নয়া জামানা,কলকাতা : ‘প্রত্যেক বারের মতোই অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ ভোট হবে।’ লালবাজারে নতুন পুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নিয়েই এই বার্তা দিলেন অজয়কুমার নন্দ। সোমবার দুপুরেই তিনি নগরপালের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। কমিশনের নির্দেশে সুপ্রতিম সরকারকে সরিয়ে অজয়কে এই পদে বসানো হয়েছে। দায়িত্ব নেওয়ার পরেই তিনি সাফ জানান, সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করাই পুলিশের বড় চ্যালেঞ্জ। ১৯৯৬ ব্যাচের এই আইপিএস অফিসার মাওবাদী দমনে দক্ষ হিসেবে পরিচিত। এর আগে এসটিএফ-এর প্রথম আইজি এবং আসানসোল-দুর্গাপুরের কমিশনারের দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। লালবাজারে এসেই তিনি সোজা চলে যান ধর্মতলার ডোরিনা ক্রসিংয়ে। সেখানে তখন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে সভা চলছিল। সেই সভার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখেই তিনি আইনশৃঙ্খলা ও ভোট নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন। এদিন শনিবার গিরিশ পার্কে বিজেপি ও তৃণমূলের সংঘর্ষের ঘটনাকে ‘অত্যন্ত খারাপ’ বলে ব্যাখ্যা করেছেন নতুন সিপি। ওই ঘটনায় কড়া পুলিশি ব্যবস্থার ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। অজয় বলেন, ‘পুলিশ ব্যবস্থা নিচ্ছে। আমি যথাযথ খোঁজখবর রাখছি।’ নির্বাচন প্রসঙ্গে তাঁর আশ্বাস, ‘কলকাতা পুলিশ প্রস্তুত রয়েছে। আগেও নির্বাচন হয়েছে। আমাদের ফোর্স আছে। আরও ফোর্স আসছে।’ রাজনৈতিক দল ও আমজনতার নিরপেক্ষতার প্রত্যাশা প্রসঙ্গে অজয় জানান, পুলিশের কিছু ফাঁক থাকতে পারে, তবে সেই আশা পূরণ করাই লক্ষ্য। বাহিনীর উদ্দেশে তাঁর স্পষ্ট বার্তা, ‘পুলিশ বাহিনী কলকাতাবাসীর নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার জন্য দায়বদ্ধ। তেমনই কলকাতার নগরপাল হিসাবে আমার সহকর্মী এবং অফিসারদের আমি বলতে চাই, এখানে ব্যর্থ হতে পারি না।’ অভিজ্ঞ এই পুলিশকর্তা স্পষ্ট বুঝিয়ে দিয়েছেন, তিলোত্তমায় অশান্তি রুখতে তিনি ও তাঁর বাহিনী কোনো আপস করবেন না।
কড়া বার্তা নবান্নের, ডিএ ধর্মঘটের দিন কাজে, না এলে কাটা যাবে বেতন