ব্রেকিং

হার মানতে নারাজ, সুপ্রিম পথে মমতা

নয়া জামানা ডেস্ক : নির্বাচনে অভাবনীয় হারের পর হার মানতে নারাজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোট লুঠ ও কারচুপির অভিযোগে এবার দেশের সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। বুধবার বিকেলে নবনির্বাচিত বিধায়কদের নিয়ে জরুরি বৈঠকে মমতা সাফ জানিয়েছেন, ১০০টির বেশি আসনে তাঁদের....

হার মানতে নারাজ, সুপ্রিম পথে মমতা

নয়া জামানা ডেস্ক : নির্বাচনে অভাবনীয় হারের পর হার মানতে নারাজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোট লুঠ ও....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা ডেস্ক : নির্বাচনে অভাবনীয় হারের পর হার মানতে নারাজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোট লুঠ ও কারচুপির অভিযোগে এবার দেশের সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। বুধবার বিকেলে নবনির্বাচিত বিধায়কদের নিয়ে জরুরি বৈঠকে মমতা সাফ জানিয়েছেন, ১০০টির বেশি আসনে তাঁদের জোর করে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে। হারের দায় ঝেড়ে ফেলে লড়াইয়ের মেজাজে নেত্রী বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হবে দল নির্বাচন নিয়ে। একত্রিত হয়ে চলার সময় এটা আমাদের।’ মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা না দেওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় মমতা প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক আদালতের দরজায় কড়া নাড়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন। বুধবারের বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে বৈঠকে যোগ দেন ৭১ জন। অনুপস্থিত ৯ বিধায়ককে নিয়ে দলের অন্দরে শুরু হয়েছে তীব্র জল্পনা। বৈঠকে দলীয় শৃঙ্খলার ওপর জোর দিয়ে মমতা একটি কমিটি গড়ে দেন। ডেরেক ও’ব্রায়েন, ফিরহাদ হাকিম, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যদের নিয়ে গঠিত এই কমিটি দলের ভেতরের অন্তর্ঘাত রুখতে কড়া নজরদারি চালাবে। মমতা সাফ জানান, ‘যাঁরা অন্তর্ঘাত করেছেন, তাঁদের নাম দিন। একা আমিও ছিলাম একসময়, ঘুরে দাঁড়িয়েছি। দল ঘুরে দাঁড়াবেই।’ নির্বাচনী বিপর্যয়ের পর মমতা নিজের রাজনৈতিক কৌশলে বদল আনার ইঙ্গিত দিয়েছেন। ভবানীপুরে মাত্র ১৫,১০৫ ভোটে পরাজিত মমতা এখন বিধানসভার বাইরে থেকেই আন্দোলনের সুর বাঁধবেন। মমতা বলেন, ‘আমি গিয়ে পদত্যাগ করব না। রাষ্ট্রপতি শাসন হলে হোক। রেকর্ড থাকুক। ওরা আমাকে বরখাস্ত করুক, আমি চাই, সেই দিনটি হোক একটি কালো দিন।’ একইসঙ্গে নিজের আইনজীবী সত্তাকে হাতিয়ার করে তিনি জানান, ‘নতুন মুখ্যমন্ত্রীর শপথের দিন দলীয় কার্যালয়ে রবীন্দ্র সঙ্গীত বাজাও। আমি, চন্দ্রিমা আবার আদালতে প্র্যাকট্রিস করব।’ বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা কে হবেন, তা নিয়েও এদিন গভীর আলোচনা হয়। বিজেপির জয়কে ‘অনৈতিক’ আখ্যা দিয়ে মমতা সরাসরি তোপ দাগেন নির্বাচন কমিশনের ওপর। তাঁর কথায়, ‘জ্ঞানেশ কুমার হলেন আসল ভিলেন। এই পরিস্থিতিতে সরাসরি যুক্ত আছেন প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী।’ রাজ্যে পরাজয় সত্ত্বেও তৃণমূলের পরবর্তী লক্ষ্য যে ‘দিল্লি’, তা এদিন স্পষ্ট করে দিয়েছেন নেত্রী। ‘ইন্ডিয়া’ জোটের শরিকদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করার বার্তা দিয়েছেন তিনি। ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে ১০ সদস্যের একটি ‘ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং কমিটি’ গড়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বৈঠকে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কর্মীদের আশ্বস্ত করে বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই দল দেখবেন। যেখানে অভিযোগ নিচ্ছে না, সেখানে অনলাইনে অভিযোগ জানান।’ ছবি সংগৃহিত। কালীঘাটে বৈঠকে মমতা, অভিষেক সহ আরও অনেকে।


৯ বছরের অবহেলা, আদালতের চাপে তড়িঘড়ি বিশ্বভারতীর বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণের কাজ

 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর