নয়া জামানা, নদীয়া: নদীয়ার কৃষ্ণনগরে বিজেপির দলীয় কার্যালয় উচ্ছেদকে ঘিরে তৈরি হলো বিশৃঙ্খলা। কোর্টের অনুমতি থাকা সত্বেও বিজেপি সমর্থকরা দলীয় কার্যালয় আটকে রাখে। অভিযোগ, বাড়ি জবরদখল করেই দলীয় কার্যালয় তৈরি করা হয়েছে। বুধবার ওই জায়গার উত্তরসুরিরা আদালতের অনুমতিসহ পুলিশকে সাথে নিয়ে উচ্ছেদ করতে গেলে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের কাছ থেকে বাধাপ্রাপ্ত হয় এবং শুরু হয় বিশৃঙ্খলা। বিজেপি কর্মী সমর্থকরা পথ আটকে বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে থাকে। আদালতের অনুমতি থাকা সত্ত্বেও বিজেপি তাদের ঘর ছাড়তে রাজি হয় না বরং আরও সময় দেওয়ার কথা দাবি করে।যার দরুন ওই বিজেপির দলীয় মুখ্য কার্যালয়ের সামনে চলে চরম বিশৃঙ্খলা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে ঘটনাস্থলে নামে কৃষ্ণনগর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী।সূত্রের খবর, সেই বাড়িটির প্রকৃত মালিকের নাম গৌতম সরকার যিনি গত হয়েছেন বহু বছর আগে। পেশায় চাকুরিজীবী হওয়ায় তিনি কৃষ্ণনগরে থাকতেন না আর সেই সুযোগেই নাকি গায়ের জোরে বাড়ির সদস্যদের বের করে দিয়ে বাড়িতে দখল নেওয়া হয়েছে, এমনটাই অভিযোগ। মৃত গৌতম বাবুর স্ত্রী জানান আদালতে মামলা চলছে প্রায় ১৫-১৬ বছর ধরে এবং এই পার্টি অফিস তৈরি হয়েছে কুড়ি বছর আগে। তারা কোনো রকম ভর্তুকি বা লেখাপড়া না করেই বাড়ির উপর দখল নিয়েছে।সম্পূর্ণটাই তাদের মতামতের বিরুদ্ধে। এর আগেও পুলিশ কার্যালয় উচ্ছেদ করতে এসেছিল কিন্তু দলীয় সমর্থকদের জোড়াজুড়িতে ম্যাজিস্ট্রেট উচ্ছেদ প্রক্রিয়ার সময়কাল বাড়িয়ে দেয়। কিন্তু বুধবারও বিজেপি সমর্থকরা তাদের দাবিতে অনড় থাকলে পরিস্থিতি আরো জটিল হয়ে পড়ে। যদিও উত্তরসূরীদের বয়ানেও রয়েছে কিছুটা অসঙ্গতি।বিষয়টি সম্পূর্ণ আদালতের বিচারাধীন। পরিবারের সদস্যরা রাজ্য প্রশাসন ও বিচার ব্যবস্থার উপর সম্পূর্ণ আস্থা রাখছেন।
আরও পড়ুন-
দলীয় কার্যালয় বদলে মুদির দোকান, কাউন্সিলর এর কাণ্ডদেখে হতবাক সবাই