ব্রেকিং
  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম নেই প্রাক্তন বিএলও-শিক্ষকের, কমিশনের স্বচ্ছতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ!

চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম নেই প্রাক্তন বিএলও-শিক্ষকের, কমিশনের স্বচ্ছতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ!

সায়ন ভান্ডারী, নয়া জামানা,বীরভূম: বীরভূম জেলার ২৯১ নম্বর বিধানসভা কেন্দ্রকে ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এক শিক্ষককে কেন্দ্র করে। ওই কেন্দ্রের বাসিন্দা রেজ্জাক আলি যিনি পেশায় শিক্ষক এবং অতীতে বুথ লেভেল অফিসার (বিএলও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, তাঁর নাম চূড়ান্ত ভোটার....

চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম নেই প্রাক্তন বিএলও-শিক্ষকের, কমিশনের স্বচ্ছতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ!

সায়ন ভান্ডারী, নয়া জামানা,বীরভূম: বীরভূম জেলার ২৯১ নম্বর বিধানসভা কেন্দ্রকে ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এক শিক্ষককে....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


সায়ন ভান্ডারী, নয়া জামানা,বীরভূম: বীরভূম জেলার ২৯১ নম্বর বিধানসভা কেন্দ্রকে ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এক শিক্ষককে কেন্দ্র করে। ওই কেন্দ্রের বাসিন্দা রেজ্জাক আলি যিনি পেশায় শিক্ষক এবং অতীতে বুথ লেভেল অফিসার (বিএলও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, তাঁর নাম চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় না থাকায় তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন। বিষয়টি সামনে আসতেই এলাকায় আলোচনা শুরু হয়েছে এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন একাংশের বাসিন্দা।রেজ্জাক আলির দাবি নির্ধারিত সময়ে ভোটার তালিকা সংশোধনের জন্য তিনি সমস্ত প্রয়োজনীয় নথি জমা দিয়েছিলেন। তাঁর কথায় হিয়ারিংয়ের সময় আমাকে নোটিস দিয়ে ডাকা হয়েছিল। আমি নির্দিষ্ট সময়ে উপস্থিত হয়ে স্কুল সার্টিফিকেট কলেজ সার্টিফিকেট-সহ সমস্ত প্রয়োজনীয় নথি জমা দিই। তারপরেও চূড়ান্ত তালিকায় আমার নাম নেই, যা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং বিস্ময়কর।উল্লেখ্য রেজ্জাক আলি দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষকতার পাশাপাশি নির্বাচনী প্রক্রিয়ার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। তিনি বিএলও হিসেবে ভোটার তালিকা হালনাগাদের কাজ করেছেন এবং সাধারণ মানুষের নাম অন্তর্ভুক্তি ও সংশোধনের দায়িত্ব পালন করেছেন। সেই অভিজ্ঞতার নিরিখে নিজের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়ায় তিনি আরও বিস্মিত। তাঁর অভিযোগ যিনি নিজে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজে যুক্ত ছিলেন, তাঁরই যদি নাম বাদ পড়ে যায় তাহলে সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে কী হতে পারে।ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের মধ্যেও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তাঁদের দাবি, সমস্ত বৈধ নথি জমা দেওয়ার পরেও যদি একজন শিক্ষকের নাম চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ে তা হলে নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠবে। অনেকেই মনে করছেন বিষয়টি দ্রুত খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
রেজ্জাক আলি জানিয়েছেন, তিনি আইনি পথে বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের নজরে আনবেন এবং প্রয়োজনে উচ্চতর কর্তৃপক্ষের দ্বারস্থ হবেন। তাঁর বক্তব্য, একজন নাগরিক হিসেবে ভোটাধিকার তাঁর সাংবিধানিক অধিকার। সেই অধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ার কারণ জানতে তিনি যথাযথ পদক্ষেপ করবেন।
যদিও এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের তরফে আনুষ্ঠানিক কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে ঘটনাটি সামনে আসার পর এলাকায় চর্চা তুঙ্গে। আগামী দিনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয় সেদিকেই এখন নজর স্থানীয়দের।


আরও পড়ুন-

 

বাজেটে নেই কোনো সুযোগ-সুবিধা, সরকারি বঞ্চনায় দুর্দশাগ্রস্থ প্রবীণবর্গ

 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর