ব্রেকিং
  • Home /
  • মহানগর /
  • বিজেপিকে ‘সামাজিকভাবে, বয়কটে’র নিদান অভিষেকের

বিজেপিকে ‘সামাজিকভাবে, বয়কটে’র নিদান অভিষেকের

নয়া জামানা ডেস্ক : এবার বিজেপিকে ‘সামাজিকভাবে বয়কট’ করার ডাক দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে ‘নো ভোট টু বিজেপি’ স্লোগান শোনা গিয়েছিল বঙ্গ রাজনীতিতে। এবার তার ধার আরও বাড়িয়ে অভিষেক বললেন,‘আগের বার আমরা বলেছিলাম,....

বিজেপিকে ‘সামাজিকভাবে, বয়কটে’র নিদান অভিষেকের

নয়া জামানা ডেস্ক : এবার বিজেপিকে ‘সামাজিকভাবে বয়কট’ করার ডাক দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা ডেস্ক : এবার বিজেপিকে ‘সামাজিকভাবে বয়কট’ করার ডাক দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে ‘নো ভোট টু বিজেপি’ স্লোগান শোনা গিয়েছিল বঙ্গ রাজনীতিতে। এবার তার ধার আরও বাড়িয়ে অভিষেক বললেন,‘আগের বার আমরা বলেছিলাম, নো ভোট টু বিজেপি। কিন্তু এখন পরিস্থিতি যে জায়গায় পৌঁছেছে, তাতে শুধু ভোট না দেওয়া নয়, ওদের সামাজিকভাবে পুরোপুরি বয়কট করতে হবে।’ শুক্রবার ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলে এসআইআর ইস্যুতে আয়োজিত ধরনা মঞ্চ থেকে গেরুয়া শিবিরের বিরুদ্ধে এভাবেই রণহুঙ্কার দিলেন তিনি।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে এদিন অভিষেকের আক্রমণ ছিল তীক্ষ্ণ ও আক্রমণাত্মক। অভিষেককে প্রধান বক্তা হিসেবে সামনে এনে মুখ্যমন্ত্রী জানান, এসআইআর-এর নামে সাধারণ মানুষের ওপর যে অত্যাচার ও মানসিক নির্যাতন চলছে, তা অভিষেক অনেক গভীর থেকে অনুধাবন করেছেন। সেই যন্ত্রণার কথা তুলে ধরতেই তাঁর হাতে মাইক্রোফোন তুলে দেন নেত্রী। কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে নিশানা করে অভিষেক বলেন, ‘এসআইআর-এর নামে সাধারণ মানুষের ওপর যে অমানবিক অত্যাচার চলছে, তা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। দিনের পর দিন মানুষকে প্রমাণ জোগাড় করতে গিয়ে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। বৈধ নাগরিকদের বেনাগরিক করার চক্রান্ত করছে কেন্দ্র। মানুষের চোখের জল নিয়ে রাজনীতি করার এই অরাজকতা আমরা কিছুতেই মেনে নেব না।’

বিজেপির রথযাত্রাকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, একদিকে মানুষ যখন নাগরিকত্ব হারানোর আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে, তখন ওরা ক্ষমতার লোভে রথে চড়ে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে ব্যস্ত। এই চরম দ্বিচারিতার জবাব বাংলার মানুষ ভোটবাক্সেই দেবেন বলে তাঁর দাবি। সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে অভিষেক বলেন, ‘আমি এই ধর্মতলার মঞ্চ থেকে খোলা চ্যালেঞ্জ করছি, আগামী নির্বাচনে বিজেপি ৫০টি আসনও পেরোতে পারবে না। যে দল মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় আসতে চায়, বাংলার মানুষ তাদের ছুঁড়ে ফেলবে।’

বিজেপির জনসভা নিয়ে বিদ্রুপ করতেও ছাড়েননি তিনি। অভিষেকের খোঁচা, বিজেপির সভায় যা লোক হচ্ছে, তার চেয়ে বেশি লোক ভিড় করেন জেসিপি দিয়ে মাটি কাটা দেখতে। কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলোকে ব্যবহারের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ‘তোমার কাছে ইডি, সিবিআই, ইনকাম ট্যাক্স, বিচার বিভাগের একাংশ, তোমার কাছে রাজ্যপাল, তার পরেও বাংলা দখল করতে পারছ না। বিয়ের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে। ক্যাটেরার থালা, ঠাকুরমশায় থালা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে, খালি পাত্র আর পাত্রী নেই, কী করে বিয়ে হবে? এদের কাছে সব, কিন্তু তা-ও কিচ্ছু নেই। তৃণমূলের কিচ্ছু নেই। শুধু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আছেন আর বাংলার ১০ কোটি মানুষ রয়েছেন। বাকিটা তৃণমূলকর্মীরা মাঠে বুঝে নেবেন।’

তৃণমূলের স্বচ্ছতার কথা মনে করিয়ে দিয়ে অভিষেক বলেন, দলে অভিযোগ থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হয়, কিন্তু বিজেপিতে অভিযুক্তরা পুরস্কার পান। রাজ্যপাল ইস্যু থেকে অমিত শাহের ভাষণ, প্রতি পদেই বিজেপিকে বিঁধেছেন তিনি। তিনি কটাক্ষের সুরে বলেন, ‘আজ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বেঁচে থাকলে তাঁকেও বিবেচনাধীন করে রাখত।’ নির্বাচনের মুখে রাজ্যপালের পদত্যাগকেও বাংলার ওপর কেন্দ্রর আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা হিসেবে দেখছেন তিনি। সবমিলিয়ে, অভিষেকের এই ‘সামাজিক বয়কট’-এর ডাক রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে শোরগোল ফেলে দিয়েছে। ছবি সোশ্যাল মিডিয়া।


 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর