নয়া জামানা, মিনাখাঁ : বিজেপি করার অপরাধে এক গৃহবধূকে পিটিয়ে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে। মৃতার নাম অদিপ্তা দাস। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিধানসভা নির্বাচনের আগে মিনাখাঁ ব্লকের রাজনৈতিক পারদ চড়তে শুরু করেছে।শনিবার রাতে হাড়োয়া থানা এলাকায় শ্বশুরবাড়ি থেকে অদিপ্তার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। মৃতার বাপের বাড়ির অভিযোগ, ২০২১ সালে তৃণমূল নেতা সুব্রত দাস জোর করে অদিপ্তাকে তুলে নিয়ে গিয়ে নিজের ছেলে রাহুলের সঙ্গে বিয়ে দিয়েছিল। বিয়ের পর থেকেই তাঁর ওপর চলত অকথ্য শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। অদিপ্তার কাকা, জনৈক বিজেপি কর্মী দীপক দাসের দাবি, তাঁরা বিজেপি করেন বলেই পরিকল্পনা করে এই বিয়ে দেওয়া হয়েছিল এবং ক্রমাগত খুনের হুমকি দেওয়া হত। তাঁদের অভিযোগ, শনিবার রাতে রাহুল ও সুব্রত মিলে অদিপ্তাকে পিটিয়ে মেরে প্রমাণ লোপাটের জন্য ঝুলিয়ে দেয়। মৃতার মুখে রক্তের দাগ ছিল বলেও দাবি করেছেন পরিজনরা।
পাল্টা দাবিতে শ্বশুরবাড়ি ও স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্য, এটি নিছকই আত্মহত্যা। তাঁদের দাবি, অদিপ্তা ও রাহুল ভালোবেসেই বিয়ে করেছিল, যা তরুণীর পরিবার মেনে নেয়নি। তৃণমূলের অভিযোগ, আগামী ২৯ তারিখের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাজার গরম করতেই বিজেপি এই ‘মৃত্যু’ নিয়ে রাজনীতি করছে।পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বসিরহাট জেলা হাসপাতালে পাঠিয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত এটি খুন না আত্মহত্যা, সে বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলতে নারাজ প্রশাসন। তবে ভোটের মুখে এক গৃহবধূর রহস্যমৃত্যু এবং তাকে কেন্দ্র করে শাসক-বিরোধী তরজায় রীতিমতো উত্তপ্ত হাড়োয়া। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
নন্দীগ্রামে পুজো মঞ্চ থেকে রাজনৈতিক বার্তা, তৃণমূলকে আক্রমণ করলেন শুভেন্দু অধিকারী