ব্রেকিং
  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • প্রাণনাশের হুমকি, হাইকোর্টের নির্দেশে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পেলেন হুমায়ুন কবীর

প্রাণনাশের হুমকি, হাইকোর্টের নির্দেশে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পেলেন হুমায়ুন কবীর

নয়া জামানা, ভরতপুর : শেষমেশ আদালতের হস্তক্ষেপে আঁটসাঁট নিরাপত্তার ঘেরাটোপে মুড়ে দেওয়া হল জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান তথা ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে। শুক্রবার থেকে তাঁর সুরক্ষায় মোতায়েন করা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের প্রায় দেড় মাস পর ওয়াই....

প্রাণনাশের হুমকি, হাইকোর্টের নির্দেশে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পেলেন হুমায়ুন কবীর

নয়া জামানা, ভরতপুর : শেষমেশ আদালতের হস্তক্ষেপে আঁটসাঁট নিরাপত্তার ঘেরাটোপে মুড়ে দেওয়া হল জনতা উন্নয়ন পার্টির....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা, ভরতপুর : শেষমেশ আদালতের হস্তক্ষেপে আঁটসাঁট নিরাপত্তার ঘেরাটোপে মুড়ে দেওয়া হল জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান তথা ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে। শুক্রবার থেকে তাঁর সুরক্ষায় মোতায়েন করা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের প্রায় দেড় মাস পর ওয়াই প্লাস ক্যাটাগরির এই নিরাপত্তা পেলেন তিনি। আর কেন্দ্রীয় বাহিনী হাতে পেতেই বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন হুমায়ুন। তাঁর দাবি, উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র এবং বাংলার বিজেপি নেতারা তাঁকে প্রাণে মারার হুমকি দিচ্ছেন। শুক্রবার সকালে হুমায়ুনের কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় জওয়ানরা এসে পৌঁছলে শুরু হয় নতুন জল্পনা। নিরাপত্তা পেয়েই বিস্ফোরক মেজাজে বিধায়ক বলেন, ‘যেদিন থেকে ‘বাবরি মসজিদ’ তৈরি করার কথা ঘোষণা করেছি, সেদিন থেকে উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্রের এবং রাজ্যের বেশ কয়েকজন বিজেপি নেতা আমাকে প্রাণে মারার হুমকি দিচ্ছে। তাই আমি কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করেছিলাম কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা চেয়ে। আজ প্রায় একমাস পর আমি ওয়াই প্লাস নিরাপত্তা পেলাম।’ জেলা রাজনীতিতে এখন আলোচনার কেন্দ্রে এই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা। মুর্শিদাবাদের একমাত্র রাজনৈতিক ব্যক্তি হিসেবে তিনি এই বিশেষ সুরক্ষা পাচ্ছেন। ঘটনার সূত্রপাত গত ১৯ জানুয়ারি। বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের সিঙ্গল বেঞ্চ হুমায়ুনকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে নিরাপত্তা চেয়ে আবেদনের অনুমতি দেন। আদালতের নির্দেশ ছিল, আবেদনের দুই সপ্তাহের মধ্যে কেন্দ্রকে এ নিয়ে সিদ্ধান্ত জানাতে হবে। সেই অনুযায়ী কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক তাঁকে ওয়াই প্লাস স্তরের নিরাপত্তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। যদিও এই নিরাপত্তা নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে জেলাজুড়ে। তৃণমূল শিবিরের দাবি, বিজেপির সঙ্গে গোপন আঁতাতের পুরস্কার হিসেবেই এই নিরাপত্তা জুটেছে হুমায়ুনের কপালে। তৃণমূলের বহরমপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অপূর্ব সরকার সরাসরি তোপ দেগে বলেন, ‘সবই বিজেপির বদান্যতায় হয়েছে। হুমায়ুনকে তৃণমূলের ভোট কাটার জন্য আসরে নামিয়েছে বিজেপি। ওয়াই প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা তারই উপঢৌকন।’ পিছিয়ে নেই কংগ্রেসও। জেলা কংগ্রেসের মুখপাত্র জয়ন্ত দাস মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, অতীতে তৃণমূল নেত্রীর হয়ে চিত্রনাট্য লেখার কথা হুমায়ুন নিজেই কবুল করেছিলেন। এবারের স্ক্রিপ্ট কার লেখা, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। পাল্টা জবাব দিয়েছে গেরুয়া শিবিরও। বিজেপির রাজ্য কমিটির সম্পাদক শাখারভ সরকার বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লি গেলে দিল্লি পুলিশ সিকিউরিটি দেয়। অমিত শাহ বাংলায় এলে রাজ্য পুলিশ সিকিউরিটি দেয়। হুমায়ুন সিকিউরিটি পেয়েছে হাইকোর্টের নির্দেশে। এর সঙ্গে কোন সমঝতার বিষয় নেই।’ উল্লেখ্য, ‘বাবরি মসজিদ’ তৈরির ঘোষণার পর থেকেই হুমায়ুন দাবি করছিলেন, অচেনা নম্বর থেকে তাঁকে খুনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এই মর্মে তিনি পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ জানিয়েও কোনো সুরাহা পাননি বলে অভিযোগ। এমনকি হায়দরাবাদ থেকে আনা বেসরকারি নিরাপত্তারক্ষীদেরও পুলিশ ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছিল। সব মিলিয়ে দীর্ঘ টালবাহানার পর অবশেষে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে নিশ্চিন্ত হলেন ভরতপুরের এই ‘বিদ্রোহী’ নেতা। ছবি সংগৃহিত ।


 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর