ব্রেকিং
  • Home /
  • মহানগর /
  • বকেয়া ডিএ মেটাতে তৎপর নবান্ন, বুধে জরুরি তলব সাত দফতরকে

বকেয়া ডিএ মেটাতে তৎপর নবান্ন, বুধে জরুরি তলব সাত দফতরকে

নয়া জামানা, কলকাতা : রাজ্যের সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্মী ও পেনশনভোগীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) এবং মহার্ঘ ত্রাণ (ডিআর) মেটানোর প্রক্রিয়া গতিশীল করতে বড় পদক্ষেপ করল নবান্ন। সোমবার অর্থ দফতরের অডিট শাখা থেকে এক জরুরি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। আগামী....

বকেয়া ডিএ মেটাতে তৎপর নবান্ন, বুধে জরুরি তলব সাত দফতরকে

নয়া জামানা, কলকাতা : রাজ্যের সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্মী ও পেনশনভোগীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) এবং....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা, কলকাতা : রাজ্যের সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্মী ও পেনশনভোগীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) এবং মহার্ঘ ত্রাণ (ডিআর) মেটানোর প্রক্রিয়া গতিশীল করতে বড় পদক্ষেপ করল নবান্ন। সোমবার অর্থ দফতরের অডিট শাখা থেকে এক জরুরি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। আগামী বুধবার বিকেল ৪টেয় নবান্নের অর্থ দফতরের কনফারেন্স হলে এই পর্যালোচনা বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। মূলত ২০০৮ সালের এপ্রিল মাস থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া ডিএ এবং ডিআর সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহের কাজ কতদূর এগোল, তা খতিয়ে দেখতেই এই বৈঠক ডাকা হয়েছে। নবান্ন সূত্রে খবর, অর্থ দফতরের অতিরিক্ত মুখ্যসচিব এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন। বৈঠকে উপস্থিত থাকার জন্য উচ্চশিক্ষা, স্কুল শিক্ষা, জনশিক্ষা সম্প্রসারণ ও গ্রন্থাগার পরিষেবা, পুর ও নগরোন্নয়ন, সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা, পরিবহণ এবং পঞ্চায়েত ও গ্রামীণ উন্নয়ন দফতরের শীর্ষ আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি দফতরের প্রধান বা হিসাব শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক এবং আর্থিক উপদেষ্টাকে প্রয়োজনীয় তথ্য-সহ উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। গত ১২ মার্চ একটি চিঠির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের ডিএ ও ডিআর সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের অনুরোধ জানানো হয়েছিল। সেই প্রক্রিয়ার অগ্রগতি পর্যালোচনা করাই এই বৈঠকের মূল লক্ষ্য। প্রশাসনিক মহলের মতে, দীর্ঘদিনের ডিএ বকেয়া ইস্যুতে তথ্য সংগ্রহ ও পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে এই বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ দেওয়ার কাজ শুরু করেছে নবান্ন। বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার ঠিক আগে ১৫ মার্চ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সমাজমাধ্যমে একটি পোস্টে জানিয়েছিলেন, ‘শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী, পঞ্চায়েত, পুরসভা, সরকার অনুমদিত স্বশাসিত সংস্থা এবং সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত সংস্থাগুলিও ডিএ পাওয়ার অধিকারী।’ তিনি আরও ঘোষণা করেছিলেন যে, রোপা ২০০৯ অনুযায়ী বকেয়া ডিএ ২০২৬-এর মার্চ থেকে দেওয়া শুরু হবে। দেশের সর্বোচ্চ আদালত তাদের নির্দেশে চলতি বছর মার্চ এবং আগামী সেপ্টেম্বর মাসে ডিএ মিটিয়ে দেওয়ার সময়সীমা বেঁধে দেয় রাজ্য সরকারকে। সেই মোতাবেক চলতি মাসে পৃথক তিনটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে ডিএ দেওয়ার কাজ শুরু করে অর্থ দফতর। একটি বিশেষ পোর্টাল তৈরি করে এই পদ্ধতিগত কাজ শুরু হয়। গত ২৩ মার্চ একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়, দুই কিস্তিতে নয়, চলতি মার্চ মাসে একবারেই রাজ্য সরকার ডিএ-র অর্থ মিটিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এরপরই একে একে বকেয়া ডিএ-র টাকা দেওয়া শুরু হয়। তবে এই প্রক্রিয়ায় নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, রাজ্য সরকার শুধুমাত্র সরাসরি সরকারি কর্মচারীদেরই ডিএ দিচ্ছে। সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীরা টাকা পেলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-অশিক্ষক কর্মী এবং পঞ্চায়েত ও পুরসভার মতো অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা এখনও বকেয়া ডিএ পাননি। এই বঞ্চনার অভিযোগের মাঝেই নবান্নের এই বৈঠক বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ এই নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ‘রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ হিসাবে যে পরিমাণ অর্থ দেওয়া হয়েছে, তা কোথাও অর্ধেক, কোথাও আবার অর্ধেকের কম, তাই তাঁরা আবার বিষয়টি আদালতে জানাবেন।’ আগামী ১৫ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টে ফের এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে এই বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরা হবে বলে সংগঠনটি জানিয়েছে। যদিও তৃণমূলের কর্মচারী সংগঠন এই অভিযোগ অস্বীকার করে সরকারের পাশেই দাঁড়িয়েছে। এই টানাপোড়েনের আবহে বুধবারের বৈঠকে বকেয়া মেটানোর কোনও সুনির্দিষ্ট পথ বের হয় কি না, সেদিকেই তাকিয়ে সব পক্ষ।


ডিএ জট : সুপ্রিম-আজ্ঞা অমান্য রাজ্যের, রাজ্যকে ‘অবমাননা’র মামলা যৌথ মঞ্চের

 

 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর