ব্রেকিং
  • Home /
  • মহানগর /
  • হাইকোর্টের রায়ে বড় মোড় সুপ্রিম কোর্টে! ফের অনিশ্চয়তা ৩২ হাজার শিক্ষকের চাকরি

হাইকোর্টের রায়ে বড় মোড় সুপ্রিম কোর্টে! ফের অনিশ্চয়তা ৩২ হাজার শিক্ষকের চাকরি

নয়া জামানা ডেস্ক : বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক প্রাক্কালে ফের বিপাকে প্রাথমিকের ৩২ হাজার শিক্ষকের ভাগ্যে। কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের রক্ষাকবচকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে এবার দেশের শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হলেন মূল মামলাকারীরা। সুপর্ণা নস্কর-সহ চাকরিপ্রার্থীদের একাংশ সুপ্রিম কোর্টে স্পেশ্যাল লিভ পিটিশন (এস.এল.পি....

হাইকোর্টের রায়ে বড় মোড় সুপ্রিম কোর্টে! ফের অনিশ্চয়তা ৩২ হাজার শিক্ষকের চাকরি

নয়া জামানা ডেস্ক : বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক প্রাক্কালে ফের বিপাকে প্রাথমিকের ৩২ হাজার শিক্ষকের ভাগ্যে। কলকাতা....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা ডেস্ক : বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক প্রাক্কালে ফের বিপাকে প্রাথমিকের ৩২ হাজার শিক্ষকের ভাগ্যে। কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের রক্ষাকবচকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে এবার দেশের শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হলেন মূল মামলাকারীরা। সুপর্ণা নস্কর-সহ চাকরিপ্রার্থীদের একাংশ সুপ্রিম কোর্টে স্পেশ্যাল লিভ পিটিশন (এস.এল.পি ) দাখিল করেছেন। তাঁদের স্পষ্ট অভিযোগ, বিপুল দুর্নীতির হদিশ মেলা সত্ত্বেও কেবল ‘মানবিকতা’র খাতিরে ওই বিপুল সংখ্যক চাকরি বজায় রেখেছে হাইকোর্ট, যা আইনত ভিত্তিহীন। আগামী সপ্তাহেই এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে দিল্লিতে।

মামলাকারীদের পক্ষে জানানো হয়েছে, ২০১৬ সালের প্রাথমিকে নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণহীনদের সুযোগ দেওয়া এবং কোনো অ্যাপটিটিউড টেস্ট না নেওয়ার মতো গুরুতর অনিয়ম হয়েছিল। অভিযোগের আঙুল উঠেছিল নিয়োগের দায়িত্বে থাকা সংস্থা ‘এস বসু রায় অ্যান্ড কোম্পানি’র দিকেও। মামলাকারীদের দাবি, ‘দুর্নীতি করে পাওয়া চাকরি মানবিকতার অজুহাতে বজায় রেখেছে হাইকোর্ট।’ এর আগে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের একক বেঞ্চ যে গণছাঁটাইয়ের নির্দেশ দিয়েছিল, তার সপক্ষে যথেষ্ট নথি ছিল বলেই তাঁদের দাবি। ডিভিশন বেঞ্চ সেই তথ্যপ্রমাণ থাকা সত্ত্বেও কেন চাকরি বহাল রাখল, সেই প্রশ্নই এবার তোলা হয়েছে শীর্ষ আদালতে।

পাল্টা রক্ষাকবচ সাজিয়ে রেখেছেন কর্মরত শিক্ষকরাও। হাইকোর্টের নির্দেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে ইতিমধ্যেই ক্যাভিয়েট ফাইল করেছেন তাঁরা। শিক্ষকদের আবেদন, তাঁদের বক্তব্য না শুনে শীর্ষ আদালত যেন কোনো একতরফা নির্দেশ না দেয়। প্রসঙ্গত, গত ৩ ডিসেম্বর বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি ঋতব্রত কুমার মিত্রের ডিভিশন বেঞ্চ ৩২ হাজার চাকরি বহাল রাখার রায় দিয়েছিল। তাঁদের পর্যবেক্ষণ ছিল, বিপুল দুর্নীতির প্রমাণ সিবিআই তদন্তেও উঠে আসেনি। ৯৬ জন প্রার্থী পাশ না করেও চাকরি পেয়েছিলেন এবং আরও ২৬৪ জনের ক্ষেত্রে অনিয়ম মিলেছিল, যা ৩২ হাজার প্যানেলের সাপেক্ষে অতি নগণ্য। তাই একক বেঞ্চের রায় খারিজ করে দেওয়া হয়েছিল। ২০২৩ সালের ১২ মে থেকে শুরু হওয়া এই আইনি লড়াই এখন এক নতুন মোড়ে দাঁড়িয়ে। দীর্ঘ দুই বছর শুনানির পর হাইকোর্ট যে স্বস্তি দিয়েছিল, সুপ্রিম পিটিশনে তা ফের ধোঁয়াশার মুখে। ২০১৬ সালের সেই নিয়োগ দুর্নীতির ছায়া এবার ২০২৬-এর ভোটের মুখে নতুন করে বড় রাজনৈতিক ও আইনি ইস্যু হয়ে উঠল। দিল্লির রায়েই এখন নির্ধারিত হবে ওই হাজার হাজার শিক্ষকের ভবিষ্যৎ।

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর