ব্রেকিং
  • Home /
  • মহানগর /
  • ভোটার তালিকা প্রকাশে সুপ্রিম, কোর্টের বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ, কমিশনকে চিঠি দিল অভিষেক

ভোটার তালিকা প্রকাশে সুপ্রিম, কোর্টের বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ, কমিশনকে চিঠি দিল অভিষেক

নয়া জামানা ডেস্ক : ভোটার তালিকা প্রকাশে সুপ্রিম কোর্টের অবমাননা করা হচ্ছে, এই অভিযোগে নির্বাচন কমিশনকে কড়া চিঠি দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং রাজ্যের সিইও-কে পাঠানো চিঠিতে অভিষেক দাবি করেছেন, তালিকায় স্বচ্ছতার অভাব....

ভোটার তালিকা প্রকাশে সুপ্রিম, কোর্টের বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ, কমিশনকে চিঠি দিল অভিষেক

নয়া জামানা ডেস্ক : ভোটার তালিকা প্রকাশে সুপ্রিম কোর্টের অবমাননা করা হচ্ছে, এই অভিযোগে নির্বাচন কমিশনকে....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা ডেস্ক : ভোটার তালিকা প্রকাশে সুপ্রিম কোর্টের অবমাননা করা হচ্ছে, এই অভিযোগে নির্বাচন কমিশনকে কড়া চিঠি দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং রাজ্যের সিইও-কে পাঠানো চিঠিতে অভিষেক দাবি করেছেন, তালিকায় স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, শীর্ষ আদালতের গাইডলাইন মেনে প্রতিদিনের ভিত্তিতে পরিপূরক তালিকা প্রকাশ করছে না কমিশন। যার ফলে ভোটাররা বিভ্রান্ত হচ্ছেন। অন্যদিকে, সিইও দফতর জানিয়েছে, ভোটার বাদ দেওয়ার যে তথ্য নিয়ে বিতর্ক দানা বেঁধেছে, তার সিংহভাগই স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ প্রশ্ন তুলেছেন, দাবি ও আপত্তির নিষ্পত্তির পর যে তালিকা তৈরি হচ্ছে, তা কেন প্রতিদিন সামনে আনা হচ্ছে না? তৃণমূলের দাবি, সুপ্রিম কোর্টের স্পষ্ট নির্দেশ ছিল চূড়ান্ত তালিকার পাশাপাশি প্রতিদিনের পরিপূরক তালিকা প্রকাশ করতে হবে। অভিষেক চিঠিতে লিখেছেন, ‘সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী দাবি-আপত্তি নিষ্পত্তির ভিত্তিতে প্রস্তুত হওয়া পরিপূরক ভোটার তালিকা প্রতি দিন প্রকাশ করা প্রয়োজন, যাতে সাধারণ ভোটার এবং রাজনৈতিক দলগুলি পুরো প্রক্রিয়া সম্পর্কে অবগত থাকতে পারে।’ তাঁর অভিযোগ, বর্তমান ব্যবস্থায় সাধারণ মানুষের জানার উপায় নেই কোন আবেদনের প্রেক্ষিতে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এমনকি, আধিকারিকদের পোর্টালে সাধারণের প্রবেশাধিকার নেই বলেও তিনি সরব হয়েছেন।

অভিষেকের চিঠিতে সাফ জানানো হয়েছে, যাঁদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, তাঁদের সঠিক কারণ দর্শাতে হবে। তিনি লিখেছেন, ‘যে সব ক্ষেত্রে কোনও ভোটারের নাম অন্তর্ভুক্ত করার আবেদন খারিজ করা হয়েছে বা নাম বাদ দেওয়া হয়েছে, সেই ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে স্পষ্ট কারণ জানানো প্রয়োজন।’ এতে ভোটাররা আইনি পথ বেছে নেওয়ার সুযোগ পাবেন বলে তাঁর মত। অভিষেকের দাবি, কমিশনকে দ্রুত ঘোষণা করতে হবে যে, পরিপূরক তালিকায় থাকা ভোটাররা ২০২৬ সালের মূল ভোটার তালিকারই অংশ।

পাল্টা যুক্তি দিয়েছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর। সিইও অফিসের বক্তব্য, তালিকায় নাম বাদ যাওয়ার সংখ্যাটি ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। তাঁদের দাবি, তথাকথিত ৫ লক্ষ ৩৮ হাজার ৩২০টি ডিলিশন বা বাদ যাওয়ার মধ্যে অধিকাংশই ‘অটো জেনারেটেড ফর্ম-৭’। এই স্বয়ংক্রিয় ফর্ম তখনই তৈরি হয় যখন দেখা যায় কোনও ব্যক্তি চূড়ান্ত তালিকার যোগ্য নন। সাধারণ ভাবে আবেদন করে নাম বাদ দেওয়ার সংখ্যাটি রাজ্যে মাত্র ৭,৭৩৩। উল্লেখ্য, শুক্রবার থেকেই ধর্মতলায় এই ইস্যুতে ধরনায় বসেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সেখান থেকেই কমিশনের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন অভিষেক।


 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর