগরওয়াল স্পষ্ট জানিয়েছেন, গণনাকেন্দ্রের নিরাপত্তায় বিন্দুমাত্র ঢিলেমি বরদাস্ত করা হবে না। ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয়ের প্রতি স্তরেই থাকবে কড়া নজরদারি। এক স্তরের গাফিলতির দায় বর্তাবে অন্য স্তরের ওপর। রিটার্নিং অফিসারের বিশেষ অনুমতি ছাড়া গণনাকেন্দ্র ছাড়তে পারবেন না কাউন্টিং এজেন্টরাও। কমিশন সূত্রে জানানো হয়েছে, গণনাকক্ষের ভেতর ডিজিটাল নজরদারি এড়িয়ে ফোনের ব্যবহার রুখতে নেওয়া হয়েছে বাড়তি সতর্কতা। নিয়ম অনুযায়ী, কক্ষের ভেতরে শুধুমাত্র পর্যবেক্ষক এবং রিটার্নিং অফিসারই মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন। বাকি সবার জন্য সেখানে ফোন নিয়ে ঢোকা নিষিদ্ধ। এবারের গণনায় মাইক্রো অবজার্ভারদের ভূমিকাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফর্ম-১৭সি-টু অনুযায়ী ফলাফল নথিভুক্ত করবেন কাউন্টিং সুপারভাইজররা। সেখানে কাউন্টিং এজেন্টদের সই নেওয়া বাধ্যতামূলক। এর পাশাপাশি মাইক্রো অবজার্ভাররা প্রতিটি টেবিলের ফলাফল আলাদাভাবে লিখে রাখবেন। স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই এই দ্বিমুখী পদ্ধতি নেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশের সংমিশ্রণে তৈরি করা হয়েছে দুর্ভেদ্য বলয়। কমিশন মোট ২৪২ জন পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে, যার মধ্যে রয়েছেন ৭৭ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক। তবে এই পুলিশ পর্যবেক্ষকদের কাজ সীমাবদ্ধ থাকবে গণনাকেন্দ্রের বাইরের আইনশৃঙ্খলার তদারকিতে। সিইও দফতর থেকে জানানো হয়েছে, ‘কোনও অবস্থাতেই পুলিশ পর্যবেক্ষকেরা গণনাকক্ষের ভিতরে প্রবেশ করতে পারবেন না।’ তাঁরা বাইরে থেকে অন্য নির্বাচনী কর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রেখে কাজ করবেন। নিরাপত্তার প্রোটোকল ভাঙলে সরাসরি আধিকারিকদেরই দায় নিতে হবে। সিইও রবিবারের নির্দেশিকায় ডিইও-দের কড়া বার্তা দিয়েছেন। কমিশনের লক্ষ্য একটাই—কোনোভাবেই যাতে গণনার গোপনীয়তা ও শৃঙ্খলা বিঘ্নিত না হয়। ‘গণনাকেন্দ্রের নিরাপত্তায় কোনও রকম ঢিলেমি সহ্য করা হবে না’—মনোজকুমার আগরওয়ালের এই সতর্কবার্তাই এখন জেলা প্রশাসনগুলোর মূল মন্ত্র। সব মিলিয়ে কঠোর নজরদারিতেই সোমবারের ফল ঘোষণার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন। ফাইল ফটো।


অশান্তি রুখতে তৎপর কমিশন, কড়া বার্তা ডিএম-এসপিদের

 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর