ব্রেকিং

গ্যাস-সংকটে ফের মোদী, সরকারকে দুষল চন্দ্রিমা

নয়া জামানা, কলকাতা : পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে দেশজুড়ে রান্নার গ্যাসের তীব্র সংকট তৈরি হয়েছে। হু হু করে বাড়ছে দাম। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষকে স্বস্তি দিতে কোমর বেঁধে ময়দানে নামল নবান্ন। বৃহস্পতিবার তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক বৈঠক করে রাজ্যের মন্ত্রী....

গ্যাস-সংকটে ফের মোদী, সরকারকে দুষল চন্দ্রিমা

নয়া জামানা, কলকাতা : পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে দেশজুড়ে রান্নার গ্যাসের তীব্র সংকট তৈরি হয়েছে।....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা, কলকাতা : পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে দেশজুড়ে রান্নার গ্যাসের তীব্র সংকট তৈরি হয়েছে। হু হু করে বাড়ছে দাম। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষকে স্বস্তি দিতে কোমর বেঁধে ময়দানে নামল নবান্ন। বৃহস্পতিবার তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক বৈঠক করে রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য সাফ জানান, আমজনতার দুর্ভোগ কমাতে বাংলার নিজস্ব শোধনাগারগুলি থেকে গ্যাস আপাতত রাজ্যের বাইরে পাঠানো বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। হলদিয়া, কল্যাণী এবং দুর্গাপুরের প্ল্যান্টের গ্যাস এখন শুধুই বাংলার জন্য। গ্যাসের এই হাহাকারের জন্য সরাসরি কেন্দ্রের ‘পরিকল্পনাহীনতা’ ও ‘ব্যর্থতা’কেই দায়ী করেছে রাজ্যের শাসকদল। চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের অভিযোগ, পশ্চিম এশিয়ার উত্তপ্ত পরিস্থিতির জেরে যে হরমুজ প্রণালী দিয়ে সরবরাহ ব্যাহত হতে পারে, তা কেন্দ্রের আগে থেকেই বোঝা উচিত ছিল। তাঁর কথায়, ‘প্রধানমন্ত্রী ইজরায়েল সফরে গেলেও এই সংকট মোকাবিলায় কোনও আগাম মজুত গড়ে তোলার ব্যবস্থা করেনি কেন্দ্র।’ তিনি আরও অভিযোগ করেন, গ্যাস সিলিন্ডারের দাম একধাক্কায় ৬০ টাকা বাড়িয়ে এক হাজার টাকা করা হয়েছে। নতুন বুকিংয়ের জন্য ২৫ দিনের অপেক্ষার সময়সীমা বেঁধে দিয়ে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা তৈরি করা হয়েছে বলে তাঁর দাবি। এই কৃত্রিম সংকটের জেরে জনজীবন কার্যত বিপর্যস্ত। তৃণমূলের দাবি, গ্যাসের অভাবে পুনেতে ১৮টি শ্মশানের কাজ থমকে গিয়েছে। টান পড়েছে হোটেল-রেস্তরাঁর জোগানেও। দলের মুখপাত্র তন্ময় ঘোষ এই পরিস্থিতির সঙ্গে নোটবন্দি ও লকডাউনের ‘অরাজকতার’ তুলনা টেনেছেন। তিনি বলেন, বিজেপি সরকার সাধারণ মানুষকে বারবার লাইনে দাঁড় করাচ্ছে। তবে রাজ্য সরকার সতর্ক। স্কুলগুলোতে মিড-ডে মিল এবং আইসিডিএস কেন্দ্রে রান্না যাতে থমকে না যায়, সেদিকে কড়া নজরদারি চালাচ্ছে প্রশাসন। সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে আগামী ১৪ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর ব্রিগেডের কর্মসূচি নিয়েও সুর চড়িয়েছে ঘাসফুল শিবির। ওই দিন নন্দীগ্রাম দিবস হওয়ায় বিষয়টিকে রাজনৈতিক ভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে তৃণমূল। তন্ময় ঘোষের কটাক্ষ, ভোটের মুখে এই সরকারি ঘোষণা স্রেফ ‘চমক ও দৃশ্যকল্পের রাজনীতি’। একইসঙ্গে তৃণমূলের দিল্লি অভিযানে ট্রেন বাতিলের প্রসঙ্গ টেনে বিজেপির সভার জন্য স্পেশাল ট্রেনের ব্যবস্থা করা নিয়ে কেন্দ্রের দ্বিচারিতার কড়া সমালোচনা করেছেন তৃণমূল নেতৃত্ব।


 

মাক্রোঁ সফরে মোদী ম্যাজিক, লক্ষ্য ১১৪ রাফালের ব্লু প্রিন্ট

 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর