• Home /
  • মহানগর /
  • মুখ্যমন্ত্রীর ‘মহানুভবতা’য় মুগ্ধ বোস, জানালেন রাজ্যের বিদায়ী রাজ্যপাল

মুখ্যমন্ত্রীর ‘মহানুভবতা’য় মুগ্ধ বোস, জানালেন রাজ্যের বিদায়ী রাজ্যপাল

নয়া জামানা, কলকাতা : রাজভবনের অলিন্দে তখন বিদায়ের সুর। পাঁচ বছরের মেয়াদ ফুরনোর আগেই ইস্তফা দিয়েছেন তিনি। বুধবার বিকেলে যখন উত্তরসূরি আর এন রবি কলকাতায় পা রাখছেন, ঠিক তার আগেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে শেষ সৌজন্য সাক্ষাৎ সারলেন বিদায়ী রাজ্যপাল....

মুখ্যমন্ত্রীর ‘মহানুভবতা’য় মুগ্ধ বোস, জানালেন রাজ্যের বিদায়ী রাজ্যপাল

নয়া জামানা, কলকাতা : রাজভবনের অলিন্দে তখন বিদায়ের সুর। পাঁচ বছরের মেয়াদ ফুরনোর আগেই ইস্তফা দিয়েছেন....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা, কলকাতা : রাজভবনের অলিন্দে তখন বিদায়ের সুর। পাঁচ বছরের মেয়াদ ফুরনোর আগেই ইস্তফা দিয়েছেন তিনি। বুধবার বিকেলে যখন উত্তরসূরি আর এন রবি কলকাতায় পা রাখছেন, ঠিক তার আগেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে শেষ সৌজন্য সাক্ষাৎ সারলেন বিদায়ী রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। আর সেই বিদায়বেলায় আবেগের বাঁধ ভাঙল তাঁর। মুখ্যমন্ত্রীর ‘মহানুভবতা’র কথা বলতে গিয়ে গলা ধরে এল বোসের, চোখের কোণে দেখা গেল জল। রাজ্য রাজনীতির জলঘোলা কিংবা সংঘাতের আবহ সরিয়ে রেখে এদিন এক অন্য মুহূর্তের সাক্ষী থাকল বাংলা। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বোস বলেন, ‘আমি সাড়ে ৩ বছরের এই অভিজ্ঞতা উপভোগ করেছি। গ্রেট কালচার, আমি এখানকার মানুষের সুইটনেস উপহারস্বরূপ সঙ্গে নিয়ে যাচ্ছি।’ ঠিক এই পর্বেই মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘আমি মুখ্যমন্ত্রীকে তার মহানুভবতার ধন্যবাদ জানাবো। এটাই বাংলার সংস্কৃতির ঐতিহ্য দর্শায়।’ বোসের এই আচমকা প্রস্থান ঘিরে ইতিমধ্যেই দানা বেঁধেছে রহস্য। রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। বিধানসভা নির্বাচনের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে কেন এই রদবদল, তা নিয়ে সরব হয়েছেন স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। নিজের ইস্তফা প্রসঙ্গে এদিনও ইঙ্গিতবহ মন্তব্য করেছেন বোস। তিনি বলেন, ‘আমি নিজের জীবনের ৭৫ বছর কাটিয়ে জানতাম, কোথায় থামতে হবে। সব সময় জানতে হবে জীবনের কোন একটা জায়গায় গিয়ে থামতে হবে।’ এমনকি, এই বিদায়ের নেপথ্যে কোনো ‘ষড়যন্ত’ থাকতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি। রাজ্যপালের সঙ্গে সুর মিলিয়ে মুখ্যমন্ত্রীও বিষয়টিকে সহজভাবে নিচ্ছেন না। বোসের সঙ্গে সাক্ষাতের পর মমতা স্পষ্ট জানান, ওঁর প্রতি অবিচার হয়েছে, অন্যায় হয়েছে। রাজনৈতিক অভিসন্ধির আশঙ্কাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না তিনি। অথচ এক সময় এই রাজভবনেই সরস্বতী পুজোয় হাতেখড়ি হয়েছিল আনন্দ বোসের। মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যপালের সেই সুসম্পর্ক পরবর্তীকালে উপাচার্য নিয়োগ বা আইনশৃঙ্খলা ইস্যুতে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছিল। দিল্লিকে পাঠানো রাজ্যপালের একের পর এক রিপোর্টে নবান্নের সঙ্গে সংঘাত চরমে ওঠে। কিন্তু বুধবারের ছবিটা ছিল একেবারে ভিন্ন। যাবতীয় তিক্ততা ভুলে বিদায়ী রাজ্যপালের পাশে দাঁড়িয়ে সহমর্মিতা প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী। আর সেই ভালোবাসার ছোঁয়ায় বাংলার মাটি ছাড়ার আগে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়লেন সি ভি আনন্দ বোস। ছবি সংগৃহিত।


 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর